হত্যা মামলায় জামিনে কারামুক্ত এমপি রানা

Pub: মঙ্গলবার, জুলাই ৯, ২০১৯ ১:১৬ অপরাহ্ণ   |   Upd: মঙ্গলবার, জুলাই ৯, ২০১৯ ১:১৬ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

২০১২ সালে দুই যুবলীগ নেতা হত্যার মামলায় টাঙ্গাইল-৩ আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) আমানুর রহমান খান রানা জামিনে মুক্ত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৯ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে টাঙ্গাইল কারাগার থেকে তিনি মুক্ত হন। 

এর আগে গতকাল সোমবার রানাকে দেয়া হাইকোর্টের জামিন রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন খারিজ করে বহাল রাখেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন ৪ সদস্যের আপিল বেঞ্চ। তখনই আইনজীবীরা জানান, রানার মুক্তিতে আর কোনও বাধা নেই।

গত ১৯ জুন রানার জামিন প্রশ্নে জারি করা রুলের শুনানি শেষে তাকে জামিন দেন বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ। কিন্তু হাইকোর্টের দেয়া জামিনা আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন করলে ২০ জুন আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান ১ জুলাই পর্যন্ত রানার জামিন স্থগিত করেন।

এর পর গত ১ জুলাই প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ রানাকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন আরও এক সপ্তাহ স্থগিত রাখেন। 

২০১২ সালের ১৬ আগস্ট যুবলীগ কর্মী শামীম ও মামুনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ২০১৬ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে কারাগারে রয়েছেন রানা। 

উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা শামীম ও মামুন ২০১২ সালের ১৬ জুলাই তাদের বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলে করে টাঙ্গাইল শহরে এসে নিখোঁজ হন। পরদিন শামীমের মা আছিয়া খাতুন সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। 

এর এক বছর পর ২০১৩ সালের ৯ জুলাই নিখোঁজ মামুনের বাবা টাঙ্গাইল আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে তদন্ত করে পুলিশ ওই বছর ২১ সেপ্টেম্বর মামলাটি তালিকাভুক্ত করে। 

ওই মামলায় শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকার খন্দকার জাহিদ, শাহাদত হোসেন ও হিরণ মিয়া হত্যার ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে তারা আমানুরের দিকনির্দেশনায় যুবলীগ নেতা শামীম ও মামুনকে হত্যা করে লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেয়ার কথা স্বীকার করেন।

আওয়ামী লীগের সাবেক সাংসদ আমানুর রহমান খান রানা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলারও আসামি।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ