fbpx
 

মেরীর নির্বাচন ভাবনা

Pub: বুধবার, ডিসেম্বর ১২, ২০১৮ ৩:০৩ অপরাহ্ণ   |   Upd: বুধবার, ডিসেম্বর ১২, ২০১৮ ৩:০৩ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নারী উদ্যোক্তা হিসেবে দেশের সবচেয়ে সফলদের একজন। এবার রাজনীতিতে নামলেন মানুষের মন জয়ে। আছে আত্মবিশ্বাস, বেশির ভাগ ভোটারের সমর্থনে আসবে জয়।

বাংলাদেশ উইমেন্স চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি ও নিটল-নিলয় গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা আহমাদ মেরী এবার নৌকা প্রতীক নিয়ে ভোটে লড়ছেন কুমিল্লা-২ আসন থেকে। পুরোদমে শুরু হয়ে গেছে প্রচার। নিজেও যাচ্ছেন ভোটারের দুয়ারে, পাঠাচ্ছেন হাজারো কর্মী-সমর্থককে।

বিএনপির দুর্গ বলা যেতে পারে এলাকাটিকে। ১৯৯১ সাল থেকে ধানের শীষ নিয়ে ২০০৮ সাল পর্যন্ত টানা জিতে এসেছেন বিএনপির নেতা এম কে আনোয়ার।

প্রয়াত হয়েছেন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলের মন্ত্রী। আর স্থানীয় প্রার্থীর বদলে বিএনপি সেখানে কুমিল্লা-১ আসন থেকে নির্বাচন করে আসা খন্দকার মোশাররফ হোসেনকেও দিয়েছে মার্কা।

মেরী নৌকায় ওঠায় ধারণা করা হচ্ছে, এবার জমবে লড়াই সমানে সমান।

মেরী বলছেন, এই আসন আওয়ামী লীগ পায়নি বলে এই এলাকা উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত থেকেছে। এই বিষয়ের পাশাপাশি তিনি তুলে ধরছেন তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা।

ঢাকা টাইমসকে এই নারী উদ্যোক্তা বলেন, ‘নারীদের অর্থনৈতিকভাবে সাবলম্বী, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিশুর মানসিক বিকাশ, শিক্ষার মান ও অবকাঠামোর উন্নয়ন করাই আমার লক্ষ্য। তা ছাড়া মানবসম্পদ উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।’

ভোটের লড়াইয়ে প্রথম অভিজ্ঞতা, কী আশা করছেনÑপ্রশ্ন ছিল মেরীর কাছে। জবাবে তিনি বলেন, ‘সব মানুষকে যদি আমার নির্বাচনের মিশন ও ভিশন বোঝাতে পারি, তবে আমি শতভাগ আশাবাদী আসন্ন নির্বাচনে নিশ্চিত জয়লাভ করব।’

তিতাস ও হোমনা উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনটি। আর এলাকার মেয়ে হিসেবে জনগণের কাছে বাড়তি দাবি থাকবেÑবলেছেন নৌকার প্রার্থী। বলেন, ‘তিতাসে আমার নানার বাড়ি এবং হোমনায় দাদার বাড়ি। এই এলাকার মানুষগুলোর সঙ্গে আমার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে। আমি নির্বাচন করতে বাইরে থেকে আসিনি।’

এলাকার বেশ কিছু সমস্যার কথা উল্লেখ করে মেরী বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে এই দুই উপজেলায় আওয়ামী লীগের কোনো সংসদ সদস্য ছিলেন না। এ কারণে এসব এলাকার শিক্ষা ও অবকাঠামোর কোনো উন্নয়ন হয়নি। রাস্তার অবস্থা খুবই করুণ। ঘরে ঘরে বেকার যুবক।’

‘আমি নির্বাচিত হলে নারী ও যুবকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উদ্যোক্তা তৈরি এবং কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করব। আমি নারীদের স্বাবলম্বী করার কাজ বর্তমানে করে থাকি। এ এলাকায় এর গতি আরও বাড়ানো হবে।’

শিশুদের মানসিক বিকাশের জন্যও আলাদা ভাবনা আছে মেরীর। বলেন, ‘এ বিষয়ে এখানে কোনো উদ্যোগ নেই, নেই শিক্ষার মান উন্নয়নের ব্যবস্থা। আমি শিশুবিকাশ এবং আধুনিক মানসম্মত শিক্ষার প্রসারে কাজ করতে চাই।’

মেরীর পাশাপাশি তার জীবনসঙ্গী মাতলুব আহমাদও একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। তিনি ব্যবসায়ীদের সংগঠন এফবিসিসিআইর সাবেক সভাপতি ও নিটল-নিলয় গ্রুপের চেয়ারম্যান।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ