fbpx
 

কুড়িগ্রামে সাংবাদিককে কারাদণ্ডের নথি তলব, আদেশ সোমবার

Pub: রবিবার, মার্চ ১৫, ২০২০ ৪:৫৫ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

কুড়িগ্রামের বাংলা ট্রিবিউনের জেলা প্রতিনিধি আরিফুল ইসলামকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মধ‌্যরাতে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়ার আদেশের কপি তলব করেছেন হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে ওই সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত না টাস্কফোর্সের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে- তা জানতে চেয়েছেন আদালত।

আগামীকাল সোমবারের (১৬ মার্চ) মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষকে তা জানাতে বলা হয়েছে। এছাড়া, রাষ্ট্রপক্ষের কাছে কয়েকটি প্রশ্নের জবাব চেয়েছেন আদালত।

সেগুলো হলো, মধ্যরাতে অভিযান পরিচালনার কারণ কী? অভিযান পরিচালনার তথ্য কীভাবে পাওয়া গেছে? কে দিয়েছে? এ সংক্রান্ত ডকুমেন্ট চেয়েছেন আদালত। কার সামনে মাদক পাওয়া গেছে সে তথ‌্যও দিতে বলা হয়েছে।

রবিবার (১৫ মার্চ) বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন ও ইশরাত হাসান। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল দেবাশীষ ভট্টাচার্য।

এর আগে, আজ সকালে সাংবাদিক আরিফুল ইসলামকে কারাদণ্ড দেওয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। কুড়িগ্রামের ডিসি সুলতানা পারভীনসহ সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটদের তলব চাওয়ার পাশাপাশি ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়।

অনলাইন পত্রিকাটির নির্বাহী সম্পাদক হারুন-উর রশীদের পক্ষে আইনজীবী ইশরাত হাসান জনস্বার্থে রিট দায়ের করেন।

গত ১৩ মার্চ মধ্যরাতে কুড়িগ্রাম ডিসি অফিসের দুই-তিনজন ম্যাজিস্ট্রেট, ১৫-১৬ জন আনসার সদস‌্য গিয়ে সাংবাদিক আরিফুলকে বাসা থেকে জোর করে তুলে নিয়ে যায়। ডিসি অফিসে নেয়ার পর তারা দাবি করেন, আরিফুলের বাসায় আধা বোতল মদ ও দেড়শ গ্রাম গাঁজা পাওয়া গেছে। আরিফুলকে রাতেই মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এক বছরের সাজা দেয়া হয়।

এদিকে সংবাদ প্রকাশের জেরে মধ্যরাতে সাংবাদিক আরিফুল ইসলামকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে সাজা দেয়ার ঘটনায় জেলা প্রশাসক (ডিসি) সুলতানা পারভীনকে রবিবার প্রত্যাহার করা হয়েছে। ঘটনা তদন্তে সুলতানা পারভীনের সম্পৃক্ততা ও আচরণের অসঙ্গতির প্রমাণ পাওয়ায় তাকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে।

রবিবার (১৫ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এতথ্য জানিয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে অবিলম্বে প্রত্যাহার করে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘শুধু ডিসি নয়, এই ঘটনার সঙ্গে অন্য যেসব কর্মকর্তা জড়িত ছিল নিজ নিজ ভূমিকা বিবেচনায় নিয়ে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে। জনমনে শনিবার থেকে যত প্রশ্ন উঠেছে সব প্রশ্নের সত্যতা তদন্তে পাওয়া গেছে।’

প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘এক-দুজন কর্মকর্তার দায় সরকার বা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় নেবে না।’

Hits: 43


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ