fbpx
 

গভর্নিং বডি থেকে আওলাদকে সরাতে আন্দোলনে মতিঝিল মডেলের শিক্ষকরা

Pub: মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১০, ২০১৯ ৪:২৪ পূর্বাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ এনে মতিঝিল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি আওলাদ হোসেনকে অপসারণের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক-কর্মচারীরা।

সোমবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মতিঝিল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শতাধিক শিক্ষক কর্মচারী মানববন্ধন করে তার অপসারণ দাবি করেন।

গভর্নিং বডির সভাপতি আওলাদ হোসেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সদ্য বিদায়ী কমিটির সহসভাপতি ছিলেন। এর আগের কমিটিতে তিনি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

মানববন্ধনে প্রতিষ্ঠানটির সিনিয়র শিক্ষক চৌধুরী এমদাদুল করিম বলেন, মতিঝিল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি আওলাদ হোসেন দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত। তার অত্যাচার ও স্বেচ্ছাচারিতা আমাদের অতিষ্ঠ করে তুলেছে। শিক্ষক নির্যাতন আওলাদ হোসেনের প্রতিদিনের ঘটনা।

এমদাদুল করিম অভিযোগ করেন, ‘প্রতিষ্ঠানের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করছেন আওলাদ হোসেন। যার ফলে প্রতিষ্ঠানের ফান্ড শূন্যের দিকে। আওলাদকে না সরালে আমরা অনশনসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবো।’

দুর্নীতির কোনো তথ্য-প্রমাণ আছে কিনা জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির এই শিক্ষক বলেন, আমরা শিক্ষকদের সমন্বয়ে একটি প্রেস রিলিজ তৈরি করেছি। সেখানে সব কিছু লেখা আছে। যদিও প্রেস রিলিজের কপিতে সুনির্দিষ্টভাবে দুর্নীতির কোনো অভিযোগ দেখাতে পারেননি শিক্ষকরা।

আরেক শিক্ষিকা সেলিনা আক্তার জাহান বলেন, ঐতিহ্যবাহী এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে আওলাদ হোসেন। নিয়মিত নিয়োগ বাণিজ্য করে যাচ্ছেন তিনি। তার যন্ত্রণায় আমরা অতিষ্ঠ।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে গভর্নিং বডির সভাপতি আওলাদ হোসেন ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘এগুলো একটা ষড়যন্ত্রের অংশ। কোচিং ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার পর থেকে শিক্ষকদের একটি অংশ আমার পেছনে লেগেছে।’

তিনি আরও বলেন, দেশরত্ন শেখ হাসিনা যখন দেশকে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে যাচ্ছে ঠিক সেই মুহুর্তে জামায়াত-বিএনপির একটি চক্র একত্রিত হয়ে আমার পেছনে লেগেছে।

প্রতিষ্ঠানের কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ নিয়ে তিনি বলেন, বিদ্যালয় ফান্ডে এখনও ৪০ কোটি টাকার বেশি জমা আছে। সেটা তারা লুটপাট করতে পারছে না বলেই আমাকে সরাতে চাইছে।

আওলাদ হোসেন বলেন, ‘তারা একত্রিত হয়ে দুদকে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছে। সেখানে দুদক আড়াই বছর পর আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগটি যে মিথ্যা সেই ক্লিয়ারেন্সও দিয়েছে। তারা কোর্টে গিয়েছে সেখানেও আমার পক্ষে রায় এসেছে। এখন সব কিছুতে ব্যর্থ হয়ে মানববন্ধন করছে। তাদের সঙ্গে স্কুলের বেশিরভাগ শিক্ষকরা নেই। গভর্নিং বডির সদস্যরা নেই। আমাকে অপসারণের দাবিতে তারা প্রেসক্লাবের সামনে নারায়ে তাকবির’ স্লোগান দিয়েছে। এটা কিসের ইঙ্গিত বহন করে?’

তবে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক আনিসুল ইসলাম মানববন্ধনে বলেন, ‘এগারো বছর ধরে আওলাদ হোসেন নিয়মনীতি না মেনে এই প্রতিষ্ঠানের সভাপতি। প্রতিষ্ঠানটিকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে আওলাদ হোসেনকে সভাপতি পদ থেকে বাদ দিতে হবে।’

Hits: 0


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ