fbpx
 

লিবিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের দুর্নীতির সিন্ডিকেট, ৬শ’ ডলারের বাসাভাড়া দেখানো হচ্ছে ৬ হাজার ডলার

Pub: Wednesday, October 30, 2019 10:45 PM
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

লিবিয়া : দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে লিবিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাস। তিউনিসিয়ার রাজধানী তিউনিসে ক্যাম্প অফিস থেকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। রাষ্ট্রদূত শেখ সেকেন্দার আলীর নেতত্বে গড়ে উঠেছে দুর্নীতির এক সিন্ডিকেট। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রবাসীদের দেখভাল করার জন্য যে রাষ্ট্রদূতকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে তিনি প্রবাসীদের কল্যাণ নয়, নিজের কল্যাণের ফন্দিফিকিরেই ব্যস্ত। রাষ্ট্রদূত সেকেন্দার আলীর অনিয়ম আর দুর্নীতির তদন্তের পাশাপাশি তাকে দ্রুত লিবিয়া থেকে বদলি করার দাবি জানিয়েছেন তারা। 

জানা গেছে, রাষ্ট্রদূত সেকেন্দোর আলী তার পছন্দের কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি সিন্ডিকেট করেছেন। এই সিন্ডিকেটে অন্যতম সদস্য হলেন- হিসাব রক্ষক নাসির উদ্দীন খান। নিয়মিত অফিস সময়ের বাইরে এই সিন্ডিকেট বিকেল ৫টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত অফিস করেন। এ সময়েই ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি ও তা অনুমোদন করা হয়। এই সিন্ডিকেটের অন্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন রাষ্ট্রদূতের পিএ জাবের আল মাহমুদ ও লেবার ইউং এর আইন সহায়ক শিহাব উদ্দীন। 
সূত্র জানিয়েছে, ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে শিক্ষাভাতা, পরিবহনভাতা আর বাসাভাড়া বাবদ হিসাব রক্ষক নাসিরউদ্দিন হাতিয়ে নিয়েছেন প্রায় দেড় কোটি টাকা। প্রবাসীদের অনেকেই বলেছেন, একজন হিসাব রক্ষকই যদি বছরে দেড় কোটি টাকা নিয়ে থাকেন তাহলে রাষ্ট্রদূত যে কত নিয়েছেন তা সহজেই অনুমাণ করা যায়। 
জানা গেছে, তিউনিসে রাষ্ট্রদূত যে বাসায় থাকেন তার মাসিক ভাড়া ৬শ’ ডলার হলেও তোলা হচ্ছে ৬ হাজার ডলারের বেশি। এছাড়া চ্যান্সেরি ভবনের ভাড়াও অনেক বেশি দেখিয়ে সে টাকা আত্মসাৎ করা হচ্ছে।

শুধু আর্থিক কেলেংকারি নয়, অত্যাচার, প্রবাসী বাংলাদেশিদের হয়রানি আর খারাপ ব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে রাষ্ট্রদূত সেকেন্দারের বিরুদ্ধে। প্রবাসী বাংলাদেশিরা জানিয়েছেন, সেকেন্দার আলী একজন আপাদমস্তক দুর্নীতিবাজ। ওমানে কর্মরত থাকাকালেও তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। লিবিয়া প্রবাসী বাংলাদেশীরা নানাভাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করেও কোন প্রতিকার পাননি। এ বিষয়ে শীর্ষ কাগজের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্টদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদের কেউই এ ব্যাপারে মুখ খুলতে রাজি হননি। 


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ