শেষমেশ ১৩ আসন বিএনপির প্রার্থী শূন্য, পাঁচ আসনে বদল

Pub: মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ২৫, ২০১৮ ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ   |   Upd: মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ২৫, ২০১৮ ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

১৩টি আসনে থাকছে না ধানের শীষের প্রার্থী। আগে শূন্য তিন আসনের পাশাপাশি আরো ১০ আসনে লড়াই করতে না পারার বিষয়টি নিশ্চিত হয় সোমবার চেম্বার জজের আেেদশে। আর শেষ মুহূর্তে আদালতের নির্দেশে পাঁচটি আসনে পাল্টানো হয়েছে প্রার্থী।

হাইকোর্টে মনোনয়নপত্র স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে প্রার্থীদের করা আবেদনের ওপর সোমবার সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন চেম্বার বিচারপতি মো. নূরুজ্জামানের আদালত ‘নো অর্ডার’ দেন। আগামী ১০ জানুয়ারি আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানি হবে। তবে তার আগেই ৩০ ডিসেম্বর হয়ে যাবে ভোট।

ফলে এসব প্রার্থী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এসব প্রার্থীর হতে পারবেন না।

বিএনপির প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে মূলত উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে পদত্যাগপত্র গৃহীত হওয়ার আগেই মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার কারণে। এর বাইরে একটি আসনে দ-িত নেতাকে প্রার্থী করেছিল বিএনপি। আর একটি আসনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রারের পদ ছাড়ার তিন বছর পূর্তি না হওয়ায় বাদ পড়েছেন একজন।

এই সব প্রার্থীকেই নির্বাচন কমিশন বৈধ প্রার্থী ঘোষণা করেছিল। তবে প্রতিদ্বন্দ্বীদের রিট আবেদনে আটকে যায় উচ্চ আদালতে।

প্রার্থিতা আটকে যাওয়া আসনগুলোতে বিএনপি নতুন করে তফসিল অথবা অন্য কাউকে প্রার্থী করার সুযোগ চেয়েছিল। তবে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এমন কোনো সুযোগ নেই।

আদালতে রিটকারীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক। নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মাহবুবে আলম। চেয়ারম্যান ও বিএনপি প্রার্থীদের পক্ষে ছিলেন এ এফ হাসান আরিফ ও রুহুল কুদ্দুস কাজল।

রুহুল কুদ্দুস কাজল ঢাকাটাইমসকে বলেন, এসব প্রার্থীর নির্বাচন না করার বিষয়ে আইনগত বিষয় এখনো শেষ হয়ে যায়নি। আগামী ১০ জানুয়ারি পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানি হবে। মামলা নিষ্পত্তি না হওয়ায় নির্বাচন কমিশনের উচিত হবে এসব আসনের নির্বাচন স্থগিত করা।’

সোমবার স্থগিত হয়ে যাওয়া প্রার্থীরা হলেন জয়পুরহাট-১ আসনে ফজলুর রহমান, রাজশাহী-৬ আসন আবু সাঈদ চাঁদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে মোসলেম উদ্দিন, ঝিনাইদহ-২ আসনে আবদুল মজিদ, জামালপুর-৪ আসনে ফরিদুল কবির তালুকদার, ঢাকা-১ আসনে খন্দকার আবু আশফাক, ঢাকা-২০ আসনে তমিজ উদ্দিন, চাঁদপুর-৪ আসনে আবদুল হান্নান, বগুড়া-৭ আসনে মিল্টন মোরশেদ ও নীলফামারী-৪ আসনে আমজাদ হোসেন সরকার।

এর আগে জামালপুর-১ আসনে রশিদুজ্জামান মিল্লাত, সিলেট-২ আসনে তাহসিনা রুশদীর লুনা এবং মানিকগঞ্জ-৩ আসনে আফরোজা খানের মনোনয়নপত্র স্থগিত হয় আপিল বিভাগের আদেশে।

ভোটের বাইরে আওয়ামী লীগের দুই বিদ্রোহী

ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মাহমুদ হাসান সুমন ও রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া) আসনে বিদ্রোহী আসাদুজ্জামান বাবলুও ভোটে আসার অনুমতি পেলেন না। হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে চেম্বার বিচারপতির কাছে গিয়ে নো অর্ডার পেয়েছেন তারাও।

পাঁচ আসনে প্রার্থী বদল

পাঁচটি আসনে বিএনপির প্রার্থী পাল্টানোর বিষয়ে হাইকোর্টের আদেশ বহাল রেখেছে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে করা আবেদনের শুনানি নিয়ে চেম্বার বিচারপতি মো. নূরুজ্জামানের আদালত এই আবেদনেও ‘নো অর্ডার’ দেন।

মানিকগঞ্জ-১ আসনে এস এ জিন্নাহ কবীরের বদলে ধানের শীষ পেয়েছেন খোন্দকার আব্দুল হামিদ ডাবলু, নাটোর-১ আসনে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের মনজুরুল ইসলাম ওরফে বিমলের বদলে প্রতীক পেয়েছেন কামরুন্নাহার শিরিন।

ওগাঁ-১ আসনে ছালেক চৌধুরীর বদলে মার্কা পেয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান, বগুড়া-৩ আসনে আব্দুল মুহিত তালুকদারের বদলে মাসুদা মুমিন এবং রাজশাহী-৫ আসনে নাদিম মোস্তফার বদলে নজরুল ইসলাম পেয়েছেন ধানের শীষ ।

এই পাঁচটি আসনেই বিএনপি প্রার্থ পাল্টেছে প্রতীক পাওয়া প্রার্থীদের আবেদনে। প্রতিটি আসনেই শেষ মুহূর্তে চূড়ান্ত মনোনয়নের চিঠি দিয়েছে বিএনপি। আর চিঠিতে কাটাকাটিও ছিল।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ