খালেদার জিয়ার মামলায় কি মধু আছে যা দ্রুত নিষ্পত্তির কারণ হতে পারে’

Pub: বুধবার, মে ১৬, ২০১৮ ৩:১৩ অপরাহ্ণ   |   Upd: বুধবার, মে ১৬, ২০১৮ ৩:১৪ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছেন, হাইকোর্ট বিভাগে প্রায় ১ লাখ মামলা দীর্ঘদিন থেকে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। তার মধ্যে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মামলা রয়েছে প্রায় ২০০-এর উপরে। তা সত্ত্বেও বেগম খালেদা জিয়ার মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তি করার জন্য আগামী ৩১ জুলাই এর মধ্যে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চকে নির্দেশ দেয়ায় আমরা বিস্মিত হয়েছি। এ থেকে মনে হয়, বেগম খালেদা জিয়াকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে এবং তাকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখার জন্যই এটা সরকারের মনবাসনা।

তিনি বলেন, আমরা মনে করি আদালতকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে বর্তমান জনসমর্থনবিহীন সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসা পূরণের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। কেন না এই মামলাটিতে এমন কি মধু আছে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ছাড়া যা মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির কারণ হতে পারে।

আজ বুধবার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বেগম খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন আদেশ বহাল রেখে আপিল বিভাগের রায় ঘোষণার পর সুপ্রিম কোর্ট বার ভবনের নিজ কক্ষে  দেয়া প্রতিক্রিয়ায় খন্দকার মাহবুব হোসেন এ সব কথা বলেন।

রায়ে আপিল বিভাগ বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চকে আপিল নিম্ন আদালতের সাজা বাতিল চেয়ে খালেদা জিয়ার দায়ের করা আপিল আবেদন আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন।

খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, এর ফলে দেশে একটি অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে এবং মানুষ তাদের ভোটের অধিকার আদায়ের জন্য রাস্তায় নামতে বাধ্য হবে।

তিনি বলেন, আমি বার বার বলেছি, ৫ বছরের সাজা মামলায় হাইকোর্ট পূর্ণাঙ্গ শুনানি গ্রহণ করার পর জামিন দিলে উক্ত জামিন উচ্চতর আদালত কর্তৃক স্থগিত করার কোনো নজির পাক-ভারত উপমহাদেশের ইতিহাসে নেই। আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে এই কথাটি আদালতে বলেছিলাম এবং আপিল বিভাগের একজন বিচারপতি এই চ্যালেঞ্জের পরিপ্রেক্ষিতে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমকে বলেছিলেন, এই চ্যালেঞ্জের বিপরীতে আপনার কি বক্তব্য আছে। কিন্তু অ্যাটর্নি জেনারেল এই বক্তব্যের বিরুদ্ধে কোনো জবাব দিতে পারেনি।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ

সংবাদটি পড়া হয়েছে 1114 বার