fbpx
 

আলমডাঙ্গায় সন্তানকে গলা কেটে হত্যা করলেন মা

Pub: Monday, June 17, 2019 2:15 PM
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আফজালুল হক, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি :
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় স্নেহা (২) নামের এক শিশু কন্যাকে বঁটি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেছে মা শামীমা খাতুন। আজ (১৭জুন) সোমবার আনুমানিক ভোর ৬ টার সময় উপজেলার সোনাতনপুর গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। মা শামীমা খাতুন (৩৫) আলমডাঙ্গা উপজেলার সোনাতনপুর গ্রামের (পল্লী চিকিৎসক) মামুন অর রশিদের স্ত্রী। তিন সন্তানের মধ্যে সবার ছোট ২ বছরের শিশু স্নেহা। খবর পেয়ে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ও অভিযুক্ত মা শামীমা খাতুনকে থানা হেফাজতে নেয়।
মা শামীমা খাতুন মানসিক ভারসাম্যহীন ও ইতোমধ্যে চুয়াডাঙ্গার এক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের নিকট ব্যবস্থাপনা গ্রহন করছে বলে দাবি করেন স্বামী(পল্লী চিকিৎসক) মামুন অর রশিদ।

স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, সোমবার ভোরে শামীমা খাতুন দোতলায় সিঁড়িঘরের পাশে রান্নাঘরে রান্না করার জন্য যায়। সেখানে তার ছোট মেয়ে স্নেহা গেলে বঁটি দিয়ে তার গলা কেটে হত্যা করে। হত্যার পর সবাইকে বলে আমার মেয়েকে মেরে ফেলেছি মিস্টি বিতরণ করো।
শামীমা খাতুনের স্বামী বলেন, ছোট মেয়ে সন্তান হবার পর কোন ছেলে সন্তান না থাকায় মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে যায়। মাঝেমধ্যেই তিন মেয়েকে অত্যাচার ও মারধর করতো। চুয়াডাঙ্গার এক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযাযী চিকিৎসা চলছিল। আজ হঠাত এমন ঘটনা ঘটালো তা নিজেও কল্পনা ও করতে পারছিনা বলে জানান তিনি।
এ দিকে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ অভিযুক্ত শামীমা খাতুন ও স্বামী মামুন উর রশিদকে থানা হেফাজতে নেয় বলে নিশ্চিত করেন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান মুন্সি। শিশুটির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। আজ দুপুরেই শিশুকন্যাটির ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন ময়নাতদন্ত কর্মকর্তা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শামীম কবীর।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ