fbpx
 

নড়াইলে ৪০টি গরু উদ্ধার: ফিরে পেল প্রকৃত মালিক

Pub: বৃহস্পতিবার, মে ৩০, ২০১৯ ৪:৫৩ অপরাহ্ণ   |   Upd: বৃহস্পতিবার, মে ৩০, ২০১৯ ৪:৫৩ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি॥ নড়াইলে প্রকৃত মালিককে তার ৪০টি গরু ফেরত দিয়েছেন নড়াইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন পিপিএম (বার)। নড়াইল জেলার সদর উপজেলাধীন ভদ্রবিলা ইউনিয়নের অন্তর্গত মাথাভাঙ্গা গ্রামের সত্যজিতের ৪০টি গরু নিজে উপস্থিত থেকে ফেরত প্রদান করেন পুলিশ সুপার। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নড়াইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ শরফুদ্দীন, নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ ইলিয়াস হোসেন পিপিএম, ভদ্রবিলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ মোশারেফ হোসেন, এসময় গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নড়াইল জেলা অনলাইন মিডিয়া ক্লাবের সভাপতি উজ্জ্বল রায়, সাধারণ সম্পাদক মোঃ হিমেল মোল্যাসহ ক্লাবের সকল সদস্যবৃন্দসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। জানা গেছে, চলতি মাসের ২০ তারিখে মাথাভাঙ্গা গ্রামে গরুকে ঘাস খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে সত্যজিত ও রবীন্দ্রনাথ গ্রুপের মধ্যে সংঘাতের সৃষ্টি হয়। সংঘাত চলাকালে রবীন্দ্রনাথ গ্রুপের দলনেতা রবীন্দ্রনাথ ও তার দুই ছেলে আহত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় রবীন্দ্রনাথ নিজে বাদী হয়ে নড়াইল সদর থানায় সত্যজিত গ্রুপের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। মামলা হওয়ার পর গ্রেফতার এড়াতে সত্যজিৎ গ্রুপের সদস্যরা এলাকা ছাড়ে এবং তাদের গরু ছাগল রবীন্দ্রনাথ গ্রুপ লুটপাট করে নিয়ে গেছে মর্মে নড়াইল পুলিশ সুপারের নিকট মৌখিকভাবে অভিযোগ করেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য পুলিশ সুপার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিলে ওসি মোঃ ইলিয়াস হোসেন পিপিএম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে মাথাভাঙ্গা গ্রাম ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে সত্যজিত গ্রুপের মোট ৪০টি গরু উদ্ধার করেন। উদ্ধার শেষে আজ সেগুলো সত্যজিত উপস্থিত না থাকায় সত্যজিতের মা ও বোন তৃষ্ণার নিকট স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে হস্তান্তর করেন। গরুগুলো আদৌ লুট হয়েছিল না লুকিয়ে রাখা হয়েছিল বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন নড়াইলের পুলিশ সুপার। এ বিষয়ে নড়াইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন পিপিএম (বার) বলেন, আসামি গ্রুপের মালামাল লুট করার রেওয়াজ নড়াইলে দীর্ঘদিন ধরে চলমান। আবার এই সুযোগকে পুঁজি করে আসামি পক্ষও তাদের নিজেদের মালামাল লুকিয়ে রেখে অন্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে থাকে। আমরা প্রাথমিকভাবে তল্লাশি চালিয়ে সত্যজিৎ গ্রুপের ৪০টি গরু প্রকৃত মালিকের নিকট ফিরিয়ে দিয়েছি এবং এ বিষয়ে পুলিশের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ