পুলিশের বিরুদ্ধে চিকিৎসকসহ তিনজনকে মারধরের অভিযোগ

Pub: বৃহস্পতিবার, জুন ১৩, ২০১৯ ৩:০৯ পূর্বাহ্ণ   |   Upd: বৃহস্পতিবার, জুন ১৩, ২০১৯ ৩:০৯ পূর্বাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি :
চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর গর্ভের মৃত বাচ্চা অপারেশনকে ঘটনাকে কেন্দ্র করে চিকিৎসকসহ তিন জনকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। বুধবার রাত ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

এই নিয়ে পুলিশ ও চিকিৎসক নেতারা দীর্ঘক্ষণ রুদ্ধদার বৈঠক শেষে মারধরের কথা স্বীকার না করলেও বলেছেন, ভুল বুঝাবুঝির কারণে এমনটি হয়েছে। তবে ভুল বুঝাবুঝির কি ছিল, সেই বাখ্যা কোনো পক্ষই দেয়নি।

ক্লিনিক সূত্রে জানা যায়, গোয়েন্দা পুলিশের সদস্য খাদেমুল ইসলাম তার স্ত্রীকে সোমবার রাতে সেবা ক্লিনিকে ভর্তি করিয়েছিলেন। এরপর তিনি পরদিন মঙ্গলবার তার স্ত্রীকে নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে যান।

পরে জানা যায়, তার স্ত্রীর গর্ভের সন্তান মৃত। এরপর তিনি তার স্ত্রীর গর্ভের মৃত সন্তান অপসারণের জন্য বুধবার বিকেলের দিকে সেবা ক্লিনিকে নিয়ে আসেন। সন্ধ্যা ৬টার দিকে অপারেশন সম্পন্ন করেন ডা. সালমা আখতার জাহান।

এর কিছুক্ষণের পর গোয়েন্দা পুলিশের ৬-৭ জন সদস্য সেখানে যায়। তাদের সাথে চিকিৎসক সালমা আখতার জাহান পলির বাগবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে সেখানে যান চিকিৎসক ইসমাইল ও তার চেম্বারের সহযোগী বাবু।

চিকিৎসক ইসমাইলের চেম্বারের সহযোগী বাবু জানান, এ সময় ধাক্কাধাক্কিতে চিকিৎসক ইসমাইল ও তার নিজের টিশার্ট ছিড়ে যায়।

এই বিষয়ে ডা. সালমা আখতার জাহান বলেন, বিষয়টি যেহেতু সমাধান হয়ে গেছে, আমি এ বিষয়ে কিছু বলতে চাই না।

তবে অপর চিকিৎসক ইসমাইল জানান, ঘটনার জন্য তারা (পুলিশ সদস্য) আমাদের কাছে সরি বলেছে।

এদিকে ঘটনার পর থেকে ডা. সালমা আখতার জাহানের চেম্বারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহবুবুল আলম খান ও চিকিৎসক নেতৃবৃন্দ দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করেন।

রাত পৌনে ১০টার দিকে বৈঠক থেকে বেরিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহবুবুল আলম খান বলেন, ভুল বুঝাবুঝির কারণেই এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি সমাধান হয়ে গেছে। তবে এই বিষয়ে ওই বৈঠকে থাকা চিকিৎসক নেতারা বিষয়টি নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ