ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এফ. রহমান হলের সামনে একাধিক পথচারি মারধরের শিকার হয়েছেন। শনিবার (১০ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই নীলক্ষেত মোড়ে হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলামের নেতৃত্বে চেক পোস্ট বসানো হয়।
পথচারীদের অনেকেই প্রশ্ন করেন, মোড়ে মোড়ে সাধারণ নাগরিকদের পথরোধ করে যানবাহন থেকে থামিয়ে ছাত্রলীগের তল্লাশি করার আইনি ভিত্তি আছে? তারা আইন হাতে তুলে নিয়েছে। যা অবৈধ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতর থেকে যারা যাতায়াত করছে এদের মধ্যে যাদের সন্দেহ হয় তাদের রিকশা থেকে নামিয়ে তল্লাশি করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। একই সঙ্গে মোবাইলের ফটো গ্যালারি এবং ডাটা চালু করে ফেসবুক ম্যাসেঞ্জার চেক করে তারা।
ফেসবুকে যদি কোনো ধরনের বিএনপি রিলেটেড পেইজে লাইক পাওয়া যায় তখন ছাত্রলীগের জেরার মাত্রা বেড়ে যায়। ছবি বা পোস্ট পাওয়া গেলে শুরু হয় মারধর। সম্মিলিতভাবে কিল-ঘুষি-লাথি শুরু হয়।
এফ. রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম বলেন, বিএনপি-জামায়াত নৈরাজ্য সৃষ্টি করার জন্য সমাবেশ ঢেকেছে। তারা বিভিন্ন ছদ্মবেশ ধারণ করে সমাবেশে যোগ দিচ্ছে। আমরা মোড়ে মোড়ে অবস্থান নিয়েছি, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছি, চেক করছি। আমরা ছাত্রলীগ থাকতে বিএনপির অপকৌশল বাস্তবায়ন হতে দেব না।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইন বলেন, ছাত্রলীগ শান্তিপূর্ণ ও সাংস্কৃতিক অবস্থান করছে। বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় যেন আগুন সন্ত্রাসরা ঢুকে কোনো নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে না পারে আমরা সেদিকে খেয়াল রাখছি। আমরা চাই বিশ্ববিদ্যালয়ে শান্তিপূর্ণ অবস্থা অব্যাহত থাকুক।
ছাত্রলীগ কারো মোবাইল চেক করার অধিকার রাখে কি না-জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের কেউ কারো মোবাইল চেক করছে না। বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় কারো মোবাইল চেক বা মারধরের খবর আমার জানা নেই। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় শুধু শান্তিপূর্ণ ও সাংস্কৃতিক অবস্থান নিয়েছি।―বাংলাভিশন












