fbpx
 

ঢুকলেন হেসে, বের হলেন চোখের জলে ভেসে

Pub: Thursday, October 24, 2019 2:44 PM
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বহুল আলোচিত ফেনীর মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা মামলার অন্যতম আসামি ও মূলহোতা হিসেবে সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ এসএম সিরাজউদ্দৌলার নাম ছিল। কিন্তু মামলার প্রধান আসামি হয়েও রায় ঘোষণার আগে হাসতে হাসতে আদাল প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেন সিরাজউদ্দৌলা। তবে তার সেই চওড়া হাসি খুব বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। রায়ের আগে হাস্যোজ্জ্বল দেখা গেলেরও রায়ে ফাঁসির দণ্ড পাওয়ার পর কাঁদতে কাঁদতে চোখের জল মুছতে মুছতে আদালত প্রাঙ্গণ ছাড়েন লম্পট সিরাজ। 

ফেনীর সোনাগাজীর মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ এসএম সিরাজউদ্দৌলাসহ ১৬ আসামিকে ফাঁসির দণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে আসামিদের প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। সেই টাকা আদায় করে নুসরাতের পরিবারকে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। 

বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশীদের আদালত বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা সবাই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

নুসরাত হত্যায় মূল ভূমিকা পালনকারী হিসেবে সবার সামনে এসেছে অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলার নাম। মামলার অভিযোগপত্র অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ না নিলেও অন্যতম নির্দেশদাতা ছিলেন সিরাজ। অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, নুসরাতের যৌন হয়রানির মামলা তুলে নিতে চাপ প্রয়োগ, তাতে কাজ না হওয়ায় ভয়-ভীতি প্রদর্শন এবং পরে নুসরাতকে হত্যার জন্য সুনির্দিষ্ট ও সুপরিকল্পিত দিকনির্দেশনা দিয়েছিলেন সিরাজ। 

বৃহস্পতিবার মামলার রায় ঘোষণার দিন আদালত প্রাঙ্গণে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সকালে অধ্যক্ষ সিরাজসহ ১৬ আসামিকে প্রিজনভ্যানে করে আদালতে নিয়ে আসা হয়। প্রিজনভ্যান থেকে নামার সময় অধ্যক্ষ সিরাজ হাসছিলেন। হাসতে হাসতে আদালতের এজলাসে যান। রায় ঘোষণার আগ পর্যন্ত তিনি ফুরফুরে মুডে ছিলেন। 

কিন্তু রায়ে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা হওয়ার পরই এজলাসে দাঁড়িয়ে কাঁদতে শুরু করেন সিরিজ। অন্যান্য আসামিদের যখন প্রিজনভ্যানে তোলা হচ্ছিল তখনও সিরাজের চোখে ছিল জল।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ