পরিচ্ছন্ন কর্মীদের আন্তরিকতায় বর্জ্য অপসারণে সফল মসিক

Pub: বুধবার, আগস্ট ১৪, ২০১৯ ১:৩৮ অপরাহ্ণ   |   Upd: বুধবার, আগস্ট ১৪, ২০১৯ ১:৩৮ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আনিসুর রহমান ফারুক, ময়মনসিংহ :

কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম সরাসরি মনিটরিং করেছেন সিটি মেয়র মো: ইকরামুল হক টিটু।মেয়রের সরাসরি তদারকি ও মনিটরিংয়ের ফলে নগরবাসীকে পরিচ্ছন্ন নগর উপহার দিয়েছে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের দায়িত্বশীল পরিচ্ছন্ন কর্মীরা।

সোমবার (১৩ আগস্ট) বিকালে নগরীর ফুলবাড়ীয়া পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, বাউন্ডারী রোড, নতুনবাজার, মহারাজা রোড, কালিবাড়ী, গুলকীবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় চলমান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম ঘুরে দেখেন মেয়র। এসময় তিনি সড়কের ডাস্টবিনগুলোতে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমে নিয়োজিতদের দিকনির্দেশনা দেন।

মেয়র বলেন, প্রধান সড়কে বিকাল ৫টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। রাত ৮টার মধ্যে অলি-গলির বর্জ্যও শতভাগ অপসারণ করা হবে। এবার যেহেতু ডেঙ্গু রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যাচ্ছে, সেজন্য আমরা বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমে আলাদা সতর্কতা অবলম্বন করেছি। কোথাও যাতে বর্জ্য বা পানি জমে না থাকে, সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মেয়র টিটু বলেন, এবার বর্জ্য অপসারণে ১৮টি ট্রাক ও ২০টি পাওয়ার ট্রলি নিয়ে আমাদের সাড়ে ৫শ’ পরিচ্ছন্নতাকর্মী তৎপর রয়েছেন। পরিচ্ছন্ন কর্মীরা এই ঈদে পরিবার পরিজনের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে শতভাগ আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে।

বর্জ্য অপসারণ প্রসঙ্গে সিটি মেয়র বলেন, কোরবানির বর্জ্য অপসারণে যে সময় বেঁধে দিয়েছিলাম- ওই সময়ের মধ্যেই পরিচ্ছন্ন কর্মীরা নিরলস পরিশ্রম করে তা সফল করেছে। এই কাজের জন্য আমি চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছিলাম। সিটি করপোরেশনের নিয়োজিত পুরো টিম এই চ্যালেঞ্জ সার্থক করেছে।

মসিকের স্বাস্থ্য বিভাগের স্যানেটারী ইন্সপেক্টর দীপক মজুমদার জানান, বিগত বছরগুলোর মতো এবারও দ্রুত সময়ের মধ্যেই কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করে দৃষ্টান্ত স্থাপনের সুনাম ধরে রাখতে চায় তারা। ঈদের পরের দিনও কোরবানি হতে পারে এ বিষয়টি মাথায় রেখেই ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণ করে পরিচ্ছন্ন ময়মনসিংহ উপহার দিতে স্বাস্থ্য বিভাগকে আগেই সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন সিটি করপোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক টিটু।

তার কঠোর নির্দেশনায় ঈদের দিন সকাল ১১টা থেকে মাঠে সক্রিয় রয়েছেন সিটি করপোরেশনের প্রায় ৫৫০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী। প্রস্তুত রয়েছে ১৮টি ট্রাক ও ২০টি পাওয়ার ট্রলি। নগরের ৩৩টি ওয়ার্ডেই উৎকট দুর্গন্ধ কমাতে ব্যবহার করা হয়েছে ফিনাইল ও ব্লিচিং পাউডার।

মসিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের কনজারভেন্সি ইন্সপেক্টর মো: মহব্বত আলী বলেন, বর্জ্য অপসারণ ও পরিবেশ বিপর্যয় ঠেকাতে ২০১৬ সাল থেকে পশু জবাইয়ের জন্য এলাকাভিত্তিক স্থান নির্ধারণ করা হয়। মসিকের পুরাতন ২১টি ওয়ার্ডে ১৯১টি স্পট ও নতুন ১২টি ওয়ার্ডে ১৫৯টি স্পট বাছাই করা হয়।

প্রায় সপ্তাহখানেক নগরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে মাইকিং করে সিটি করপোরেশনের বাছাই করা নির্ধারিত স্থানে পশু জবাইয়ের জন্য আহ্বান জানানো হয়। সেই লক্ষ্যে এবার বর্জ্য অপসারণে ১৮টি ট্রাক ও ২০টি পাওয়ার ট্রিলার নিয়ে আমাদের সাড়ে ৫শ’ পরিচ্ছন্নতাকর্মী তৎপর থাকায় মেয়রের নির্দেশনা মোতাবেক অতীতের মতোই আমরা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পরিচ্ছন্ন ময়মনসিংহ উপহার দিতে কাজ করেছি।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ