fbpx
 

নুসরাত হত্যা: কে কোন দোষে দোষী

Pub: Friday, October 25, 2019 2:32 AM
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

দেশের বহুল আলোচিত ফেনীর মাদরাসা শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। রায়ে অভিযুক্ত ১৬ আসামিরই ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। 

বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশীদের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। এসময় আসামিদের ভূমিকা তুলে ধরা হয়। এর আগে হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে যখন আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তখন পুরো বিষয়টির একটি চিত্র আঁকে কার কী ভূমিকা ছিল, তা তুলে ধরা হয়।

১. এসএম সিরাজ উদ্দৌলা
মাদরাসা অধ্যক্ষ। কারাগারে বসে নুসরাত হত্যার পরিকল্পনা করেন। সহযোগীদের সেখানে ডেকে নির্দেশ দেন পুড়িয়ে মারার।

২. রুহুল আমিন
সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি ও মাদরাসা কমিটির সহ-সভাপতি। তিনি থানা ও প্রশাসন ম্যানেজ করার দায়িত্ব নেন। হত্যাকাণ্ডের পর ছাত্রলীগের নেতার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন।

৩. মাকসুদুল আলম
পৌর কাউন্সিলর ও পৌর আওয়ামী লীগের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক। নুসরাত হত্যার সরঞ্জাম কেনার জন্য ১০ হাজার টাকা দেন। অধ্যক্ষ সিরাজ উদ্দৌলার মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন করান।

৪. শাহাদাত হোসেন
নুসরাতকে হত্যার জন্য কেরোসিন কিনে দেন। ঘটনার সময় তিনি নিজে নুসরাতের মুখ চেপে ধরেন।

৫. আফসার উদ্দিন
নুসরাতকে আগুন দেওয়ার আগে মাদরাসার ফটকে পাহারা দেন। মামলা তুলে নিতে চাপ দেন।

৬. আবদুল কাদের
তিনিও নুসরাতকে হত্যার আগে মাদরাসার মূল ফটকে পাহারা বসিয়েছিলেন। হত্যায় সহযোগিতা করেন।

৭. উম্মে সুলতানা
নুসরাতের সহপাঠী ছিলেন। নুসরাতকে ছাদে ডেকে নেন। ওড়না দিয়ে নুসরাতের হাত পেছন করে বেঁধে ফেলেন।

৮. কামরুন নাহার
তিনি হত্যার জন্য বোরকা ও হাতমোজা কেনেন। ঘটনার সময় নুসরাতের হাত বাঁধেন এবং চেপে ধরেন।

৯. ইফতেখারউদ্দিন
মাদরাসার ছাত্র। নুসরাতকে হত্যার আগে বৈঠকে অংশ নেন। মাদরাসার মূল ফটকের পাশে পাহারা দেন।

১০. নুরউদ্দিন
কারাগারে অধ্যক্ষের সঙ্গে দেখা করেন এবং তার নির্দেশনা অনুযায়ী হত্যা করতে বৈঠকে অংশ নেন।

১১. মো. জোবায়ের
নুসরাতের ওড়না দুই ভাগ করে ফেলেন। ওড়নার একাংশ দিয়ে নুসরাতের পা পেঁচিয়ে ধরেন।

১২. মহিউদ্দিন শাকিল
সাইক্লোন শেল্টারের দুই সিঁড়ির সামনে পাহারা দেন। যাতে সবাই নিরাপদে চলে যেতে পারেন।

১৩. আবদুর রহিম
মাদরাসার ছাত্র। নুসরাত হত্যার আগে তিনি মাদরাসার ফটকে পাহারা দেন।

১৪. ইমরান হোসেন
হত্যাকাণ্ডে সহযোগিতা করেন। মাদরাসার মূল ফটকের পাশে পাহারা দেন। 

১৫. জাবেদ হোসেন
নুসরাতকে হত্যার আগে বৈঠকে অংশ নেন। আগুন দেয়ার আগে নুসরাতের পা বেঁধে ফেলেন।

১৬. মো. শামীম
হত্যাকাণ্ডের সময় এই আসামি সাইক্লোন শেল্টারের দুই সিঁড়ির সামনে পাহারা দেন। যাতে কেউ আসতে না পারে।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ