শেখ হাসিনাকে ডাকসুর আজীবন সদস্য পদ প্রদানের সিদ্ধান্ত, স্বাক্ষর করেননি ভিপি নুর

Pub: শুক্রবার, মে ৩১, ২০১৯ ১:১৮ পূর্বাহ্ণ   |   Upd: শুক্রবার, মে ৩১, ২০১৯ ১:১৮ পূর্বাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক :
অধিকাংশ সদস্যের মতামতের ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) আজীবন সদস্য পদ প্রদান করা হয়। যদিও নির্বাচনকে চরম বিতর্কিত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে এ ডাকসুর সদস্য পদ প্রধানে আপত্তি জানান ভিনি নুরুল হক নুর ও সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেন। বিতর্কিত নির্বাচনের কারণে ডাকসুতে প্রধানমন্ত্রীকে সদস্য পদ দেয়ায় সেই সিদ্ধান্তে স্বাক্ষর করেননি ভিপি নুর। এছাড়া সভায় ডাকসুর বার্ষিক বাজেট ১ কোটি ৮৯ লাখ টাকা অনুমোদন করা হয়। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবীমার ব্যাপারে অঙ্গীকার এবং ক্যাম্পাসে গণপরিবহন ও রিক্সা ভাড়া নির্ধারণে পলিসি ডায়ালগের আয়োজন করার ঘোষণা দেয়া হয়।

বৃহস্পতিবার ডাকসুর কার্যনির্বাহী সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুর, জিএস গোলাম রাব্বানী ও এজিএস সাদ্দাম হোসেনসহ অন্যান্যরা এতে উপস্থিত ছিলেন।

সভা সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর আজীবন সদস্য পদের বিষয়টি এজেন্ডা হিসেবে ছিল। সভায় বিষয়টি উত্থাপন করলে ডাকসু ভিপি নূর ও সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেন এর বিরোধিতা করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর বলেন, ডাকসুর গঠনতন্ত্রে আজীবন সদস্য পদ প্রদানের এমন কোনো নিয়ম নেই। তবুও ছাত্রলীগ ডাকসুতে সংখ্যাগরিষ্ঠের জেরে এটা পাস করায়। আমাদের বক্তব্য হলো এমন একটি অনিয়ম নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রীকে আজীবন সদস্য পদ দেয়া হলে প্রধানমন্ত্রীকে অসম্মানিত করা হবে। এই জন্য ডাকসুতে গৃহীত প্রস্তাবনায় আমি সাইন করিনি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসে বলেন, যেহেতু ডাকসু একটি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান তাই সর্বসম্মতিক্রমে প্রস্তাবটি পাশ হয়েছে। কিন্তু আমরা বিরোধিতা করেছি এই জায়গা থেকে, যেহেতু ডাকসু নির্বাচনে অনিয়ম হয়েছে। এমন নির্বাচনে উনার মত একজন সম্মানিত মানুষকে সদস্য পদ দেয়া ঠিক হবে না। এছাড়াও অন্যান্য বিষয়গুলো নিয়ে আমরা একমত ছিলাম।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক সাদ বিন কাদের চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে সদস্য পদ প্রদানের বিষয়টি আগেই ছিল। আজ উত্থাপন করার সাথে সাথে বিষয়টি পাস হয়।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ