যে কারনে প্রবাসীদের ন্যাশনাল আইডি কার্ডের প্রয়োজন

Pub: বৃহস্পতিবার, মার্চ ১৪, ২০১৯ ১:২৭ পূর্বাহ্ণ   |   Upd: বৃহস্পতিবার, মার্চ ১৪, ২০১৯ ১:২৭ পূর্বাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

হাইকমিশনের মাধ্যমে প্রদানের দাবী সিবিপিডি’র
বাংলাদেশ সরকার ২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে সকল নাগরিকদের জন্য স্মার্ট ন্যাশনাল আইডি কার্ড প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর বর্তমানে প্রায় প্রতিটি সরকারী কাজে, যেকোন ক্রয়-বিক্রয়ে এবং ভোটার রেজিস্ট্রেশন গুরুত্বপূর্ণ ২২টি ক্ষেত্রে এই কার্ড অতি প্রয়োজনীয়। কার্ড পেতে দীর্ঘ একটি প্রক্রিয়া ও সময়ের প্রয়োজন। সময়ের অভাবে দেশে গিয়ে প্রবাসীদের পক্ষে এই কার্ড গ্রহন প্রায় অসম্ভব। আর তাই যুক্তরাজ্যে হাই কমিশনের মাধ্যমে এই স্মার্ট কার্ডের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছে সেন্টার ফর ব্রিটিশ বাংলাদেশী পলিসি ডায়লগ সংক্ষেপে সিবিপিডি’।
গত ৮ মার্চ শুক্রবার লন্ডনে এক সংবাদ সম্মেলনে আইনজীবিগন বলেন, প্রবাসীদের বাংলাদেশে গিয়ে ব্যাংক একাউন্ট খোলা, অর্থ লেনদেন, জায়গা-সম্পত্তি ক্রয় বিক্রি, ভোটাধীকার সহ গুরুত্বপূর্ন জায়গাগুলোতে কিছু করতে হলে স্মার্ট দেখাতে হবে। কিন্তু অনেক প্রবাসীদের স্মার্ট কার্ড না থাকার কারণে এরিমধ্যে বাংলাদেশে বিভিন্নভাবে সমস্যার সম্মুখিন হচ্ছেন। একই সাথে মেশিন রিডেব্যাল পাসপোর্টের মেয়াদ ১০ বছর করার দাবী জানিয়েছেন ব্রিটিশ বাংলাদেশী আইনজীবিরা।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার আতাউর রহমান, ব্যারিস্টার আবুল কালাম, সলিসিটর সোহুল আহমদ, ব্যারিস্টার তারেক চৌধুরী, ব্যারিস্টার কালাম চৌধুরী, ব্যারিস্টার চৌধুরী হাফিজুর রহমান।
সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ দাবী আদায়ে সকল প্রবাসী সামাজিক রাজনৈতিক সংগঠনগুলিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সরকারের কাছে দাবী জানাতে হবে বলে মতদেন আইনজীবীরা। আইনীজিরা আরো বলেন, সরকার আন্তরিক হলে, বিদেশে বাংলাদেশী মিশনের মাধ্যমেই প্রবাসীদের এই সার্ভিস দেওয়া সম্ভব।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয় ব্রিটেনসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্রায় এক কোটি প্রবাসী এই স্মার্ট কার্ড থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। প্রবাসীদের অনেকেই জীবনের সঞ্চিত অর্থ বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যাংকে টাকা গচ্ছিত রাখেন, অনেকে জমি কিনেন,ব্যবসায় বিনিয়োগ করছেন, তাছাড়াও অনেকে বিভিন্ন ধরনের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে যুক্ত রয়েছেন। অনেক প্রবাসী অভিযোগ করেছেন যে তারা বাংলাদেশে গিয়ে জমি কিনতে পারেন নাই, জমি বিক্রি করতে পারেন নাই, অনেকে সারা জীবনের সঞ্চিত অর্থ ব্যাংক থেকে তুলতে পারছেন না। বলা হচ্ছে ন্যাশনাল আইডি কার্ড জমা দিতে হবে। আর তাই গুরুত্বপূর্ণ এই কার্ড প্রবাসে বসেই যাতে প্রবাসীরা পান সেজন্য সরকারকে আন্তরিক হবার আহবান জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলনে যে কয়েকটি কারনে স্মার্ট কার্ড প্রয়োজন সেগুলি হচ্ছে নাগরিক অধিকার এবং নাগরিক সুবিদা আদায়, জাতীয় পরিচয় পত্র ব্যবহারে, ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য, পাসপোর্ট বানাতে, জমি কেনা বেচা করতে, ব্যাংকে একাউন্ট খুলতে, যে কোন ব্যাংক থেকে লোন নিতে হলে, সরকারী পেনশন গ্রহনে, সকল সরকারি আর্থিক সুবিধা এবং সাপোর্ট পেতে, ব্যবসার লাইসেন্স নিতে, গাড়ী কিনতে, যেকোন ধরনের ইন্সুরেন্স করতে হলে, বিবাহ রেজিস্ট্রেশন করতে হলে, ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরকারি যেকোন অফিসে যোগাযোগের ক্ষেত্রে, গ্যাসের অথবা ইলেকট্রিসিটির সংযোগ পেতে হলে, চিকিৎসা সেবা গ্রহন করতে হলে, ইন্টারনেটের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে অথবা টাকা পেতে হলে, সকল প্রকার ব্যাংক লেনদেন করতে হলে, এমনকি কোন বিশ্ববিদ্যালয় অথবা কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে অথবা ভর্তি সংক্রান্ত যেকোন সুবিধা পেতে হলে এই কার্ডের প্রয়োজন।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ

সংবাদটি পড়া হয়েছে 1043 বার