না’গঞ্জে ১৬ বছর পর ভেঙ্গে ফেলা হলো অবৈধ রহমতউল্লাহ ইনিষ্টিটিউট

Pub: বৃহস্পতিবার, জুন ২০, ২০১৯ ৬:৫৯ অপরাহ্ণ   |   Upd: বৃহস্পতিবার, জুন ২০, ২০১৯ ৬:৫৯ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

স্টাফ রিপোর্টার, নারায়ণগঞ্জ : ১৬ বছর ধরে অবৈধ অবস্থানে থাকার পর নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন ভেঙ্গে দিল রহমতউল্লাহ ইনিষ্টিটিউট ভবন। ফলে শহরবাসীর দীর্ঘ দিনের এই দাবীটি পুরণ হওয়ায় নগরবাসী স্বস্তি প্রকাশ করছে। তারা বলছেন এ বিষয়ে শহরবাসী পাশে রয়েছেন এবং থাকবেন মেয়র আইভীর। অনুরোধ জানিয়েছেন, কোন অবস্থাতেই যেন কোন অদৃশ্য চাপের কাছে মেয়র আইভী পিছ পা না হন।
বৃহস্পতিবার (২০ জুন) বেলা সাড়ে ১১ টায় শহরের ২নং রেলগেট এলাকায় এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।
২নং রেল গেইট রহমতউল্লাহ্ ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষের সাথে দীর্ঘদিন ধরেই মালিকানা সত্ত্ব নিয়ে মামলা চলছিলো নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের। এই মামলায় সম্প্রতি সিটি করপোরেশনের পক্ষে রায় আসে। যার ফলে এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।
নাসিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ভবনটি ভাঙার ব্যাপারে এখানকার লোকজনকে আগেই সময় দিয়ে দেয়া হয়েছিলো। সময় পার হওয়ার পরই ভবনটি ভাঙার কাজ শুরু হয়েছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে পুরো ভবনটি ভেঙে দেয়া হবে।
এ বিষয়ে মেয়র আইভীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সকল নিয়কানুন রক্ষা করেই রাস্তার মাঝ থেকে জনস্বার্থে এ ভবনটি উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে। গত ১৬ বছর ধরেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অসংখ্যবার নিজ দায়িত্বে ভবনটি সরিয়ে নেয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে কিন্তু তারা অজ্ঞাত কারণে কর্ণপাত করেনি।
এদিকে এই ভবনটি সরিয়ে নিতে পাশেই জমি সিটি কর্পোরেশন থেকে জমি দেয়া হয়। সেখানে তারা বহুতল ভবন করে বানিজ্যিক ভিত্তিতে ভাড়া আদায় করছেন বহু বছর ধরে। এ বিষয়ে উভয়ের মধ্যে একটি চুক্তিও সম্পাদিত হয়।
উল্লেখ্য, ২০০৮ সনের ১১ ফেব্রুয়ারী তৎকালীন সভাপতি (পদাধিকার বলে) জেলা প্রশাসক মো: ফাইজুল কবীরের সভাপতিত্বে রহমতউল্লাহ মুসলিম ইস্টিটিউটের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সহ-সভাপতি (পদাধিকার বলে) বর্তমান মেয়র ডা; সেলিনা হায়াৎ আইভী উপস্থিত ছিলেন। সভায় আলোচ্যসূচী নারায়ণগঞ্জ পৌর চেয়ারম্যান কর্তৃক বিপনী বিতানের (পুরাতন ভবন) মেরামত কাজ বন্ধের ও ক্রোকের নোটিশ সমন্ধে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত এজেন্ডা ছিল। সেখানে আলোচনা শেষে এই সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়, পুরাতন ভবনটি রহমাতউল্লাহ মুসলিম ইনিস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ যথাশ্রীঘ্র ভেঙ্গে ফেলবেন এবং শর্ত হিসাবে খোলা চত্বরটি রহমত উল্লাহ নামকরণ করা হবে। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসক ও পৌরসভার চেয়ারম্যানকে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহনের সর্বময় ক্ষমতা প্রদান করা হয়।
কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে ২নং রেলগেট এলাকার যানজটও অনেকটা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভবপর হবে। পুরনো এই রহমত উল্লাহ ইনস্টিটিউট ভবনটি ভেঙে ফেলা হলেও এর অংশ হিসেবে পাশে রহমত উল্লাহ মুসলিম ইনস্টিটিউট শপিং কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হয়।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ