খালেদা জিয়ার ২০৩০ ই আজ মুক্তির ভিশন

Pub: Tuesday, October 13, 2020 8:57 PM
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

শীর্ষ খবর ডটকমের উপদেষ্টা সম্পাদক সায়েক এম রহমানের লেখাটি বিগত ২৪ মে ২০১৭ শীর্ষ খবর ডটকমে প্রকাশিত হয়েছিল পাঠকদের অনুরোধে লেখাটি আবার পুনঃ প্রকাশ করা হলো ।

সায়েক এম রহমান
দরজা জানালা খোলা রেখে এসি চালালে কি লাভ? ঘর ঠান্ডা তো হবেই না। মাঝখান থেকে হু হু করে কারেন্টই পুড়বে। গরম থেকে রেহাই দুরস্ত। এমন খাম খেয়ালী কাজ মানা যায়না।
বাংলাদেশের বানিজ্যে এমনটিই হচ্চেছ। রপ্তানিতে যত আয়, তার চেয়ে ব্যায় বেশী। আয়ের ৮০ শতাংশ ছিদ্র পথে চলে যাচ্চেচ। ঠেকাবে কে? সর্ষের মধ্যে যে ভুত ! অভিযোগের আঙ্গুল কাস্টমস আর ব্যাংক কর্মকর্তাদের দিকে। রপ্তানি সংস্থার মালিকের সঙ্গে যোগসাজসে তারা অর্থ নির্গমনের পথ চড়া করছেন। টাকা বৈভবে আহলাদে আটকানা। প্রাপ্য রসদ থেকে বঞ্চিত হয়ে শীর্ণ হচ্চে দেশের অর্থনীতি।
দোষটা শুধু বাংলাদেশেরই নয়। যারা নিচ্চে তাদেরও। কৃষ্ণবর্ণের অর্থের অনুপ্রবেশ দায়িত্ব তারা এড়ায় কি করে? অপরাধ ভারতেরও। সেখানে চাড় ফেলে পাচার হওয়া টাকা ঘড়ে তোলার অভাব নেই। সরকারী স্তরে কড়া ব্যবস্থা নিয়ে ঠেকানো যাচ্চেছনা কেন? ইচেছ থাকলেই উপায় হয়। আসলে অর্থ স্রাবী আগ্নেয়গিরির লাভা শ্রোতের লোভ থেকে উত্তির্ন হওয়াটা কঠিন হয়ে পড়েছে। এভাবে পাওয়া টাকাটা খারাপ টাকা। খারাপ টাকা ভালো কাজে নয়। খারাপ কাজেই লাগে। সন্ত্রাসীরাও এ টাকার প্রতিক্ষায় থাকে। যে দেশেই তারা থাকুক। তাদের প্রথম লক্ষ্য সে দেশের অর্থনীতির ভীত ভেঙ্গে চুরমার করে নিজের ঐশর্য্য বৃদ্ধি এবং নাশকতায় সক্রিয় হওয়ার সহজ রাস্তা সেটাই। ভারত ছাড়া আরো ৩৬টি দেশ বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ ভোগ করছে।
পাঠক, এই কথাগুলো আমার নয়। এই কথাগুলি ভারতের কোলকাতা থেকে প্রকাশিত দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকার, ৬ মে ২০১৬। শিরোনামটি ছিলো, বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়ার অর্থ ভোগ করছে ভারত, আমেরিকাও।
পত্রিকাটি আরও লিখছিলো, তাতে বুঝাই যাচ্চেছ, টাকা পাচারের রেকর্ড নেহাত ছোট নয়। এতো বড় চক্র একদিনে গজায়নি। ধীরে ধীরে ডানা ছড়িয়েছে। এইসব দেশকে সাবধান করার দায়িত্ব বাংলাদেশের। অর্থনীতিক ক্ষতিটা তাদেরই বইতে হচ্চে। রপ্তানি বানিজ্যে বাংলাদেশের সব চাইতে বেশী আয় পোষাক শিল্পে। রপ্তানীর ৮২ শতাংশ তারাই করে। পাচার চক্রে তারাই যুক্ত।

গত দশ বছরে বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়েছে ৪৯ হাজার ১৩ কোটি ডলার। বাংলাদেশের উর্ধমূখী অর্থনীতিকে টান মেরে নিচে নামানোর চেয়ে জগন্য কাজ আর কী হতে পারে? যাদের জেলখানার ভিতরে থাকার কথা, তারা বাইরে ঘুরে বেড়ায় কি করে!

পাঠক, এখানে সহজেই অনুমেয়, বাংলাদেশ আজ টাকা রপ্তানির দেশে পরিনত হয়েছে। আজ বিশ্বের শীর্ষ টাকা রপ্তানীর দেশ বাংলাদেশ। সম্প্রতি বিভিন্ন গনমাধ্যমে প্রকাশিত গত ১০ বছরে প্রায় সাড়ে ছয় লক্ষ কোটি টাকা, জনগনের সম্পদ লুট করে বিদেশে পাচার করা হয়েছে। বড় বড় ব্যাংক যখন বলা শুরু করছে তারা পোকলা হয়ে গেছে। আর তখন সরকারী দলের সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল কাদের দলের নেতা কর্মীদের বললেন, আওয়ামীলীগ কে ক্ষমতায় না থাকলে, টাকা পয়সা নিয়ে পালাতে হবে। এই বলে সারা দেশে হাস্যরস সৃষ্টি করেছেন। পাঠক, ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকাটি বলছিলো, দরজা জানালা খোলা রেখে, এসি চালালে কি লাভ? ঘর ঠান্ডাতো হবেইনা বরং মাঝখান থেকে হু হু করে শুধু কারেন্টই ঝলবে তারমানে আওয়ামীলীগ সরকার দেশকে আবারো বটমলেস বাস্কেটের দিকে নিয়ে যাচ্চে।
দেশটির ভাগ্যকাশে কালো মেঘ জমে আছে। আকাশে বাতাসে শুধু ক্রন্দন আর ক্রন্দন শুনা যাচ্চেছ। খুন গুম জঙ্গি হামলায় সাধারন মানুষ বড় অসহায় হয়ে পড়েছে। চতুর্দিকে শুধু মানুষের কান্না। হাওর পাড় থেকে শুরু করে গ্রাম গঞ্জ শহর তক। হাওর পাড়ের বাসিদের সারা বছরের রিজিক তলিয়ে যাওয়া এবং তাদের জীবন চলার প্রধান সম্ভল হাঁস, মাছ, মুরগী ও গবাদী পশু বিষক্রিয়ায় মরতে শুরু করায় কান্নাভরা কক্তে আকাশের প্রানে তাকিয়ে মহান আল্লাহর কাছে আহাজারী করছে। শুধু বাঁচার জন্য।
যখন, নিজ দেশের সাড়ে ছয় লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে সরকার বিশ্ব রেকর্ড করে বসে আছে। যখন, হাওর পাড়ের কোটি কোটি মানুষ তাদের সব কিছু হারিয়ে এক ক্রান্তিকাল পার করছে। ঠিক তখন নির্বাকভাবে জাতি দেখলো, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কক্সবাজারের সমুদ্র ভ্রমন! খালি পায়ে সমুদ্র সৈকতে হাঁটা, সাথে হাঁটছে ইয়াবা সম্রাট বদি। সংবাদ মাধ্যমগুলো তেলে তেলে আবেগী ভাষায় লিখতে থাকলো আর পত্রিকার শিরোনামের প্রতিযোগীতায় নেচে উঠলো।
সেদিনকার মজার ব্যাপার হলো, সেখানে দলীয় জনসভায় প্রধানমন্ত্রী বললেন, কক্সবাজারে একটা বদনাম আছে। এখান থেকে নাকি ইয়াবা পাচার হয়? ইয়াবা পাচার বন্ধ করুন। যারা ইয়াবা পাচারে জড়িত, তাদের চিহ্নিত করতে হবে। তারা যতবড় শক্তিশালী হোক, ছাড় দেয়া হবেনা। কারন তারা দেশের জন্য অভিশাপ ইত্যাদি ইত্যাদি।
কিন্তু এ কথাগুলো বলার কিছুক্ষন পরেই প্রধানমন্ত্রী যখন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইয়াবা ব্যবসায়ীকে, দেশের বড় বদনামী ব্যক্তিটাকে সাথে নিয়ে সমুদ্র ভ্রমন করেন। তখনই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাধারন মানুষের হাসির খোরাক হয়ে যান।
ঠিক একই ভাবে তার সপ্তাহ দিন আগে যখন সুনামগঞ্জের বন্যা কবলীত মানুষদেরকে দেখতে গিয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রী তখন শাল¬ার জনসভায় বলেছিলেন, বাঁদ নির্মানে অনিয়মকারী ঠিকাদারদেরকে কোন ভাবেই ছাড় দেয়া হবে না। তখনো কিন্তু অনিয়মকারী সিন্ডিকেড গুপের অনেকেই মঞ্চে ছিলেন। এবং সাধারন মানুষের হাসির খোরাক যুগিয়েছিলেন। যদিও পরে বাধ নির্মানের অভিযোগে ১১টি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে তলব করেছে দুদক। এখন দেখার বিষয় দুদক ওয়াসিং মেশিন এর ভূমিকা পালন করে নাকি সত্যিকার ভাবে অপরাধকারীদেরকে শাস্তি প্রদান করে।
ফ্যাসিবাদী সরকারের কবলে পড়ে দেশ যখন এক মহাক্লান্তিকাল পার করছে। আজ এক এক করে ১০টি বছরে দেশের মানুষ যখন রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক মহাসংকটের ভারে দিশেহারা ও শ্বসরুদ্ধকর আর প্রধানমন্ত্রী যখন সমুদ্র ভ্রমনে ব্যস্ত ঠিক তখনই বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ২০৩০ ভিশন নিয়ে আসেন। রাজনীতিতে নতুন ধারা ও অর্থনীতির বৈপ¬বিক পরিবর্তনের প্রতিশ্র“তি সম্মিলিত একটি রুপকল্প তুলে ধরেন। ১০ মে ২০১৭, ৪টা ৫৫ মিনিটে রাজধানী হোটেল ওয়েস্টিন থেকে।
চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ২০৩০ সাল পর্যন্ত দেশের জন্য ৩৬টি অধায়ে ২১১ টি পয়েন্টে, যে ভবিষ্যত পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন, তাতে সবাই কে নিয়ে এক রেইনবো নেশন অর্থাৎ রঙধনু জাতি গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। ভবিষ্যতে স্বচ্চচতা, জবাবদিহিতামূলক নতুন ধারা রাজনীতি, সুনীতি, সুশাসন ও সুসরকারের প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করা হয়েছে।
ভিশন ২০৩০ এর রুপকল্পে দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ, বিরোধী দল থেকে সংসদীয় কমিটির সভাপতি সহ ডেপুটি স্পিকার পদ। ২০৩০ সালে মধ্যে উচ্চচ মাধ্যম আয়ের দেশে পরিনত করা সহ মাথাপিছু আয় ৫০০০ মার্কিন ডলার করা। প্রবৃদ্ধি দুই অংকে নেওয়া। এছাড়া দেশীয় বিনিয়োগের নানা সুযোগ সুবিধা সহ প্রায় আড়াই শতাধিক দফা তুলে ধরেন।
এছাড়া বিচার বর্হিভূত হত্যাকান্ড ও বন্ধী অবস্থায় অমানবিক নির্যাতনের অবসান ঘটানো, উচ্চচ আদালতের বিচারক নিয়োগের আইন, ন্যায়পাল গঠন। ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে শৃৃখলা ফিরাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ক্ষমতা ও তদরকি বাড়ানো, বিদেশে অর্থ পাচার বন্ধ, পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনা। প্রশাসনিক শৃৃখলা ফেরানো, পুলিশের এ এস আই ও কনভেস্টলদের অভার টাইম ও রেশনের মাধ্যমে খাদ্য পুন্য দেওয়ার পাশাপাশি সমমুল্যের অর্থ দেওয়া সহ সার্বিক সুবিধা দেওয়ার বিষয়গুলো ভিশন ২০৩০তে রয়েছে। চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া আরো বলেন, সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংশোধনীয় মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাহী ক্ষমতার ভারসার্ম্য আনা হবে এবং সেই সঙ্গে গনভোট পুনচ্ঞপ্রবর্তন করা হবে বলে জানান।
এই ভিশনটি ঘোষণা হওয়ার সাথে সাথে সর্বমহলে যখন প্রশংসিত হলো, দেশের সাধারন মানুষ থেকে শুরু করে আর্ন্তজাতিক মহলেও প্রশংসা অর্জন করলো। তখন অনেক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক বললেন, এ যেন খালেদা জিয়ার বিনা যুদ্ধে, যুদ্ধ জয়। নেই কোন রাজপথ, নেই আন্দোলন, নেই শ্লোগান, নেই সভা সমাবেশ, শুধুমাত্র খালেদা জিয়ার ৩৬টি অর্ধ্যায়ের ২১১টি পয়েন্টের ২০৩০ ভিশন ই অনির্বাচিত সরকারের সাড়ে আট বছরের শাক দিয়ে মাছ ডেকে যে ভাবমুর্তি গড়ে ছিলো, তা বুঝি ভেঙ্গে চুরমার করে দিলো। অনির্বাচিত সরকার ও তাদের বড় নেতারা সেই ভাবমুর্তিটি রক্ষার জন্য উম্মাদের ভূমিকায় বেপরোয়া হয়ে উঠছেন। তারই ধারাবাহিকতায় বেগম খালেদা জিয়ার গুলশান অফিস তছনছ সহ বিএনপির অফিস গুলোকে কড়া নজরে রাখা। এ যেন এক যুদ্ধ যুদ্ধ ভাব! তাদের বড় নেতারা ভিশনটি পড়ে না পড়েই এ ভিশনকে ভাওতাবাঝি, ধাপ্পাবাজি, তামাশা ইত্যাদি বলা। বিজ্ঞমহল বলছেন দৃশ্যত এ ভিশন গনমাধ্যম এর চেয়ে আওয়ামী বড়নেতাদের দ্বারা ই বেশী প্রচার ও প্রসার পাচ্চেছ। মুলত ভিশনই লাভবান হচ্চেছ।
মানুষ আজ বলছে, দেশ পরিচালনায় সাড়ে আট বছরে ক্ষমতাশীল আওয়ামীলীগের দুই একটা সফলতা থাকলেও এইগুলোকে মোটেই সফলতা বলা যায় না, দৃশ্যমান কোন সফলতা নেই বললেই চলে। কারন উন্নয়নের নামে বিভিন্ন প্রজেক্ট হাতে নিয়ে একলক্ষ টাকার প্রজেক্টকে এক কোটি টাকার প্রজেক্ট বানিয়ে, জনগনের হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করে নিচ্চেছ। তাদের রুপকল্প অনুযায়ী দশটাকার চাল, পঞ্চাশ টাকায়ও পাওয়া যায়না। ঘরে ঘরে চাকুরীর কথা বললেও চাকুরী হয়েছে শুধু তাদের দলের নেতাকর্মীদের। তাও অনেক ঘুষের বিনিময়ে। এছাড়া দেশের মানুষের নেই জানমালের নিরাপত্তা। নারী ধর্ষনের খবর হয়েছে, সকাল বিকালের নাস্তার মতন। খুন হত্যা ঘুম ও বিরোধী দলের নেতা নির্যাতন, চাঁদাবাজি টেন্ডারবাজীতো আছেই। ছাত্রলীগের সন্ত্রাস ও দফায় দফায় গ্যাস বিদ্যুতের মুল্য বৃদ্ধি এবং নতজানু পররাস্ট্রনীতিতে বিভিন্নভাবে দেশকে পরাধীন বানিয়ে দেওয়া ইত্যাদিতে দেশ পরিচালনায় আওয়ামীলীগ সরকার সামগ্রিক ভাবে ব্যর্থ হয়েছে।
বিধায় আজকের খালেদা জিয়ার এ ভিশন গ্রাম, জেলা, উপজেলার চায়ের টেবিল থেকে শুরু করে, রাজধানীর পাঁছ তাঁরা হোটেল ও কূটনৈতিক পাড়া পর্যন্ত সরগরম হয়ে উঠছে। কূটনৈতিক পাড়ায় বলা হচ্চেছ বিএনপি ২০৩০ ভিশনটি বাংলাদেশের এই ক্রান্তিলগ্নে একটি গুরুত্বপুর্ন ও সময়উপযোগী ভিশন। যদি ও এই জাতীয় ভিশন আরো আগে নিয়ে আসার দরকার ছিলো। তাই বলি, বেগম খালেদা জিয়ার এই ভিশন বা রুপকল্প এই মুহুর্তে জনতার ভিশন বা জনতার রুপকল্পে রুপ নিয়েছে। ভিশন ২০৩০ নতুন ধারার রাজনীতিতে সমৃদ্ধির পথে দেশকে এগিয়ে নিতে নির্বাচনকালীন সময়ের জন্য ও আরেকটি রুপকল্প এবং সাথে আন্দোলন সংগ্রাম অতিব প্রয়োজন।
রাজনীতিক গবেষকরা মনে করেন, আন্দোলন সংগ্রাম ব্যথিত অনির্বাচিত সরকারকে সঠিক নির্বাচনে বাধ্য করা সম্ভব নয়। অতএব, আন্দোলন সংগ্রাম অতিব প্রয়োজন। এ ভিশন জনতার ভিশন, এ ভিশন ১৬ কোটি মানুষের মুক্তির ভিশন। তাই জনতার ইস্পাত কঠিন রাজপথের আন্দোলনেই সঠিক নির্বাচনে সরকারকে বাধ্য করতে হবে। জনতার বিজয় অবিশ্যই সুনিশ্চিত।

লেখক ও কলামিস্ট
সায়েক এম রহমান
উপদেষ্টা সম্পাদক শীর্ষ খবর ডটকম


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
নিউজটি পড়া হয়েছে 4132 বার

Print

শীর্ষ খবর/আ আ