fbpx
 

রংপুরে সাজেশন দিতে এসে কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণ: ওসিসিতে ভর্তি

Pub: শুক্রবার, জানুয়ারি ১৭, ২০২০ ৩:৩৫ পূর্বাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সাজেশন দেয়ার নামে রংপুরের মিঠাপুকুরের তিলকপাড়ায় নিজ বাড়িতে ইন্টারমিডিয়েট দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে অনার্স প্রথম বর্ষ পড়ুয়া এক শিক্ষার্থী। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার ওসিসি ও বিভাগীয় ডিএন এ ল্যাবরেটরি সেন্টারে রাখা হয়েছে।

পুলিশ বলছে ঘটনার এখনও লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি, মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে উদ্ধার করে আমরা মেডিকেলে পাঠিয়েছি।

পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, বুধবার রাতে পড়াশুনার সাজেশন দেয়ার কথা বলে উপজেলার চেংমারী ইউনিয়নের তিলকপাড়া গ্রামের ওই কলেজ ছাত্রীর বাড়িতে যান তার পূর্ব পরিচিত পাশের বাড়ির ফুল মিয়ার পুত্র কারমাইকেল কলেজের অনার্স প্রথম বর্সের ছাত্র জাকির হোসেন। এ সময় ছাত্রীটির চা বিক্রেতা পিতা স্বপন মিয়া ও মা বাড়ি থেকে ২০০ গজ দূরে মহাসড়কের পাশের চায়ের দোকানে দোকানদারি করছিলেন। সাজেশন দেয়ার সুযোগে ওই কলেজ ছাত্রীকে জাকির উপর্যুপরি ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। ধর্ষণের ফলে প্রচুর রক্তক্ষরণ হলে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় মেয়েটিকে রাত দশটার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের পোস্ট অপারেটিভ রুমে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শেষে অবজারভেশনের পর তাকে এখন নন স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে রাখা হয়েছে। মেয়েটি এখনও শংঙ্কা মুক্ত নন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

ভিকটিম মেয়েটি মিঠাপুকুরের হেনা মেমোরিয়াল কলেজের ইন্টারমিডিয়েপ দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। এ ঘটনায় উপযুক্ত বিচার দাবি করেছেন মেয়েটির পিতা।

ধর্ষিতার পিতা জানান, এ ঘটনায় আমি বিস্মিত। আমার মেয়েটির জীবন নষ্ট হয়ে গেছে। আমি এর উপযুক্ত বিচার দাবি করছি। যাতে আর কোন বাবা-মা ধরনের পরিস্থিতির মুখে না পড়েন। কোন মেয়ের জীবনে যেন আর কখনও এধরণের করুণ পরিণতি না আসে।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডাক্তার ফরিদুল ইসলাম জানান, মিঠাপুকুর থেকে আসা ওই ধর্ষিতা মেয়েটিকে আমরা বুধবার রাত ১০ টায় প্রথমে পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শেষে অবজারভেশন করে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার ওসিসিতে রেখেছি। আরও বেশ কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে। সেগুলোর প্রক্রিয়া চলছে।

মিঠাপুকুর থানার ওসি জাফর আলী বিশ্বাস জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়নি। তবে মৌখিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভিকটিমকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

রংপুর পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার বিশ্বাস জানান, এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে আমরা প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিবো।

এদিকে একটি সূত্র জানিয়েছে, দুই পরিবারের সম্মতিতে ধর্ষক এবং ভিকটিমের বিয়ে দেয়ার বিষয়টি সমঝোতার চেষ্টা চলছে। এ ধরণের একটি ধারণাও দেয়া হয়েছে পুলিশকে।

Hits: 31


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ