৯ দিন আগে ডিভোর্স দিয়েছি, ক্যারিয়ার ধ্বংস করতেই মামলা

Pub: রবিবার, আগস্ট ২৬, ২০১৮ ১১:১৭ অপরাহ্ণ   |   Upd: রবিবার, আগস্ট ২৬, ২০১৮ ১১:১৭ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সামিয়া শারমীনের সঙ্গে নয়দিন আগেই বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে জাতীয় দলের ক্রিকেটার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের। তার বিরুদ্ধে করা সব অভিযোগ মিথ্যা এবং ক্যারিয়ার ধ্বংসের জন্যই ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মামলা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন মোসাদ্দেক।

রোববার সন্ধ্যায় একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে, তা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমার সুনাম নষ্ট করার অপচেষ্টা। পাশাপাশি আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্যই সাজানো মামলা করা হয়েছে।’

মোসাদ্দেক বলেন, ‘মামলার এক নম্বর স্বাক্ষী মোজাম্মেল কবির যা বলেছেন, তা পুরোপুরি মিথ্যা। কারণ, আমি ৯ দিন আগেই তাকে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়ে দিয়েছি। এই ৯ দিন তারা কিছু বলেনি। আমার বিপক্ষে ঘরে বসে মদ্যপান ও অন্যান্য অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগও আনেনি। হঠাৎ কেন মামলা করার প্রয়োজন হলো?’

মোসাদ্দেকের অভিযোগ তাকে হেয় প্রতিপন্ন করতেই এই মামলা করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘সামনে এশিয়া কাপের ক্যাম্প। আমাকে সামাজিকভাবে হেয়-প্রতিপন্ন এবং ক্যারিয়ার ধ্বংস করার জন্যই এ মামলা করা হয়েছে।’

মোসাদ্দেকের দাবি, তার স্ত্রীর পক্ষে ডিভোর্সের বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি এবং বিষয়টা যেন না হয়, সে কারণেই এই সাজানো মামলা করেছে। তিনি যোগ করে বলেন, ‘আমি মার্ডার কিংবা ধর্ষণের মতো কোনো অপরাধ করিনি। আমার সঙ্গে বনিবনা হচ্ছিল না, এ কারণেই ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি চাচ্ছিলাম মিউচুয়ালি বিষয়টা (ডিভোর্স) শেষ করে ফেলতে। কিন্তু তারা (স্ত্রীর পক্ষ) বিষয়টিকে আরও জটিল করে তুলেছে। বোঝাই যাচ্ছে যে, তারা ডিভোর্সের বিষয়টি কোনোরকমেই মেনে নিতে পারছে না। এ কারণেই তারা কিছু নাটক সাজিয়েছে। যাতে আমি দুর্বল হয়ে পড়ি।’

এর আগে, ১০ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতন করে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের বিরুদ্ধে রোববার আদালতে মামলা করেন তার স্ত্রী সামিরা শারমিন।

প্রসঙ্গত, ছয় বছর আগে মাত্র ষোল বছর বয়সেই আপন খালাতো বোন সামিয়াকে বিয়ে করেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ

সংবাদটি পড়া হয়েছে 1088 বার