বিশাল ব্যবধানে হারল নৌকা

Pub: বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০১৯ ১০:১৪ অপরাহ্ণ   |   Upd: বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০১৯ ১০:১৪ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন পরিষদের উপ-নির্বাচনে অনেক বড় ভোটের ব্যবধানে হেরে গেছেন আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মো. কবিরুজ্জামান মন্টু।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় থেকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী আকলিমা খাতুন লাকীকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ প্রার্থীর চেয়ে প্রায় তিনগুণ ভোট বেশি পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

এই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচনে তিন প্রার্থী অংশগ্রহণ করেছেন। জাতীয় পার্টি থেকে লাঙল প্রতীক নিয়ে অংশগ্রহণ করেছেন কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের প্রয়াত চেয়ারম্যান সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত জাপা নেতা কেএম মোশারফ হোসেনের স্ত্রী আকলিমা খাতুন লাকী। নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে লড়েছেন আওয়ামী লীগ নেতা মো. কবিরুজ্জামান মন্টু। পাশাপাশি আনারস প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে লড়েছেন আব্দুর রহমান।

কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জামির হায়দার জাগো নিউজকে বলেন, এই ইউনিয়নে ২০ হাজার ৫৫৩টি ভোট রয়েছে। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৯টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়েছে। ভোট গণনা শেষে দেখা যায়, লাঙল প্রতীক পেয়েছে ৭ হাজার ৪৬ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থীর আনারস প্রতীক পেয়েছে ৩ হাজার ৪২১ ভোট আর নৌকা প্রতীক পেয়েছে ২ হাজার ১৩৫ ভোট। ফলাফলে বেসরকারিভাবে জাতীয় পার্টির লাঙল প্রতীকের প্রার্থী আকলিমা খাতুন লাকীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

বিজয়ী প্রার্থী আকলিমা খাতুন লাকীর মেয়ে সামিয়া সুলতানা বলেন, বুধবার রাত থেকেই আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও তার পক্ষের লোকজন প্রচার করেছেন রাতেই ভোট কেটে নেয়া হয়ে গেছে। এরপরও সকাল থেকে আমরা বিভিন্ন কেন্দ্রে ঘুরেছি, ভোটারদারে দ্বারে দ্বারে গেছি। কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি খুব থাকলেও কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। মানুষ ভোটকেন্দ্রে এসে লাঙল প্রতীকে ভোট দিয়ে আমার মাকে জয়যুক্ত করেছেন। উন্নয়নের মাধ্যমে মানুষের ভোটের প্রতিদান দেবেন আমার মা।

প্রসঙ্গত, ৯ সেপ্টেম্বর কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কেএম মোশাররফ হোসেনকে (৫২) গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনায় কালিগঞ্জ থানায় ৭০ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন চেয়ারম্যানের মেয়ে। মামলায় উল্লেখ করা হয়, একটি মাছের ঘের নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে মোশাররফ হোসেনকে হত্যা করা হয়।

পরে মামলার প্রধান আসামি যুবলীগ নেতা আব্দুল জলিলকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে নিয়ে কৃষ্ণনগর বাজারে অভিযানে যায় পুলিশ। সেখানে ১৫ সেপ্টেম্বর গণপিটুনিতে নিহত হন মামলার প্রধান আসামি আব্দুল জলিল।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ