সিলেটে টেস্ট ঘিরে বাড়তি আয়োজন

Pub: রবিবার, আগস্ট ২৬, ২০১৮ ২:৩৪ পূর্বাহ্ণ   |   Upd: রবিবার, আগস্ট ২৬, ২০১৮ ২:৩৪ পূর্বাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

স্পোর্টস রিপোর্টার :
৩রা নভেম্বরে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে হবে টেস্ট অভিষেক। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এ মাঠে প্রথম টেস্ট খেলবে টাইগাররা। অবশ্য এখন পর্যন্ত এ স্টেডিয়ামে শুধু আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিই হয়েছে। যে কারণে প্রশ্ন ছিল টেস্ট ভেন্যুর মর্যাদা পেতে নতুন করে আইসিসির অনুমোদন প্রয়োজন কিনা! কিন্তু বিসিবির গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান মাহবুবুল আনাম জানালেন, ২০১৪ তে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময়ই এ অনুমোদন নেয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে তিনি জানালেন সিলেটে টেস্ট ঘিরে বাড়তি আয়োজনের কথাও। দৈনিক মানবজমিনকে তিনি বলেন, ‘সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম টেস্ট আয়োজনের সব প্রস্তুতি চলছে।
আমাদের জন্য স্বস্তির বিষয় টেস্ট ভেন্যুর স্বীকৃতির জন্য আইসিসির নতুন করে অনুমোদন প্রয়োজন নেই। কারণ আমরা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময়ই সব অনুমোদন নিয়ে রেখেছিলাম। তাই নতুন করে কোনো পরিদর্শন হবে না।’ একই কথা জানিয়েছেন সিলেট ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও বিসিবি পরিচালক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল।
সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে যাত্রা শুরু করেছে ২০১৪ তে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। কবে এ মাঠে বাংলাদেশ দল প্রথম খেলেছে এ বছর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে। সেই সময় সিলেট ক্রীড়া সংস্থা রেখেছিলেন বিশেষ আয়োজন। করা হয়েছে স্মারকও। তবে প্রথমবারের মতো টেস্ট ম্যাচ ঘিরে তার চেয়েও বেশি আয়োজনের অভাস দিয়েছেন শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল। তিনি বলেন, ‘সিলেট স্টেডিয়ামে প্রথম টেস্ট মাঠে আমাদের জন্য নতুন মাইলফলক। এটি আমাদের জন্য গর্বেরও। যে কারণে এই আয়োজনকে ঘিরে আমরা আগের চেয়ে বেশি কিছু করার চেষ্টা করবো। এখন স্টেডিয়ামের কাজগুলো শেষ করা হচ্ছে। এরপর আমরা বসবো প্রথম টেস্টকে বিশেষ করে রাখার জন্য কি করা যায় তা নিয়ে। অবশ্য এমন কিছু করবো যেন এ স্টেডিয়ামের প্রথম টেস্ট স্মরণীয় হয়ে থাকে।’
অন্যদিকে টেস্ট ভেন্যু হিসেবে তৈরি করতে বিসিবিও শুরু করেছে বড় ধরনের কর্মযজ্ঞ। এরই মধ্যে টেস্ট ম্যাচ মাঠে গড়ানোর আগ পর্যন্ত সব ধরনের খেলা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সিবিসির নয়া কিউরেটর সঞ্চিম আগারওয়ালকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে মাঠ প্রস্তুত ও উইকেট বানানোর জন্য। তবে জানা গেছে সিলেট স্টেডিয়ামের বাজে ঘাস দূর করতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে নয়া কিউরেটরকে। যদিও এ বিষয়ে গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান মাহবুবুল আনাম বলেন, ‘আমরা সিলেটের প্রথম টেস্ট ঘিরে কাজ শুরু করে দিয়েছি। এরই মধ্যে এ মাঠে সব ধরনের খেলা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। মাঠের ভেতরে ঘাস লাগানো থেকে শুরু করে অবকাঠামোরও কাজ চলছে। আশাকরি টেস্ট ভেন্যু হিসেবে খুব দ্রুতই প্রস্তুত হয়ে যাবে সিলেট স্টেডিয়াম।’
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে সাজানো সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের এ বছর হবে ওয়ানডে অভিষেকও। জিম্বাবুয়ে সিরিজের পরই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে একটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলবে টাইগাররা। এটি হবে দেশের সপ্তম টেস্ট ভেন্যু। যদিও চট্টগ্রামের এম এ আজিজ ও ঢাকার বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে এখন আর কোনো ধরনের ক্রিকেট খেলাই হয় না। টেস্ট ভেন্যু হিসেবে এখন রয়েছে মিরপুর শেরেবাংলা, ফতুল্লা খান সাহেব ওসমান আলী, চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী ও খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেমিডয়াম। সেই হিসেবে সিলেট হবে দেশের পঞ্চম টেস্ট ভেন্যু। আন্তর্জাতিক ম্যাচ আগে হওয়াতে সিলেটে খুব বেশি কাজ বাকি নেই। তারপরও টেস্টকে ঘিরে রুটিন ওয়ার্ক ছাড়াও বেশ কিছু বাড়তি কাজ হচ্ছে বলে জানান গ্রাউন্ডস কমিটির ম্যানেজার সৈয়দ আবদুল বাতেন। তিনি বলেন, ‘৫ দিনের ক্রিকেটের জন্য মাঠ অন্য ভাবেই প্রস্তুতি রাখতে হয়। রুটিন কাজ ছাড়াও আমরা গ্রিন গ্যালারি উন্নতির কাজও করবো। এছাড়াও মাঠে প্রবেশের পথ গুলোতেও কিছু কাজ হবে।’


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ

সংবাদটি পড়া হয়েছে 1098 বার