fbpx
 

না’গঞ্জে চিকিৎসকের অবহেলায় প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ

Pub: Monday, May 6, 2019 7:10 PM
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

স্টাফ রিপোর্টার, নারায়ণগঞ্জ : প্রসূতি সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসলে অবস্থা গুরুতর বলে পরিচিত প্রাইভেট ক্লিনিকে দ্রুত অপারেশন করতে পরামর্শ দিয়ে চার ঘন্টা পর অপারেশন করেন চিকিৎসক। সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক হয়েও ক্লিনিক ব্যবসা ঠিক রাখতে বিলম্ব করে অপারেশন করাতে মৃত্যু হয় ওই প্রসূতির। এমনই অভিযোগ উঠেছে নারায়ণগঞ্জ ৩’শ বিশিষ্ট হাসপাতালের গাইনী বিভাগের সিনিয়র কনসাল্টেন্ট ডা. জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রোববার (৫ মে) রাত ১২ টা পর্যন্ত শহরের চাষাড়ার প্রাইম জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসককে অবরুদ্ধ করে রাখে নিহত কবিতার স্বজনরা।
নিহতের বড় ভাই তাইজুল ইসলাম জানান, সকালে বোনকে খানপুরের ৩’শ হাসপাতালে চেক-আপের জন্য নিয়ে গেলে ডাক্তার জাহাঙ্গীর আলম রিপোর্ট দেখে ১ ঘন্টার মধ্যে অপারশেন করতে হবে বলে জানান। তিনি পাশ্ববর্তী ইউনিক হাসপাতাল নামে এক প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন। চিকিৎসকের কথামতো হাসপাতালে নিয়ে গেলে অপারেশনের জন্য ১৫ হাজার জমা দিয়ে দুপুর সাড়ে ১২টায় ওই হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় রোগীকে। এদিকে চিকিৎসক এক ঘন্টার কথা বলে হাসপাতালে আসেন বিকেল ৪টায়। এসেই অপারেশন থিয়েটারে ঢুকে ১৫ মিনিটের মধ্যে বেরিয়ে অপারেশন সফল হয়েছে বলে মা ও বাচ্চা সুস্থ আছে জানান এবং হাসপাতাল থেকে তরিঘড়ি করে বেরিয়ে যান।
তাইজুল ইসলাম বলেন, আমার বোন সুস্থ আছে বলার এক ঘন্টা ডাক্তার ফোন দিয়ে বলে, রোগীর অবস্থা ভালো না জরুরীভাবে রক্ত লাগবে। ১৫ মিনিট পর রক্ত জোগাড় করে এসে দেখি আমার বোন মারা গেছে।
নিহতের ভাই অভিযোগ করে বলেন, ডাক্তারের গাফিলতিতে আমার বোন আগেই মারা গিয়েছিল কিন্তু তারা বিষয়টি ধামাচাপা দিতে এই নাটক সাজিয়েছে।
এদিকে অভিযুক্ত চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, অপারেশনের পর রোগী ও বাচ্চা দুজনেই সুস্থ ছিল। পরে আমি চলে যাবার পর কি হয়েছে সেটা বলতে পারবো না।
ঘটনার পর ক্ষুব্দ স্বজনরা চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলমের কাছে কৈফিয়ত চাইলে তিনি পালিয়ে শহরের চাষাড়ার প্রাইম জেনারেল হাসপাতালে আশ্রয় নেন। পরে স্বজনরা সেখানে এসে জড়ো হন এবং চিকিৎসককে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়।
সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ পাঠিয়ে ছিলাম। নিহতের স্বজনরা চিকিৎসককে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে তারা শান্ত হয়েছেন কিন্তু তারা কোন লিখিত অভিযোগ জানাননি। অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ