fbpx
 

ছেলের সঙ্গে সম্পর্ক নেই: ছাত্রদল সভাপতি প্রার্থীর বাবা

Pub: বুধবার, সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯ ১০:২৭ অপরাহ্ণ   |   Upd: বুধবার, সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯ ১০:২৭ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

যশোর প্রতিনিধি :
বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা এবং ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তিনি যশোরের কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যানও। এদিকে ছেলে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের আসন্ন কাউন্সিলে কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি প্রার্থী। বিব্রতকর অবস্থায় বাবা কাজী রফিকুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলন ডেকে বলেছেন, ছেলে কাজী রওনকুল ইসলামের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই।

বুধবার দুপুরে প্রেসক্লাব যশোর মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি ও আমার পরিবারের সবাই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। শুধু ছোট ছেলে রওনকুল বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। কাজী রওনকুল আমার সন্তান হলেও রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে আমাদের পরিবারের কারও সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। কোনো যোগাযোগ নেই। নিজের আয়ে সে চলে। পারিবারিক বিয়ে বা কোনো অনুষ্ঠানাদিতেও আসে না। আমরাও তার কাছে যাই না। কিন্তু আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের লোকজন বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে।’

আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘আমার এই সুদীর্ঘ জীবনে আমি বাঙালি জাতীয়বাদে বিশ্বাসী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে আমার আদর্শিক মেনে, ছাত্রলীগ ও স্বাধীনতার পর আওয়ামী লীগের কর্মী হয়ে একনিষ্ঠ রাজনীতি করেছি। ৭৫’ পরবর্তী সরকার ক্ষমতায় এসেই তার পোষ্যবাহিনী দিয়ে আমাকে গ্রেপ্তার করে ১১ মাস ক্যান্টনমেন্টে আটকে রেখে সীমাহীন নির্যাতন করেও আমার নীতি আদর্শ থেকে সরাতে পারে নাই।’

‘বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব গ্রহণের পর থেকেই আমি তার মহান নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের রাজনীতির মাঠে অকুতোভয় সৈনিক হিসেবে রয়েছি। জননেত্রী শেখ হাসিনা ১৯৮৬ সালে আমাকে কেশবপুর এলাকায় আওয়ামী লীগের পক্ষে জাতীয় সংসদে নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন দেন। আমি আমার সর্বশক্তি দিয়ে নির্বাচনে ঝাঁপিয়ে পড়ি।’

‘আওয়ামী লীগের একটি সুবিধাবাদী অংশ সরাসরি আমার বিরোধিতা করায় নির্বাচনে পরাজিত হলেও আওয়ামী লীগের রাজনীতি ও গণমানুষের সেবায় আমার কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখি। সেই কারণেই এই বছর উপজেলা নির্বাচনকে অর্থবহ, গ্রহণযোগ্য করার মানসে আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করি।’

‘নির্বাচনের পূর্বে আমি ঢাকায় আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি। নির্বাচনে বহুবিধ প্রতিকূলতা থাকা সত্ত্বেও বিপুল ভোটে আমি জয়লাভ করেছি। সেই কারণে সুবিধাবাদী চক্রের কাছে আমি চক্ষুশূল হয়ে উঠেছি।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেশবপুর উপজেলা ইউনিটের সাবেক কমান্ডার মোহাম্মদ আলী, কাজী রফিকুল ইসলামের প্রথম ছেলে কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মুস্তাফিজুল ইসলাম, দ্বিতীয় ছেলে কেশবপুর উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও কেশবপুর সরকারি কলেজের প্রভাষক কাজী মুজাহিদুল ইসলাম এবং চতুর্থ ছেলে উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কাজী আযহারুল ইসলাম।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ