fbpx
 

না’গঞ্জ শহরের চাষাঢ়ার মোড়ে ব্যানার ‘বাংলার সিংহাম’ এসপি হারুন এটি কিসের আলামত!

Pub: রবিবার, মে ৫, ২০১৯ ৮:৫৪ অপরাহ্ণ   |   Upd: রবিবার, মে ৫, ২০১৯ ৮:৫৪ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

স্টাফ রিপোর্টার, নারায়ণগঞ্জ : নারায়ণগঞ্জ শহরের প্রান কেন্দ্র চাষাঢ়ার মোড়ে টানানো হয়েছে বিশাল ব্যানার। তাতে উল্লেখ করা হয়েছে জেলার এসপি হারুন বাংলার সিংহাম। সঙ্গে এও বলা হয়েছে, সিংহ পুরুষ এসপি হারুন উল্লেখ করে দীর্ঘজীবী হোন। কে বা কারা এটি করেছে তা জানা যায়নি। তবে শহরবাসীরা বলছেন এটি কিসের আলামত? তিনি কি রাজনীতিবিদ?। নারায়ণগঞ্জ জেলার জনপ্রতিনিধি?। নাকি একজন সরকারী কর্মকর্তা?।
প্রশ্ন উঠেছে একজন সরকারী কর্মকর্তাকে নিয়ে এভাবে ব্যানার ফেষ্টুন কি করা যায়? সকল নিয়মনীতি ভেঙ্গে কে বা কারা এ ব্যানার সৃজন করে তা জনস্মুখে সাটিয়ে দিল?। জেলা পুলিশ প্রশাসন কেন নিরব?। তবে কি তারা পুলকিত বোধ করছেন?। নাকি পুলিশের ইন্ধনেই অতিউৎসাহী মহল এ কর্মটি করেছেন?। নারায়ণগঞ্জের মিডিয়া কর্মীদের একটি অংশের এসপি হারুন বন্দনা নিয়েও শহরবাসীর মধ্যে রয়েছে নানা মুখরোচক সমালোচনা।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের প্রকৃত চিত্র ফুটে উঠতে শুরু করেছে। সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জবাসীর পক্ষ থেকে তাকে ‘বাংলার সিংহাম’ আখ্যায়িত করে একটি ব্যানার দেখা গেছে। যা নিয়ে তৈরী হয়েছে বিরুপ প্রতিক্রিয়ার। সিংহ পুরুষও আখ্যায়িত করা হয়েছে। ইতোপূর্বে প্রভাবশালী এমপি শামীম ওসমানকে আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীরা সিংহ পুরুষ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। এখন কে বা কারা এসপি হারুনকে সিংহ পুরুষ বলছে। তাহলে নারায়ণগঞ্জে সিংহ পুরুষ কি দুই জন?। শামীম ওসমানতো নারায়ণগঞ্জেই থাকবেন। এসপি হারুনকে তো সিংহ পুরুষ হিসেবে নারায়ণগঞ্জ ছাড়তে হবে। কেননা তার চাকুরীটি হচ্ছে বদলীর। সিংহতো কখনো বন ছেড়ে অন্যত্র বসবাস করেনা।
চাষাঢ়া মোড়ে টানানো সেই ব্যানারে এসপি হারুনকে শুধু বাংলার সিংহাম উপাধিই দেয়া হয়নি। সাথে সিংহ পুরুষ এসপি হারুন উল্লেখ করে দীর্ঘজীবী হোন কথাটি উল্লেখ করা হয়েছে। তবে আসলে কারা ও কাদের উদ্যেগে এমনটি করা হয়েছে সেটি জানা যায়নি।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জবাসী প্রত্যক্ষ করেছেন পুলিশের ভুমিকা। যা নিয়ে দেশে বিদেশে রয়েছে বদনাম। তাহলে কি ধীরে ধীরে পুলিশের আগ্রহ বাড়ছে রাজনীতিতে!
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন বিরোধীদলীয় রাজনৈতিক নেতা মন্তব্য করে বলেন, নারায়ণগঞ্জ পুলিশ প্রশাসন পরিনত হয়েছে পুলিশলীগে। যা বর্তমান সরকারের সবচাইতে প্রভাবশালী কর্মী। সারা বাংলাদেশেই তৈরী হয়েছে পুলিশলীগ বনাম আওয়ামীলীগের মধ্যে এলাকা নিয়ন্ত্রনের বিরোধ। এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জের অবস্থান রয়েছে প্রথম স্থানে। অতীতের মত নারায়ণগঞ্জই ধরে রেখেছে প্রথম স্থানটি।
গেলো চারমাসে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ প্রশাসন চাঁদাবাজ, ভূমিদস্যু, মাদক কারবারী, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লাগাতার বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে। এসব অভিযানে যারা ধরা পড়ছেন তাদের ছাড়াতে অনেকেই রথী-মহারথীদের লোকজন।
খোদ আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের অভিযোগ, এসকল টার্গেট অভিযানের পেছনে রয়েছে
বিশাল অংকের অর্থনৈতিক ফায়দা লুটার চেষ্টা। ইতোমধ্যে সফলও হয়েছেন বর্তমান পুলিশ প্রশাসন।
শহরবাসীদের কল্যাণে পুলিশ যে এসব অভিযান পরিচালনা করছেন তা বিশ^াস করতে পারছেন না জেলাবাসী। তারা বলছেন, আপনারা সাংবাদিক পেছনের কারণ খুঁজে বের করুন এবং জনগণকে জানান। পুলিশ সুপারের ড্যাম কেয়ার মানসিকতার পেছনের কারণ কি? তিনি কি আসলেই নারায়ণগঞ্জবাসীর উপকার করতে চান!। অতিত ইতিহাসতো বলে অন্য কথা। পুলিশ সুপারের উপর নারায়ণগঞ্জবাসী আস্থা রাখতে চায় জেলাবাসী।
তবে এটি সত্য যে, পুলিশ প্রশাসনের এসব অভিযান অব্যাহত থাকায় নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন অপরাধ জনিত ঘটনা অনেক লোপ পেয়েছে। তাছাড়া চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসীরা গা ঢাকা দিয়েছে। রাজনৈতিক দলের নেতারাও তাদের দৌঁড়ঝাঁপ সীমিত করে রেখেছেন।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ