নির্বাচন ব্যবস্থা বিপর্যস্ত

Pub: সোমবার, এপ্রিল ১, ২০১৯ ১:২৩ পূর্বাহ্ণ   |   Upd: সোমবার, এপ্রিল ১, ২০১৯ ১:২৪ পূর্বাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এইচ এম আব্দুর রহিম:বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদছে। ৩০ ডিসেন্বর হলো জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ নির্বাচনের ভোটে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ আবার বিজয়ী হলেও পরাজয় হয়েছে নৈতিকতার। সেই নৈতিক শক্তি তারা ফিরে পাবেন কি না ভবিষ্যত বলে দেবে। ‘উন্নয়নের পক্ষে জনগণের রায় হয়েছে’, এ আওয়াজ সর্বত্র। উন্নয়ন অবশ্যই লাগবে। কিন্তু গণতন্ত্রের ঘাটতি বাড়িয়ে উন্নয়ন টেকসই করা কি সম্ভব? বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এবারের নির্বাচন প্রমাণ করেছে; বেগম জিয়ার ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে অংশ না নেয়ার সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল। দলীয় সরকারের অধীনে অবাধ, নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। তিনি বলেছেন, নজিরবিহীন রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস ও ভোট ডাকাতির নির্বাচনের ফলাফল আমরা প্রত্যাখ্যান করছি।

ঐক্যফ্রন্ট সাজানো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে অবিশ্বাস্যভাবে পরাজিত হলো। দেশের মানুষের কাছে দিবালোকের মতো স্পষ্ট হয়ে গেল, আর কোনো দলীয় সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন করা সম্ভব নয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর দলীয় সরকারের অধীনে যতবার নির্বাচন হয়েছে, ক্ষমতাসীন দলই বিজয় লাভ করেছে। এ জন্য ২০ দলীয় জোট এবার উপজেলা নির্বাচনে এ সরকারের অধীনে অংশ নেবে না বলে জানিয়েছে। যে আশঙ্কায় ২০১৪ সালে নির্বাচনে যাওয়া হয়নি, ‘কূলকিনারাহীন’ বিএনপি তথা ২০ দলীয় জোটের জন্য এবারকার নির্বাচনে তা আরো ‘ভয়াবহ সুনামি’ হিসেবে ফিরে এলো। রাজনীতিতে দেশপ্রেমিক লড়াকু সৈনিক দরকার। ভীতু লোকজন নিয়ে রাজনীতি চলে না।

ড. কামাল হোসেন ও মির্জা ফখরুল ইসলাম ভোটবিপ্লব ও কেন্দ্র পাহারার ঘোষণা দিয়েছিলেন। বাস্তবে কেন্দ্রের কাছে তাদের সমর্থকদের পাওয়া যায়নি। নির্বাচন হলো দূরদর্শী কৌশল, অর্থ আর পেশিশক্তির খেলা। কিছু ভিডিও বার্তা আর ঘরের মধ্যে ভাষণ দিয়ে এ দেশে রাজনীতি চলে না। ড. কামাল হোসেন সংবাদিকদের সারা দেশের পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে ক্ষোভের সাথে বলেছেন, ‘স্বৈরাচারী এরশাদের আমলেও এ রকম ভোট হয়নি’। কার্যত বিরোধীদের এজেন্ট দূরের কথা, ভোটারদের পর্যন্ত কেন্দ্রে যেতে দেয়া হয়নি। স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরও এটা দেখতে হবে ভাবতে কষ্ট হয়। সারা দেশে ক্ষমতাসীনেরা ত্রাস সৃষ্টি করেছে, দেশের ক্ষমতা জনগণের হাতছাড়া হয়ে গেছে। এতে আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে শক্তিশালী হয়নি। সরকার হিসেবে আপাতত কিছুটা ‘শক্তিশালী’ হয়েছে মাত্র।

নির্বাচনে জিতেছে সরকার, হেরেছে বাংলাদেশ, পরাজিত হয়েছে জনগণ। নৌকা ও ধানের শীষের ভোটের এত পার্থক্য কি বিশ্বাসযোগ্য? ডিজিটাল যুগে মানুষের চোখ-কান খোলা। গ্রামে পর্যন্ত ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে গেছে। প্রতি সেকেন্ডে পৃথিবীর ২২৮টি রাষ্ট্রে খবর ছড়িয়ে যাচ্ছে। কেন সরকার বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন করতে ব্যর্থ হলো? সুষ্ঠু ভোট হলে কী এমন হতো? দেশে আওয়ামী লীগ যে উন্নয়ন করেছে এবং এখনো যা অব্যাহত, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে তারা হয়তো ১৫০ থেকে ২০০ আসন তারা পেতেন। এখন ২৮৮টি আসন মহাজোট পেয়েছে। তার পরও কি তারা গর্ব করতে পারবেন? কখনোই না। নির্বাচনের এই ফলাফল আওয়ামী লীগের জন্য গ্লানিকর নয় কি? ১০০ আসনে অপজিশন থাকলে রাজনীতি রাস্তা থেকে সংসদে চলে যেত। তাতে দলগুলোর মধ্যে সম্পর্ক উন্নত হতো। স্বাধীনতাযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী ঐতিহ্যবাহী দলটির জন্মলগ্ন থেকে সব অর্জন ৩০ ডিসেম্বরে আর কি বাকি থাকে? প্রশ্নফাঁসে জিপিএ ৫ পাওয়ার কী আনন্দ থাকে? মূল্যবোধ বিসর্জন দিয়ে কোনো জয়ে আনন্দ নেই। মনে হচ্ছে, বাংলাদেশ অন্ধকার যুগের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। অপর দিকে একাদশ জাতীয় নির্বাচনে ভোট গ্রহণ নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন ভারত, চীন, নেপাল, সার্ক এবং ওআইসি নির্বাচনী পর্যবেক্ষকেরা।

সরকারি দলকে সন্তুষ্ট করতে পারবেন, ভোটারদের নয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেছেন, ‘ভোট নিয়ে আমি তৃপ্ত-সন্তুষ্ট। কোনো অনিয়ম হয়নি।’ ভোটে তারা লজ্জিত নন, একটি ‘গ্রহণযোগ্য’ নির্বাচন নাকি হয়েছে। এ ছাড়া ইসি সচিব বলেছেন, ‘শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।’ সিইসির কাছে সাংবাদিকেরা জানতে চান ভোটকেন্দ্রে ধানের শীষের কোনো এজেন্ট নেই কেন? তিনি জবাবে বলেন, তারা এজেন্ট যদি না দেয় তাহলে আমি কী করতে পারি? এজেন্টরা কেন কেন্দ্রে আসেননি, সেটি প্রার্থীর নির্ধারিত এজেন্টরা বলতে পারবেন। সিইসি ওই কথা বলা নিজের দায়িত্বকে অস্বীকার করা ছাড়া কিছুই নয়। জাতীয় পার্টি বিরোধী দলে থাকবে বলে দলের চেয়ারম্যান এরশাদ এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন। আওয়ামী লীগ যে কেন্দ্রে ছাড় দিয়েছে এ রকম ২০ আসনে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে জাতীয় পার্টি ‘পাস’ করেছে। কী এক আজব দেশ, যারা সরকারের সাথে কোয়ালিশন করে নির্বাচন করলেন তারা আবার বিরোধী দলীয় এমপি! প্রকৃত বিরোধী দল ছাড়া কি সরকারের জবাবদিহিতা থাকে?

একক ক্ষমতা বলে শাসক দল ইচ্ছামতো সব কিছু করে যাওয়া গণতান্ত্রিক দেশে মোটেই উচিত নয়। গণতন্ত্রে শক্তিশালী বিরোধী দল থাকা জরুরি। দুর্বল বা গৃহপালিত বিরোধী দল গণতন্ত্র বিকাশে একটা বড় অন্তরায়। বাংলাদেশে গত ১০ বছরে কর্তৃত্ব ও আধিপত্যবিস্তারকারী রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার বিকাশ ঘটেছে- যা রাজনৈতিক সুশাসনকে চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার মূল উপাদানগুলো এমনভাবে বিন্যাস করে রাখা; যা দীর্ঘমেয়াদে ক্ষমতায় থাকার সহায়ক হয়। এ অবস্থায় রাষ্ট্রের আইন, নির্বাহী ও বিচার বিভাগ একই কেন্দ্রের অধীন হয়ে পড়ে। ফলে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ভারসাম্য ক্ষয় হতে হতে ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়। বাংলাদেশে এই অবনতিধারা আরো বিস্তৃত হয়েছে দুইভাবে। এক. টার্গেটকৃত দমন-পীড়ন, দুই. নাগরিকদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ সঙ্কুুচিত করে জনগণকে বিরাজনীতিকরণ করে ফেলা।

সংসদ সদস্যদের স্থানীয় রাজনীতি অর্থনীতি প্রশাসনের কেন্দ্রে পরিণত করার মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকার আরো ক্ষমতাহীন হয়ে পড়েছে। এর ফলে জনগণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া থেকে বিযুক্ত হয়ে পড়েছে আরো। গত ১০ বছরে জনগণ বা নাগরিকেরা আরো ক্ষমতাহীন হয়ে গেছেন। শাসক দল কৌশলগতভাবে দ্বিদলীয় ব্যবস্থা রাখতে চাচ্ছেন। তারা সিনেমার হিরোদের মতো কোনো প্রতিযোগিতায় হারতে চান না। প্রয়োজনে পছন্দ অনুযায়ী পরাজিত হতে চান। বিরোধী দল হয়তো থাকবে দুইভাবে। এক. পোষমানা গৃহপালিত এবং অবদমিত অবরুদ্ধ প্রকৃত বিরোধী দল হিসেবে। যে বিষয়টি রাজনীতিকে বিভাজিত করেছে, তার মূল কারণ হচ্ছে একটা সুষ্ঠু নির্বাচন ব্যবস্থা গড়ে না উঠা। নির্বাচনের মাধ্যমে জনরায়ের প্রকৃত প্রতিফলনে কোনো পথ তৈরি হয়নি। ক্ষমতাসীনেরা জনরায়কে মেনে নিতে তাদের অনিচ্ছায় প্রতিশোধের আশঙ্কায় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার স্বাভাবিকত্ব নষ্ট করে দিতে চায়।

দশম ও একাদশ সংসদ নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন ও ভারসাম্য ধ্বংস হয়েছে। এখন বাংলাদেশের গণতন্ত্র নামেই আছে। রাজপথেও আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের তৎপরতা আছে নাকি? এটি গণতন্ত্রের জন্য খুবই দুর্ভাগ্যজনক। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং অংশগ্রহণমূলক একটি নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই। অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন হচ্ছে গণতন্ত্র নির্মাণের একটি ভিত্তি। প্রথমে গণতন্ত্রের ভিত্তিটা তৈরি করতে হবে আমাদের। কিভাবে সংসদ কার্যকর করা যায়, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা কমিয়ে কিভাবে ভারসাম্য আনা যায়, বিরোধী দলের ভূমিকা কিভাবে বাড়ানো যায়, দলগুলোর মধ্যে কিভাবে গণতন্ত্রায়ন করা যায়, তা নিয়ে সবাইকে কাজ করতে হবে এরপর। সরকার এবং তার ‘একান্ত অনুগত’ নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা দেখে সচেতন মহল অনেকটা নিশ্চিত ছিলেন, একাদশ সংসদ নির্বাচন বিগত সংসদ নির্বাচন, পাঁচ পর্বের উপজেলা নির্বাচনে তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম পর্বের নির্বাচন এবং কিছু সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের পরিণতি বরণ করতে যাচ্ছে। বাস্তবে সেটিই ঘটেছে।

বর্তমান নির্বাচন কমিশন তার অধীনে অনুষ্ঠিত সব নির্বাচনের মতো কেন্দ্র দখল, ভোট ডাকাতি, জাল ভোট এবং ভোটদানে বঞ্চিত করার ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন এবং নির্বাচন সার্বিক বিচারে সুষ্ঠু হয়েছে বলে সাফাই গেয়েছে। সরকার এবং বিতর্কিত নির্বাচন কমিশন ভাবেননি প্রকৃত প্রধান বিরোধী জোট ঐক্যফ্রন্টের দাবি না মানার পরও তারা নির্বাচনে অংশ নেবেন। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের অপরিহার্য শর্ত হলো- সরকার ও বিরোধী দল উভয়ের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড। প্রধান বিরোধী দল বিএনপির জন্য এটা ছিল না শুরু থেকেই। বিএনপি ও তার মিত্র জামায়াত নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দেয়ার পরপরই এই দুই দলের নেতাকর্মীদের ব্যাপক ধরপাকড় শুরু হয়। তফসিল ঘোষণার পর ১১ সহস্্রাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দেশের বেশ কিছু স্থানে বিএনপির নেতাকর্মীরা হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা তাদের এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণা চালনাকালে আক্রান্ত হন।

মামলা ও গ্রেফতারি পরোয়ানার কারণেও বিএনপি প্রার্থীদের একটা বড় অংশ এলাকা ছাড়া ছিলেন। এতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ একতরফাভাবে নির্বাচনী প্রচার চালিয়ে যায়। সরকারি ক্যাডার বাহিনী, নির্বাচনে বিএনপির জন্য তৈরি করে ভীতিকর পরিবেশ। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকাও যে কতটা ন্যক্কারজনক ছিল তা বেশ কিছু ঘটনার মধ্যে দিয়ে প্রমাণিত। মন্ত্রী ও এমপিদের কেউ কেউ বারবার আচরণবিধি ভঙ্গ করলেও নির্বাচন কমিশন কঠোর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। বিএনপির অভিযোগগুলো আমলেই নেয়নি। বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত নির্বাচনী সহিংস ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে উল্লেখ করেছে। কমিশন সাংবাদিকদের ওপর জারি করে নানা বিধি-নিষেধ। ‘পছন্দের বাইরে’ কোনো নির্বাচনী পর্যবেক্ষক সংস্থাকে এ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের অনুমতি দেয়া হয়নি।

এটি স্পষ্ট, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বর্তমান নির্বাচন কমিশন প্রকৃতপক্ষে স্বাধীন নয়। সংবিধান প্রদত্ত ক্ষমতা, কর্তৃত্ব ও ভূমিকা পালনে তারা অনিচ্ছুক বা অক্ষম। নির্বাচন কমিশনের দৃঢ়তার অভাব এবং ক্ষমতাসীনদের প্রতি নতজানু থাকার কারণে নির্বাচনে হয় সীমাহীন ‘ভোট ডাকাতি’ ও জালিয়াতি। আগের রাতে অনেকগুলো ভোটকেন্দ্রে জাল ভোট দিয়ে ব্যালট বাক্স বোঝাই করে ফেলা হয়। নির্বাচনের দিন বৈধ ভোটাররা ভোট দিতে এলে প্রিজাইডিং অফিসাররা ব্যালট পেপার নেই বলে তাদের অনেককে ফিরিয়ে দেন।

কোনো কোনো স্থানে বিএনপির পোলিং এজেন্টদের ভয়ভীতি দেখিয়ে বের করে দেয়া হয় এবং আতঙ্ক সৃষ্টির মাধ্যমে ভোটকেন্দ্র ত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। ভোটকেন্দ্র দখল করে শত শত ব্যালট পেপারে অবৈধভাবে সিল মারা হলো। কোথাও বা বিরোধী প্রার্থীরা নিজের ভোট নিজে দিতে পারেননি। নোয়াখালীর সুবর্ণচরে এক মহিলা ধানের শীষে ভোট দেয়ার কারণে গণধর্ষণের শিকার। চট্টগ্রামে বিবিসির সাংবাদিক বাক্স ভরা জাল ভোট দেখতে পেয়েছেন। বুঝতে অসুবিধা হয় না, কোন মতলবে ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের প্রবেশ ও অবস্থানের ক্ষেত্রে কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছিল।
লেখক : সাংবাদিক


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ