fbpx
 

খালেদা জিয়ার জামিন শুনানিতে বিচারকের অপারগতা প্রকাশ

Pub: বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৯ ১২:৫৭ অপরাহ্ণ   |   Upd: বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৯ ১২:৫৭ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জামিন চেয়ে দ্বিতীয় দফায় করা আবেদন তাঁর আইনজীবীদের কাছে ফেরত দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বুধবার, সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯, বিচারপতি ফরিদ আহমেদ ও বিচারপতি এএসএম আবদুল মোবিনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ আবেদনটি ফেরত দেন। একইসঙ্গে আদালত বেগম খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের সিনিয়র বিচারপতির নেতৃত্বাধীন কোনও বেঞ্চে জামিন আবেদনটি উত্থাপনের পরামর্শ দেন। বেগম খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে আদালত বলেন, যেহেতু বিষয়টি এর আগে হাইকোর্টের একটি জ্যেষ্ঠ বেঞ্চে শুনানি হয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে সেহেতু বিষয়টি এখন আপিল বিভাগে নিয়ে যেতে পারেন। এদিন আদালতে বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন।

গত ৩১ জুলাই এ মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনটি বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ সরাসরি খারিজ করে দেন। পরে ৩ সেপ্টেম্বর আবারও জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন বেগম খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। গত ৮ সেপ্টেম্বর একই বেঞ্চে জামিন আবেদনটি উপস্থাপন করা হলে তা গ্রহণ করে কার্যতালিকায় রাখার আদেশ দেন আদালত। ওই আদেশের ধারাবাহিকতায় আবেদনটি ১১ সেপ্টেম্বরের কার্যতালিকায় আসে।

এর আগে গত ৩০ এপ্রিল চ্যারিটেবল মামলায় নিম্ন আদালতের দেয়া সাজার বিরুদ্ধে বেগম খালেদা জিয়ার খালাস চেয়ে করা আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন উচ্চ আদালত। সেই সঙ্গে উক্ত মামলায় বিচারিক আদালতের দেয়া অর্থদন্ড আপিল শুনানিকালে স্থগিত করে মামলার সকল নথি পরবর্তী দুই মাসের মধ্যে আদালতে দাখিলের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২০ জুন হাইকোর্টে এসে পৌঁছায় মামলার নথি। গত ২৮ জুলাই এ মামলায় জামিন চেয়ে প্রথমবারের মতো আবেদন করেন বেগম খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা।

২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ৭ বছরের কারাদন্ড ও ১০ লাখ টাকার অর্থদন্ড দেন আদালত। এ ছাড়া ট্রাস্টের নামে ঢাকা শহরে থাকা ৪২ কাঠা জমি রাষ্ট্রায়ত্ত করার আদেশ দেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় বেগম খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন।

এরপর ২০১৮ সালের ১৮ নভেম্বর বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে জামিন ও খালাস চেয়ে হাইকোর্টে আপিল করেন বেগম খালেদা জিয়া।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বেগম খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদন্ড ও আর্থিক জরিমানা করা হয়।
রায় ঘোষণার পরপরই বেগম খালেদা জিয়াকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয়। ওইদিন থেকেই তিনি কারাভোগ করছেন। বর্তমানে কারাবন্দি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন আছেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ