সিডনিতে নতুন প্রজন্মের মেধাবী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা অনুষ্ঠান

Pub: সোমবার, এপ্রিল ১৫, ২০১৯ ২:২৮ অপরাহ্ণ   |   Upd: সোমবার, এপ্রিল ১৫, ২০১৯ ২:২৯ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সিডনি সংবাদদাতা :
দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে হরেকরকমের দেশীয় খাবারের পাশাপাশি সবার জন্য খেলাধুলার আয়োজনও ছিল। উপস্থিত সবার মতামতে সাড়া দিয়ে আয়োজকরা ভবিষ্যতে আবারো বিভিন্নরকম পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেন।
স্থানীয় সময় গত ১৩ এপ্রিল ( শনিবার) নতুন প্রজন্মের মেধাবী শিশু কিশোর শিক্ষার্থীদের নিয়ে ওয়েস্টার্ন সিডনির পার্কসল্যান্ডের লিজার্ড লগ পার্কে ‘ট্যালেন্ট ২০১৯’ অনুষ্ঠিত হয়।

নয়জন অভিভাবকদের দেড়মাসের চেষ্টায় সেভেন ইলেভেন স্টোরের স্বত্তাধিকারী অ্যারন রিয়াজ এবং এ ও জেড প্রিন্ট অ্যান্ড গ্রাফিক্সের শাহাবুদ্দিন আহামেদের সহযোগিতায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সকাল ১১টা ৪৫ মিনিটে ফারুক আহমেদের কুরআন তেলোয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। তারপর একেএকে প্রতিটি শিশু কিশোর তাদের ছাত্রজীবনের আনন্দ বেদনা আর প্রাপ্তির কথার পাশাপাশি বিগত বছর-মাসের অধ্যয়ন আর পরীক্ষার প্রস্তুতির গল্প নিজ ভাষায় তুলে ধরে। এই সময় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবকরাও মঞ্চে এসে তাদের ত্যাগ, পরিশ্রম এবং গর্ব ভরা আবেগ ও আনন্দের কথা বর্ণনা করেন।

মধ্যাহ্ন ভোজের পর আয়োজকেরা সন্তানদের সাফল্য এবং সর্বাপরি পরিবারে মায়েদের ভুমিকার ব্যাপারে আলোকপাতের পর প্রতিটি মা নিজেই তার নিজ সন্তানের হাতে এ ও জেড এর সৌজন্যে উপহার এবং সুভেনির তুলে দেন।

এরপরই অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি ড. নাহিদ সায়মাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। তিনি সন্তানদের বেড়ে ওঠার গল্প দিয়ে উপস্থিত অভিভাবকদের প্রেরণামূলক বক্তব্যের পাশাপাশি ২২ জন শিশু-কিশোরসহ তাদের সহোদরদেরও পুরস্কার বিতরণ করেন।

উল্লেখ্য, ড. নাহিদ সায়মার প্রথম সন্তান ড. নাভান রহমান একসময় বল্কহ্যাম হিলস হাই স্কুলের ছাত্র ছিলেন এবং পরে ইউনিভার্সিটি অব নিউ সাউথ ওয়েলসের স্কুল অব মেডিসিন থেকে উত্তীর্ণ হয়ে বর্তমানে কনকর্ড হাসপাতালে কর্মরত ডাক্তার। উনার দ্বিতীয় সন্তান শায়ান রহমান ও বল্কহ্যাম হিলস হাই স্কুলে সাফল্যের সাথে এইচ এসসি পাশ করে বর্তমানে ইউনিভার্সিটি অব তাসমানিয়াতে মেডিসিনে অধ্যয়নরত।

আয়োজক কমিটির পক্ষে রেজা করিম জানান, নিউ সাউথ ওয়েলসে অপরচুনিটি ক্লাস এবং সেলেক্টিভ স্কুলে সুযোগ পাওয়ার আনন্দ এবং সাফল্য পালন করাই ছিল এই ট্যালেন্ট ২০১৯ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এই ক্ষুদে অস্ট্রেলিয়ানদের এবং আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মকে বন্ধুত্ব এবং সহ মর্মতার সাথে বেড়ে ওঠার প্রয়াসে এই সুচনা।

দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে হরেকরকমের দেশীয় খাবারের পাশাপাশি সবার জন্য খেলাধুলার আয়োজনও ছিল। উপস্থিত সবার মতামতে সাড়া দিয়ে আয়োজকরা ভবিষ্যতে আবারো বিভিন্নরকম পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে ২২ জন মেধাবী শিশু কিশোর ও তাদের পরিবার অংশগ্রহণ করে।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ

সংবাদটি পড়া হয়েছে 1033 বার