দলীয় সরকারের অধীনে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব কি?

Pub: সোমবার, অক্টোবর ৮, ২০১৮ ৩:১৭ পূর্বাহ্ণ   |   Upd: সোমবার, অক্টোবর ৮, ২০১৮ ৩:১৭ পূর্বাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার:

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট সরকার পরপর দুই মেয়াদে ১০ বছর ক্ষমতায় রয়েছে। এ ১০ বছরে সরকার কিছু অবকাঠামোগত উন্নয়ন করলেও আর্থিক খাতকে পঙ্গু করে ফেলেছে।

আর্থিক খাতে ব্যাংক, শেয়ারবাজার, হলমার্ক, ডেসটিনি, বিসমিল্লাহ গ্রুপ থেকে শুরু করে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ পর্যন্ত লুটপাটের পরিধি বিস্তৃত হয়েছে। এসব ক্ষেত্রে সরকার লুটপাটকারীদের আইনের আওতায় এনে সময়মতো দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে পারেনি।

ফলে বর্ধিত হারে দুর্নীতি ও লুটপাট বেড়েছে। বলার অপেক্ষা রাখে না, সরকারদলীয় নেতাকর্মীদের প্রশ্রয় না পেলে লুটপাট করা কঠিন। এসব দুর্নীতি ও লুটেরারা এখন তাদের চুরি-দুর্নীতি নির্বাচনের ভোট থেকে শুরু করে ভূগর্ভস্থ কয়লা ও পাথরের খনি পর্যন্ত বিস্তারিত করতে পেরেছে।

এ সরকার আরেকটি দিকে উন্নতি করতে পারেনি। ‘নির্বাচন’ গণতন্ত্রের প্রাণভোমরা হলেও সরকার নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ভেঙে ফেলেছে। দু’একটি বিরল ব্যতিক্রম বাদ দিলে বিভিন্ন নির্বাচনে জনগণ এ ১০ বছরে স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারেনি।

বিশেষ করে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির প্রহসনের দশম সংসদ নির্বাচনের পর উপজেলা, ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনগুলোতে প্রকাশ্যে ভোট কাটাকাটি হয়েছে।

দৃশ্যমানভাবে ভোট কেন্দ্র দখলে নিয়ে সরকারদলীয় প্রার্থীদের নেতাকর্মী-ক্যাডাররা নির্বাচনী কর্মকর্তা ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় ভোট কেন্দ্র থেকে বিরোধীদলীয় প্রার্থীদের এজেন্ট বের করে দিয়ে ইচ্ছামতো সিল মেরে ভোটের বাক্স ভরেছে। অথচ নির্বাচন কমিশন, বিশেষ করে সিইসি, প্রায় প্রতিটি নির্বাচনের পর একই রেকর্ড বাজিয়েছেন।

তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া নির্বাচন ভালো হয়েছে।’ এর ফলে নির্বাচনে সরকারি দলের প্রশ্রয়ে যারা দুর্নীতি-কারচুপি করেছে, তারা সিইসির বক্তব্য থেকে একরকম পরোক্ষ উৎসাহ পেয়েছে। ফলে এক নির্বাচনে দুর্নীতি করার পর, পরের নির্বাচনে তারা আরও বেশি দুর্নীতি করেছে।

এমন পরিবেশে সামনে উপস্থিত হয়েছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সরকার যে কোনো উপায়ে এ নির্বাচন জিতে তাদের ভাষায় ‘উন্নয়নের ধারাবাহিকতা’ বজায় রাখতে চায়। এ জন্য নির্বাচনের প্রাক্কালে মামলা-অস্ত্র ব্যবহার করে তারা বিরোধী দলকে কাবু করার প্রচেষ্টা জোরদার করেছে। এ কারণে সরকারি দলের নেতা-মন্ত্রীরা যখন বুক ফুলিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা করছেন, বিরোধীদলীয় নেতাদের অনেকেই তখন কারাগারে। আর যারা বাইরে আছেন, তারাও আদালতে দৌড়াদৌড়ি করছেন। ফলে নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড সৃষ্টি হচ্ছে না।

এমতাবস্থায় বিএনপি সরকারি অনুমতি নিয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভা করে ইনক্লুসিভ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ৭ দফা দাবি ঘোষণা করেছে।

৭ দফায় রয়েছে কারাবন্দি খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তার বিরুদ্ধে করা সব মামলা প্রত্যাহার; জাতীয় সংসদ বাতিল ঘোষণা, সরকারের পদত্যাগ ও নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার প্রতিষ্ঠা; নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন এবং ইভিএম নাকচ, ভোট কেন্দ্রে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতাসহ সশস্ত্র বাহিনী নিয়োগ, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক নিয়োগ; দেশের সব বিরোধী রাজনৈতিক নেতাকর্মীর মুক্তি ও তাদের সব মামলা প্রত্যাহার; নির্বাচনকালে সব রাজনৈতিক মামলা স্থগিত রেখে নতুন মামলা না দেয়া এবং পুরনো মামলায় গ্রেফতার না করা এবং কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের নেতাকর্মী এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে করা সব মামলা প্রত্যাহার এবং গ্রেফতারকৃতদের মুক্তি দাবি।

এ ৭ দফা কর্মসূচি দেয়ার পর ৩ ও ৪ অক্টোবর জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি ও স্মারকলিপি প্রদানের কর্মসূচি দেয়া হয়েছে এবং পরে পর্যায়ক্রমে দাবি না মানলে দলটি পরবর্তী আন্দোলন কর্মসূচি দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

সরকারদলীয় নেতা-মন্ত্রীরা বিএনপির দাবির প্রতি কর্ণপাত করছেন না। তারা দলটিকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে বক্তব্য দিচ্ছেন। অন্য কোনো বিরোধীদলীয় নেতাদের, বিশেষ করে সম্প্রতি সৃষ্ট ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত ঐক্য প্রক্রিয়ার দাবির প্রতিও সরকারদলীয় নেতা-মন্ত্রীরা অবমাননাকর বক্তব্য দিয়েছেন। সরকার মনে করছে, দলীয় সরকারের অধীনে সংসদ না ভেঙে নিজেরা ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন করে ফলাফল পক্ষে নিতে পারবে।

এ লক্ষ্য অর্জনে প্রশাসনে পদোন্নতি, মাদ্রাসায় অর্থ বরাদ্দ এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সুযোগ-সুবিধা দিয়ে একটি যেনতেন নির্বাচন করে ক্ষমতায় আসার চেষ্টা করছে। তবে সব দল একজোট হয়ে সরকারি দলের বিরুদ্ধে মাঠে নামলে এ অঙ্ক মিলবে কিনা তা বলা মুশকিল। কারণ, তখন রাজনীতির ভাও বুঝে প্রশাসন এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বে নিয়োজিত সদস্যরা ভোল পাল্টে ফেলতে পারেন। ঐক্যবদ্ধ বিরোধী দল যদি কেবল নির্দলীয় সরকারাধীনে কাগজের ব্যালটে ভোটের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পারে, তাহলে সরকার বেকায়দায় পড়বে।

কারণ, সরকার যতই উন্নয়ন করুক না কেন, সাধারণ মানুষের মধ্যে জনপ্রিয়তা বাড়াতে পারেনি। এমতাবস্থায় কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের কর্মীদের আহ্বান জানিয়ে তাদের সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ বিরোধী দল নির্দলীয় সরকারাধীনে নির্বাচন করতে পারলে সরকারি দলকে তাদের পক্ষে হারানো অসম্ভব হবে না। তবে দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে এমন জয় পাওয়া সম্ভব হবে না।

সরকারি দল দলীয় সরকারের অধীনে স্বচ্ছ নির্বাচন করতে পারার যে দাবি করছে, তা বাস্তবে সম্ভব হবে না। সরকার কোনো ছাড় না দিয়ে নির্বাচন করলে বিরোধীদলীয় প্রার্থীরা বেশি ভোট পেলেও নির্বাচনে জিততে পারবেন না।

অন্যদিকে সরকার যদি এমন ভাবে, আমরা দলীয় সরকারের অধীনে স্বচ্ছ নির্বাচন করব, নির্বাচনকে সামান্যতমও প্রভাবিত করব না, যে দল বেশি আসন পাবে, সে দল সরকার গঠন করবে, আমরা হেরে গেলেও সে পরাজয় মেনে নেব, এমন শুভবুদ্ধির উদয় হলেও সরকার স্বচ্ছ নির্বাচন করতে পারবে না। কারণ, ২০১৪ সালের পর থেকে অনুষ্ঠিত সবগুলো স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সরকারি দলের পক্ষে যারা সরকারি প্রশ্রয়ে দুর্নীতি-কারচুপি করেছে, হঠাৎ করে সংসদ নির্বাচনে এসে তাদেরকে সাধু-সন্ন্যাসী হয়ে যেতে বললে তারা তা শুনবে না।

ফলে সরকারের সদিচ্ছা থাকলেও দলীয় সরকারাধীনে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে না। কাজেই সংসদ নির্বাচনে স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠিত করতে হলে অবশ্যই নির্বাচনটি নির্দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করতে হবে। তা না হলে সরকার স্বচ্ছ নির্বাচন করতে পারবে না। এ জন্য স্বচ্ছ নির্বাচন ও গণতন্ত্রের স্বার্থে সরকারের উচিত হবে সংবিধানে একটি সংশোধনী এনে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের বিধান পাস করে সে সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠান করা।

এর অন্যথা হলে দলীয় সরকারের অধীনে প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও সরকারি দলের কর্মীবাহিনী মিলে সরকারি দলকে জিতিয়ে সরকার গঠন করাতে পারবে। আর এ রকম নির্বাচন হলে জিতবে সরকারি দল, কিন্তু হারবে গণতন্ত্র। বহির্বিশ্বে সরকারের ভাবমূর্তি ধসে পড়বে। দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আসবে না। বিদেশি বিনিয়োগ কমে গিয়ে উগ্রবাদ ও জঙ্গি তৎপরতা বৃদ্ধি পাবে। সবকিছু মিলিয়ে দেশ পিছিয়ে পড়বে।

ড. কামাল হোসেন এবং ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরীর ঐক্য প্রক্রিয়া বিএনপিসহ অন্য সব দলকে নিয়ে একত্রিত হতে পারবে কিনা এখনও বলা না গেলেও তারা ঐক্যের ডাক দিয়ে মামলা যন্ত্রণায় কাতর বিরোধী শিবিরে একটি আশাবাদ জাগিয়েছে। সরকার ওপরে ওপরে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করলেও এ ঐক্যকে ভালো চোখে দেখছে না। যে কারণে সরকারও তাদের ঐক্য বাড়াতে চেষ্টা করছে।

বিশেষ করে বাম দলগুলোকে তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে কব্জায় আনতে চাইছে। এ লক্ষ্যে সরকারদলীয় সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ২ অক্টোবর রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনে বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যোগ দিয়েছেন। বাম নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আসুন আমরা মিনিমাম পয়েন্টে ম্যাক্সিমাম ইউনিটি গড়ে তুলি।’ জনাব কাদের আরও বলেন, ‘কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্বাধীন ৮-দলীয় জোটের অনেকের সঙ্গে আমরা একসঙ্গে ছাত্ররাজনীতি করেছি। তাদের আদর্শের প্রতি আমার কোনো অশ্রদ্ধা নেই।

আসুন মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু- এ প্রশ্নে আমরা ঐক্যবদ্ধ হই। আমরা পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, আমরাও জাতীয় ঐক্য চাই।’ কিন্তু জনাব কাদেরের এ আহ্বানে বাম নেতারা সাড়া দেননি। তারা জোট করে দল ভারি করার চেয়ে নির্বাচনী পরিবেশ সৃষ্টির প্রতি গুরুত্ব আরোপ করে জনাব কাদেরকে মানুষের মনের চাহিদাগুলো পূরণের প্রতি মনোযোগী হতে পরামর্শ দিয়েছেন। আর সে চাহিদাগুলো হল- আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন, ইসি পুনর্গঠন, নির্বাচনের আগে সংসদ ভেঙে দেয়া ইত্যাদি।

সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম সিপিবির আদর্শ থেকে সরকারি দলের দূরে সরে যাওয়া উল্লেখপূর্বক জনাব কাদেরের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সমাজতন্ত্র পরিত্যাগ করেছে। রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম কায়েম করেছে। গণতন্ত্রহীনতার জাঁতাকলে দেশকে পিষ্ট করেছে। এভাবে নানা পন্থায় সিপিবিসহ প্রকৃত বামপন্থীদের সঙ্গে ঐক্যের দরজা আওয়ামী লীগ আগেই বন্ধ করেছে।

তারা হেফাজতে ইসলাম, এরশাদ এবং সমাজের আরও যারা রুগ্ন, তাদের সঙ্গে ক্ষমতার স্বার্থে আঁতাত করেছে।’ বাম নেতাদের এমন প্রতিক্রিয়ার পরদিনই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের কলেবর বৃদ্ধির কোনো চিন্তা নেই’ (বাংলা ট্রিবিউন : ৩-১০-১৮)। কাজেই বাম নেতাদের এ প্রতিক্রিয়ায় অনুধাবন করা যায়, সরকারি দল মিষ্টি কথা বলে বাম দলগুলোকে দলে ভিড়িয়ে জোটের পরিধি বাড়াতে ব্যর্থ হয়েছে।

বিএনপির সঙ্গে যদি ড. কামাল ও বি চৌধুরীর ঐক্য প্রক্রিয়াসহ আরও অনেক দল একত্রে মাঠে নামে এবং দলনিরপেক্ষ সরকার ও পুনর্গঠিত নির্বাচন কমিশনের অধীনে কাগজের ব্যালটে নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে সরকারকে বাধ্য করতে পারে, তাহলে তাদের পক্ষে সরকারি দলকে নির্বাচনে হারানো সম্ভব হতে পারে। কারণ, ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের চাপে সরকার বিরোধীদলীয় দাবি মানা শুরু করলে প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও পোশাকধারী বাহিনীও অযৌক্তিক সরকারি নির্দেশ পালনে বিরত থাকবে।

বিরোধী দলগুলোর সামনে এছাড়া আর কোনো পথ খোলা নেই। সরকারের মিষ্টি কথায় দলীয় সরকারাধীনে নির্বাচনে যাওয়া আর সুনিশ্চিত পরাজয় মেনে নেয়ার মধ্যে কোনো তফাৎ নেই। কাজেই বিরোধী দলগুলোকে এখন যে কোনো উপায়ে চাপ সৃষ্টি করে দলনিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সংসদ ভেঙে কাগজের ব্যালটে পুনর্গঠিত ইসির অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানে সরকারকে রাজি করাতে হবে।

বিরোধী দলগুলোকে মনে রাখতে হবে, দলীয় সরকারাধীনে নির্বাচনে গেলে সরকারের সদিচ্ছা থাকলেও তাদের পক্ষে স্বচ্ছ নির্বাচন করা সম্ভব হবে না।

ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার : অধ্যাপক, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

akhtermy@gmail.com


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ

সংবাদটি পড়া হয়েছে 1048 বার