রায়ে হতাশ নয় হৃদয়ে রক্তকরন হচ্ছে !!

Pub: বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ৮, ২০১৮ ১১:৪১ অপরাহ্ণ   |   Upd: বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ৮, ২০১৮ ১১:৪১ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাকরুদ্ধ জাতি হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে ১৬ কোটি জনতার আশা আকাঙ্খার প্রতীক বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষার অতন্দ্র প্রহরী মাদার অফ ডেমক্রেসি আপোষহীন দেশনেত্রী তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ভোটারবিহীন অবৈধ সরকার নিয়ন্ত্রিত ক্যাঙ্গারু আদালত কর্তৃক ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে ‘অন্তঃসারশূন্য’ মিথ্যা বানোয়াট জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় সম্পূর্ণ অবৈধভাবে ৫ বছরের কারাদন্ড দিয়েছেন। গণতন্ত্র উদ্ধারের নিরন্তর সংগ্রামরত আপসহীন দেশনেত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে এ মামলা সঙ্গতকারণেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য। দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপি; তা ছাড়া গণতন্ত্র উদ্ধারের, ভোটের অধিকার, অরাজক পরিস্থিতি থেকে দেশকে উদ্ধারের চিন্তাচেতনা এবং সংগ্রামের সাথে জড়িত সব দেশপ্রেমিক এ রায় নিয়ে চিন্তিত ছিলেন।

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আনীত উল্লিখিত মামলা এক-এগারোর পর্যায়ে মইন-ফখরুদ্দীনের অবৈধ সরকারের আমলে মাইনাস টু ফর্মুলার সময়ে সৃষ্ট। তখন বিএনপি চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে প্রায় ১২টি এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ১৪টি মামলা সৃষ্টি করে দুই নেত্রীকে কারাবন্দী করে সংস্কারের নামে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করার স্বপ্নে বিভোর ছিল তারা। সে আমলে অভিযোগ দায়ের না করে জনপ্রিয় দুই নেত্রীকে জেলে পাঠানোর অপবাদ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সম্পূর্ণ সাজানো ঘটনার অবতারণা করে দুদককে ব্যবহার করে মামলা করা হয়েছিল। ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে তার বিরুদ্ধে এক-এগারোর সময় দায়েরকৃত মামলাগুলো এবং তার দলের নেতাদের বিরুদ্ধে করা মামলা পর্যায়ক্রমে উঠিয়ে নিয়ে সবাইকে মামলায় আনীত অভিযোগ হতে অব্যাহতি দেয়া হয়।কিন্তু খালেদা জিয়াকে রাজনৈতিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এই মামলা গুলা রাখা হয়েছে।

এক-এগারোর পর্যায়ে অবৈধ সরকারের আমলে বেগম জিয়া ও শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দুদককে ব্যবহার করে দায়ের করা সব মামলার স্বরূপ এবং অভিযোগের ধরন একইপর্যায়ের উদ্দেশ্যমূলক এবং রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য সৃষ্ট। তাই মূলত মামলাগুলো ডেথ বা মৃতপর্যায়ে। আওয়ামী লীগ সরকারের নৈতিক দায়িত্ব ছিল খালেদা জিয়ার মামলাগুলো উঠিয়ে নেয়া ,কিন্তু সরকারের বৈষম্যের কারণে এবং আইনের বিধান বা আইনের শাসনে সরকারের হস্তক্ষেপে ক্ষমতাসীনদের জনপ্রিয়তায় ধস নামে। তদুপরি আইনবহির্ভূত হত্যা, গুম, খুন, ঘুষ, দুর্নীতি, অরাজকতা ইত্যাদি অনেক বৃদ্ধি পায়। পক্ষান্তরে বেগম খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী। সারা বিশ্বে কোনো বিরোধীদলীয় নেতা এত বিপুল জনপ্রিয়তার অধিকারী বলে নজির কোথাও পাওয়া যায় না।গণতন্ত্রকামী জনগণকে গণতন্ত্র, ভোটের অধিকারকে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য তার বিরুদ্ধে মামলার নামে নজিরবিহীন হয়রানিকে উপেক্ষা করে নিরন্তর গণতান্ত্রিক আন্দোলনে লড়াকু ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিল সরকার।

কার্যত ক্ষমতাসীনরা ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির মতো খালেদা জিয়াকে ‘মাইনাস ওয়ান ফর্মুলা’ মোতাবেক বিয়োগ করে ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পথে হাঁটছে। সংসদীয় গণতন্ত্রের দেশে সংসদীয় পদ্ধতির নামে গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ব্যাহত করে স্বেচ্ছাচারী শাসনের নজির সৃষ্টি করা হয়েছে। এর অবসান ঘটিয়ে ভোটের অধিকার ও গণতন্ত্র এবং আইনের শাসন ফিরিয়ে আনার শেষ ভরসাস্থল বেগম খালেদা জিয়া বলেই জনগণ মনে করে। আপসহীন নেতাকে মামলা মিথ্যা মামলায় জেলে বন্দী রেখে ক্ষমতাসীনেরা শাসনকে দীর্ঘায়িত করতে চান।
লেখক :প্রধান সম্পাদক শীর্ষ খবর।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ

সংবাদটি পড়া হয়েছে 3940 বার