fbpx
 

চাঁদা না পাওয়ায় ব্যবসায়ীকে ‘বিএনপি কর্মী’ বানিয়ে ছাত্রলীগ নেতার নির্যাতন

Pub: বৃহস্পতিবার, আগস্ট ২৯, ২০১৯ ১২:২৩ অপরাহ্ণ   |   Upd: বৃহস্পতিবার, আগস্ট ২৯, ২০১৯ ১২:২৪ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

চাঁদা না পাওয়ায় শাহবাগের এক ফুল ব্যবসায়ীকে ‘বিএনপি কর্মী’ আখ্যা দিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগের এক কেন্দ্রীয় নেতার বিরুদ্ধে। মারধরের শিকার ওই ব্যবসায়ী হলেন শাহবাগ বটতলা ক্ষুদ্র ফুল ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদ।

বুধবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে শাহবাগের ফুল ব্যবসায়ী সমিতির কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

মারধরকারী হলেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নাট্য ও বিতর্ক সম্পাদক জুয়েল মোল্লা। এর আগেও এই ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে হুমকি-ধমকি প্রদানের অভিযোগ এনেছেন ব্যবসায়ীরা।

ফুল ব্যবসায়ী সমিতির নেতারা জানান, ঈদুল আজহার আগে ঈদের বকশিসের নামে সমিতির কাছে চাঁদা দাবি করেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নাট্য ও বিতর্ক বিষয়ক সম্পাদক জুয়েল মোল্লা। কিন্তু সেসময় চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানান সমিতির সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদ।

তবে শামীম আহমেদ ছাত্রলীগের বিভিন্ন কর্মসূচির ফুল বিনামূল্যে দেয়ার সম্মতি জানান। পরবর্তীতে ১৫ আগস্ট ছাত্রলীগের শোক দিবসের কর্মসূচিতে দুইটি ‘ফুলের ডালা’ বিনামূল্যে নিয়ে যান তিনি। ফুল নিলেও চাঁদার দাবিতে মাঝেমধ্যেই ফোন দিতেন জুয়েল।

ব্যবসায়ীরা জানান, বুধবার বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে ফুল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি কামাল মিয়াকে ফোন দেন তিনি। পরে সভাপতি কামাল ছাত্রলীগ নেতা জুয়েলকে ব্যবসায়ী সমিতির কার্যালয়ে আসতে বলেন। ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল বিকাল সাড়ে চারটার দিকে কেন্দ্রীয় কমিটির ক্রীড়া বিষয়ক উপ-সম্পাদক বায়েজীদ কোতোয়ালসহ ছয়জন নেতাকর্মী নিয়ে সমিতির কার্যালয়ে যান।

পরে শামীম আহমেদকে ‘বিএনপি কর্মী’ আখ্যা দিয়ে ও বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচিতে বিনামূল্যে ফুল দেয়ার অভিযোগ করেন। কিন্তু শামীম অভিযোগ অস্বীকার জানালে তাকে থাপ্পড় দেন জুয়েল। এ সময় সেখানে জুয়েলের সঙ্গে উপস্থিত ছয়জনের মধ্যে চারজন মারধরে অংশ নেন বলে অভিযোগ করেন সমিতির নেতারা।

মারধরের বিষয়ে শাহবাগ বটতলা ক্ষুদ্র ফুল ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদ বলেন, ঈদের আগে থেকেই চাঁদার জন্য ওই ছাত্রলীগ নেতা ফোন দিতেন। মেট্রোরেলের নির্মাণকাজ হচ্ছে বিধায় মার্কেটে ক্রেতা কম এবং ব্যবসার অবস্থা ভালো না বলে চাঁদা দিতে অস্বীকার করি। কিন্তু তিনি আমাকে ও সমিতির সভাপতিকে মাঝেমধ্যেই ফোন দিতেন। সর্বশেষ বুধবার বিকালে এসে আমি নাকি বিএনপি করি বলে আমাকে মারধর করেন।

তবে অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করে ছাত্রলীগের নাট্য ও বিতর্ক বিষয়ক সম্পাদক জুয়েল মোল্লা যুগান্তরকে বলেন, আমি কাউকে মারধর করিনি, চাঁদা দাবিও করিনি। ওই মার্কেটে কয়েকজন ব্যবসায়ী বিএনপি-জামায়াত করে। আমরা যখন সেখানে আড্ডা দেই, কথা বলি তারা তথ্য পাচার করে। আমি সমিতির কার্যালয়ে শুধু তাদের বিষয়ে জানতে গিয়েছি। সমিতির নেতাদের বলেছি তাদের বিষয়ে তথ্য দিতে। দল ও সংগঠনের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে সেটি করেছি।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ