fbpx
 

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিচারপতি এবং আইন মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে আকুল আবেদন

Pub: বুধবার, মার্চ ২৫, ২০২০ ১১:৩৫ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ভয়াবহ করোনা ভাইরাসের আক্রমণে সারাবিশ্ব তথা আমাদের দেশও আজ বিপন্ন। এহেন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সদাশয় সরকার এই মারণব্যাধি প্রতিরোধে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।

পৃথিবীতে নতুন আগত এই মারণব্যাধির কোন প্রতিরোধক ও প্রতিষেধক ঔষধ আবিষ্কার না হওয়ায় এর সংক্রমণ ঠেকাতে বিচ্ছিন্ন থাকাকেই এর একমাত্র প্রতিকার বলে বিশেষজ্ঞরা মতামত প্রদান করছেন। তারই ধারাবাহিকতায় সরকার সম্প্রতি সারাদেশে ২(দুই) জনের অধিক ব্যক্তিকে একত্রে অবস্থান ও চলাচল নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন।

সেই উপনিবেশিক আমল থেকে চলে আসা বাংলাদেশের কারাগারগুলোতে এক একটি ওয়ার্ডে (কক্ষে) ২৫-৩০জন করে বন্দী রাখার হিসাব করে যে ধারণ ক্ষমতা নির্ণয় করা হয়েছে, তাতে সর্বমোট ধারণক্ষমতা কমবেশি ৪০ হাজার। অথচ বর্তমানে তাতে অবস্থান করছে প্রায় ৯০ হাজারেরও অধিক বন্দি। ফলে প্রতি ওয়ার্ডে এখন তারা মানবেতর অবস্থায় জীবন যাপন করছে ৪০-৫০জন করে। উল্লেখ্য যে, এই বন্দীদের অধিকাংশই হয় বিচারাধীন নতুবা স্বল্পমেয়াদী সাজার আসামি। দীর্ঘমেয়াদী বন্দীও যারা আছেন তাদের অধিকাংশের বয়সই ৫৫-এর উর্ধ্বে। এই বয়সী মানুষগুলোর করোনায় আক্রান্তজনিত মৃত্যু ঝুঁকি অনেক বেশি। ইতোমধ্যেই নাটোর ও কাশিমপুর কারাগারে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত ও অতঃপর মৃত্যুবরণ সংক্রান্ত খবরা-খবর বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত-প্রচারিত হয়েছে।

এমতাবস্থায়, সূচনালগ্নেই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে ইতালির মতো আমাদের দেশেও ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। আর তার জন্য সম্ভাব্য স্থান হচ্ছে এদেশের কারাগারগুলো।

তাই আপনাদের কাছে সবিনয় প্রার্থনা এই যে, ঐসকল বন্দীদের হয় জামিনে নতুবা অন্য যেকোন শর্তাধীনে সাময়িক মুক্তির ব্যবস্থা করতঃ তাদের তথা অন্যদের জীবন রক্ষার্থে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন। অন্যথায় এদেশের অনেক মানুষ ও তাদের উপর নির্ভরশীল বহু নিরপরাধ পরিবার ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।

নিবেদক
ভুক্তভোগী পরিবারের একজন সদস্য।

Hits: 117


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ