fbpx
 

‘হই হই রই রই ছাত্রলীগ গেলি কই?’

Pub: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১০, ২০১৯ ৪:০২ অপরাহ্ণ   |   Upd: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১০, ২০১৯ ৪:০২ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

‘আমার নদী ফিরিয়ে দে, নইলে গদি ছেড়ে দে’; ‘দিল্লি না ঢাকা!, ঢাকা ঢাকা!’; ‘খুন হয়েছে আমার ভাই, খুনি তোদের রক্ষা নেই’; ‘দেশবিরোধী চুক্তি, মানি না মানবো না’; ‘বুয়েট তোমার ভয় নাই, আমরা আছি লাখো ভাই’; ‘আর নয় প্রতিরোধ, এবার হবে প্রতিশোধ’; ‘দালালি না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ’; ‘হই হই রই রই ছাত্রলীগ গেলি কই?’; ‘আমার ভাই আবরার আর কত লাশ চাই’; ‘আমার ভাই মরলো কেনো, প্রশাসন জবাব চাই’।

বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে এ ধরনের শোগ্লানে শ্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে উঠে গোটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) প্রাঙ্গণ।

স্বাধীন মতপ্রকাশের কারণে বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মেধাবী শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার প্রতিবাদে ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলত দ্রুত শাস্তির দাবিতে এসব শ্লোগানকে কণ্ঠে ধারণ করে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু)। মিছিলে ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুরুর নেতৃত্বে সাধারণ শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।

ঢাবির রাজু ভাস্কর্যের সামনে থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ মোড় হয়ে মৎস্য ভবন ও হাইকোর্ট মোড় ঘুরে আবারও রাজু ভাস্কর্যে এসে মিলিত হয় বিক্ষোভ মিছিলটি। এসময় সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ডাকসু নেতাকর্মীরা।

মিছিলে সাধারণ শিক্ষার্থী ছাড়াও বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনসহ বাম ছাত্র সংগঠনের অংশ নেতাকর্মী অংশ নেন।

বিক্ষোভ মিছিলে দেয়া শ্লোগানে শিক্ষার্থীরা ভারতের সঙ্গে সদ্য স্বাক্ষরিত বিভিন্ন চুক্তির বিরুদ্ধে ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের পিটুনিতে নিহত বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের হত্যাকারীদের বিচারের জোর দাবি তোলেন।

এর আগে ভারতের সঙ্গে চুক্তির বিরোধিতা করে শনিবার (৫ অক্টোবর) বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন ফাহাদ। এর জের ধরে রবিবার রাতে শেরেবাংলা হলের নিজের ১০১১ নম্বর কক্ষ থেকে তাকে ডেকে নিয়ে ২০১১ নম্বর কক্ষে বেধড়ক পেটানো হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পিটুনির সময় নিহত আবরারকে ‘শিবিরকর্মী’ হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা চালায় খুনিরা। তবে আবরার কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না বলে নিশ্চিত করেছেন তার পরিবারের সদস্যসহ সংশ্লিষ্টরা।

এ ঘটনায় ১৯ জনকে আসামি করে তার বাবা চকবাজার থানায় সোমবার রাতে একটি হত্যা মামলা করেন। বুয়েট কর্তৃপক্ষ একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে। পাশাপাশি গঠন করেছে একটি তদন্ত কমিটি ও।

হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ মেলায় বুয়েট শাখার সহ-সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১১ জনকে ছাত্রলীগ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এরইমধ্যে আবরার হত্যায় জড়ি থাকার অভিযোগে বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের আইন বিষয়ক উপ-সম্পাদক ও বুয়েট সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৬তম ব্যাচের ছাত্র অমিত সাহাকে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর সবুজবাগ কালিবাড়ী এলাকা থেকে আটক করে পুলিশ। দুপুর ১২টার দিকে আবরারের রুমমেট মো. মিজানুর রহমান ওরফে মিজানকে বুয়েটের শের-ই-বাংলা হলের-১০১১ নম্বর রুম থেকে তুলে নিয়ে গেছে গোয়েন্দা পুলিশ।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ