৮ ঘণ্টা দেরিতে ছাড়ছে ট্রেন, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

Pub: শনিবার, আগস্ট ১০, ২০১৯ ১২:৫৪ অপরাহ্ণ   |   Upd: রবিবার, আগস্ট ১১, ২০১৯ ৫:৫২ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

মাত্র একদিন পর ঈদ। রাজধানীর কমলাপুর ট্রেন স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের ভিড় বাড়ছেই। এরই মধ্যে ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। প্রতিটি ট্রেন গড়ে ৮-১০ ঘণ্টা দেরিতে আসছে স্টেশনে। যাত্রীরা পড়েছে চরম দুর্ভোগে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নড়বড়ে রেলপথ ও ধারণক্ষমতার চেয়ে তিন-চার গুণ বেশি যাত্রী নিয়ে চলায় ট্রেনের গতি বেশ কম। এছাড়া শুক্রবার (৯ আগস্ট) বঙ্গবন্ধু সেতুর পাশে সুন্দরবন এক্সপ্রেসের লাইনচ্যুতির ঘটনায় পশ্চিমাঞ্চলের রেলপথ বন্ধ ছিল প্রায় আড়াই ঘণ্টা।

ফলে আজ শনিবার (১০ আগস্ট) ট্রেন স্টেশনে এক সঙ্গে অধিক মানুষের চাপ পড়ায় ভোগান্তিতে পড়েছে যাত্রীরা।

কমলাপুর রেলস্টেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, দিনের প্রথম ট্রেন ধুমকেতু এক্সপ্রেস ছাড়বে প্রায় সাড়ে ৬ ঘণ্টা দেরিতে, সুন্দরবন এক্সপ্রেস ৫ ঘণ্টা, নীলসাগর এক্সপ্রেস ৮ ঘণ্টা, রংপুর এক্সপ্রেস ৮ ঘণ্টা, লালমনিরহাট ঈদ স্পেশাল ট্রেন ১০ ঘণ্টা দেরিতে।

এছাড়া রাজশাহীগামী পদ্মা চলছে সিল্ক সিটির টাইমে, সিল্ক সিটি চলছে ধুমকেতুর টাইমে আর ধুমকেতু চলছে পদ্মার টাইমে। সুন্দরবন ১০ ঘণ্টা, চিত্রা ছাড়ছে ১২ ঘণ্টা দেরিতে।

এদিকে গত ৩১ জুলাই ১৮-২০ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে যারা ৯ আগস্টের টিকিট সংগ্রহ করেছিলেন তারাই শুক্রবার কমলাপুর ও বিমানবন্দর রেলস্টেশন থেকে বাড়ি ফিরছিলেন।

বিলম্বে আসা এক একটি ট্রেন কমলাপুর স্টেশনে পৌঁছতেই হুড়াহুড়ি করে ট্রেনে উঠতে দেখা গেছে যাত্রীদের। জানালা দিয়েও লোকজন উঠছিল। ট্রেনের ইঞ্জিন, ছাদ ও দুই কোচের সংযোগস্থলেও ঘরমুখো মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উঠছিল।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শুক্রবার পশ্চিমাঞ্চলে চলাচল করা সুন্দরবন, ধুমকেতু, নীলসাগর, রংপুর, দ্রুতযান, চিত্রাসহ সব কটি ট্রেনই বিলম্বে চলাচল করেছে। এসব ট্রেনের যাত্রীরা ২ ঘণ্টা থেকে ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত স্টেশনে অপেক্ষা করেন।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ