fbpx
 

করোনাভাইরাস ‘লকডাউন’ করা হলো মাদারীপুরের শিবচর উপজেলা

Pub: বৃহস্পতিবার, মার্চ ১৯, ২০২০ ৭:২৬ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলাকে ‘লকডাউন’ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে এ ঘোষণা দেয়া হয়।

শিবচর উপজেলার চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শামসুদ্দিন খান বিবিসি বাংলাকে বলেন, শিবচর উপজেলায় শুধু ওষুধের দোকান এবং অতিপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান খোলা থাকবে। এছাড়া বাকি সবকিছু বন্ধ থাকবে।

শামসুদ্দিন খান বলেন, পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত এই লকডাউন চলবে। এ সময়ের মধ্যে শিবচর উপজেলায় থেকে কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না এবং সেখান থেকে বেরও হতে পারবেন না।

মানুষ যাতে অতি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হতে না পারে সেটি নিশ্চিত করতে রাস্তায় পুলিশী টহল থাকবে। অতি প্রয়োজন ছাড়া কাউকে রাস্তায় পাওয়া গেলে জেল-জরিমানা করা হবে বলে জানান তিনি।

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলা হচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম জায়গা যেখানে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকানোর জন্য লকডাউন করা হলো।

এই উপজেলায় সম্প্রতি ৬৩৯ মানুষ ইতালি, গ্রিস, স্পেন কিংবা জার্মানি থেকে এসেছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

শিবচর উপজেলা লকডাউন করা হতে পারে – এমন ইঙ্গিত বিকেলেই দিয়েছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে এখনো পর্যন্ত যাদের দেহে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেশি হয়েছে তারা মাদারীপুর, ফরিদপুর এবং শিবচর এলাকার বাসিন্দা।

‘দুই একটা এলাকার কথা আমাদের খবরে আসে। তার মধ্যে হলো মাদারীপুর এরিয়া, ফরিদপুর এরিয়া বা ওই শিবচর এরিয়া। এ সমস্ত এরিয়াতে বেশি করে দেখা দিচ্ছে। যদি অবনতি ঘটে, তাহলে পরে আমরা লকডাউনের দিকে যাব,’ সংবাদ সম্মেলনে বলছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

তিনি বলেন, এসব এলাকায় তুলনামূলকভাবে বেশি আক্রান্তের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। যে ১৭ জনের দেহে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাস সংক্রমিত হয়েছে, তাদের বেশিরভাগই এসব এলাকার বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন।

‘আমরা যেটা খবর পাই, ওখানকার লোক কোয়ারেন্টাইনেও বেশি, বিদেশে থাকেও বেশি। সেজন্য এসব জায়গাকে আমরা মোর ক্রিটিক্যাল (বেশি ঝুঁকিপূর্ণ) মনে করি। আগামীতে যদি ওখানে সত্যিই বেড়ে যায়, তাহলে আমরা লকডাউন করবো,’ বলেন জাহিদ মালেক।

সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে যে, মাদারীপুর এবং ফরিদপুরের বহু বাসিন্দা ইতালি প্রবাসী। ইতালিতে করোনাইরাসের প্রকোপ ছড়িয়ে পড়ার সময় অনেকে বাংলাদেশে ফিরেছেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, পুরো বাংলাদেশে এখন ৫ হাজারের বেশি মানুষকে বাড়িতে কোয়ারেন্টানে থাকতে বলা হয়েছে।

সূত্র : বিবিসি

Hits: 25


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ