fbpx
 

না’গঞ্জ সিটি করপোরেশনের কর আদায়ের রমরমা ঘুষ বাণিজ্য!

Pub: সোমবার, ফেব্রুয়ারি ৪, ২০১৯ ৬:০৩ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

স্টাফ রিপোর্টার, নারায়ণগঞ্জ : নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন সাধারণ মানুষকে সেবা প্রদানের জন্য। কিন্তু সেই সিটি কর্পোরেশন কদাচিৎ সাধারণ মানুষের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়ায়। জন্ম নিবন্ধনের কাগজ কিংবা বাসার হোল্ডিং নাম্বারের জন্য গেলে দফায় দফায় বিভিন্ন সমস্যার কথা বলে ঘুরানো হচ্ছে সিটি কর্পোরেশনের বাসিন্দাদের। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে তাদের।
সিটি কর্পোরেশনে জন্মনিবন্ধনের জন্য গেলে বাড়ির হোল্ডিং নাম্বার নেই বলে আটকে দেওয়া হচ্ছে আবার বাসার হোল্ডিং নাম্বারের জন্য গেলে চাওয়া হচ্ছে মনগড়া ট্যাক্স। এমনটাই অভিযোগ করেছেন নাসিকের বাসিন্দারা। এতে সিটি কর্পোরেশন এলাকার মানুষদের ভোগান্তি যেমন বাড়ছে তেমনি দিনদিন ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছেন এসব ভুক্তভোগী মানুষ।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক ভুক্তভোগী একজন সিটি কর্পোরেশনে যান মেয়ের জন্মনিবন্ধনের জন্য। সপ্তাহখানেক ঘুরানোর পর তার বাড়ির হোল্ডিং নাম্বার না থাকায় এবং ট্যাক্স বাকি আছে বলে কাগজ আটকে দেওয়া হয়। পরে তিনি বাড়ির হোল্ডিং নাম্বার নেওয়ার জন্য বললে ওই লোকের বাড়ি সরেজমিনে দেখে আসার কথা বলেন সিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত সহকারী কর আদায়কারী মেহেদী হাসান।
ভুক্তভোগী এ প্রতিবেদককে জানান, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনে সন্তানের জন্মনিবন্ধনের জন্য গেলে তা আটকে দেয় সিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত সহকারী কর আদায়কারী মেহেদী হাসান। কারণ দেখায় তার বাসার হোল্ডিং নম্বর নেই। পরবর্তিতে আমি হোল্ডিং নম্বরের জন্য আবেদন করি। প্রায় ১৫ দিন ঘুরাঘরি করেও আমার হোল্ডিং না পেয়ে আবার তার কাছে যাই। এসময় মেহেদী হাসান ও আফজাল নিজেরা কিছু আলোচনা করে আমাকে বলেন যে, আপনি বাসায় চলে যান আমরা আপনার বাসা দেখতে যাবো।
কয়েক দিন পর আমার বাসায় গিয়ে কিছুক্ষন ঘুরে মেহেদী বলেন যে, আপনার নামে ১২হাজার টাকা হোল্ডিং নাম্বার এসেছে। আপনি ১৯ লাখ টাকা দিয়ে বাড়ি কিনেছেন এখানে প্রতি লাখে ৫০০টাকা করে আসছে মোট ৯ হাজার টাকা। আর ৬ হাজার টাকার মত আসবে ট্যাক্স। আপনি আমাকে ১২হাজার টাকা দেন। আপনার সম্পূর্ণ কাজ সমাধান করে দিব। স্টাফদের কাউকে জানাবেন না। যে ৯ হাজার টাকা ব্যাংকে জমা দিতে হয়। ওই টাকা ব্যাংকে জমা দিব না। ওই টাকা আমরা নিব। আপনার কাজ হলেই হয়। আপনার হোল্ডিং নম্বর আপনাকে দিয়ে যাব। কিন্তু আমি রাজি না হলে আবার আমার কাগজ আটকে দেওয়া হয়।
৩ ফেব্রুয়ারী ওই ভুক্তভোগী এসময় তাকে টাকা দিতে চাইলে তিনি বলেন, এখনতো আপনার কাছে টাকা নিতে পারব না। আপনি টাকার কথা মানুষের কাছে বিচার দিছেন। তারা আমাকে ফোন করে গালাগালি করছে। আমার মান সম্মান শেষ। আমি সরমে লজ্জায় কি বলব আপনাকে।
মেহেদী হাসানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে অভিযোগটি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন। মুঠোফোনে তিনি জানান, আমরা তার বাসায় গিয়ে যে টাকা চেয়েছিলাম তার কাজের জন্যই। এসময় ১৫দিন সময় লাগার কারণ জানতে চাইলে বিভিন্ন জায়গায় ফাইল যাবে সাইন হয়ে আবে, তারপর ৩০ দিনের একটি নোটিশ দেওয়া হবে সহ নানান অজুহাত দেখান।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ