fbpx
 

তারেক রহমানের ৫৪তম জন্মবার্ষিকী আগামী ২০শে নভেম্বর

Pub: Thursday, November 14, 2019 3:10 AM
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বিএনপি সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান, তারুন্যের অহংকার, এই প্রজন্মের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা তারেক রহমানের ৫৪তম জন্মবার্ষিকী আগামী ২০শে নভেম্বর। বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান ও সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠপুত্র তারেক রহমান। তিনি ১৯৬৫ সালের ২০ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের তারুন্যের এই ’রাজনীতির আইডল’ বহুমাত্রিক ষড়যন্ত্রের নাগপাশ ছিন্ন করে রাজণীতির নতুন দিশার বর্নাঢ্য আলোক রশ্মি ছড়িয়ে সমুখে ধাবমান। এক মর্মাহত ক্ষত নিয়ে তিনি প্রবাসী থাকলেও তিনি দেশকে নিয়েই সব সময় ভাবেন।
মাত্র ১৫ বছর বয়সে পিতৃহারা তারেক রহমান দেশের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে উত্তীর্ণ হন। ১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এলএলবিতে পরে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের প্রথম বর্ষে ভর্তি হন।
একাত্তরের বাংলাদেশ একজন জিয়াউর রহমান পেয়েছিল, নব্বইয়ের বাংলাদেশ পেয়েছিল একজন অাপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে, অার অাজকের বাংলাদেশ পেয়েছে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বের পাশাপাশি একজন তারেক রহমানকে। যদি একজন সফল নেতার অন্যতম প্রধান কাজ হয়ে থাকে সুসময় কিংবা দুঃসময়ে তাঁর জাতিকে স্বপ্ন দেখানো। তাহলে-হ্যা, তারেক রহমানের কথাই বলছি, যিনি স্বপ্ন দেখান তাঁর জাতিকে, স্বপ্ন দেখান বাংলাদেশকে। যিনি স্বপ্ন দেখেন তাঁর জাতির মুক্তির।
তাই তো দৃপ্ত শপথে তাঁর সাহসী উচ্চারণ-
“যদি তুমি ভয় পাও তবে তুমি শেষ, যদি তুমি রুখে দাঁড়াও তবে তুমিই বাংলাদেশ”

১৯৯৪ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি বিমানবাহিনীর প্রাক্তন প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব হোসেনের বড় মেয়ে ডা. জোবাইদার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন । পিতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের গড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বগুড়া কমিটির সদস্য হিসেবে তার রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয়। মাত্র ২২ বছর বয়সে ১৯৮৮ সালে তারেক রহমান বগুড়া জেলার গাবতলী থানা বিএনপি’র সদস্য হন। আনুষ্ঠানিকভাবে সংগঠনে যোগ দেয়ার আগেই তারেক রহমান রাজনীতিতে অত্যন্ত সক্রিয় ছিলেন। ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জনাব তারেক রহমান তার মাতা বেগম খালেদা জিয়ার সহচর হিসেবে সারা দেশের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন। ২০০১ সালের নির্বাচনেও মায়ের পাশাপাশি তারেক রহমানও দেশব্যাপী নির্বাচনী প্রচারণা চালান। মূলত: এ নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে রাজনীতির প্রথম সারিতে তারেক রহমানের সক্রিয় আগমন ঘটে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০০২ সালে জনাব তারেক রহমানকে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব দেয়া হয়। এ দায়িত্ব পেয়ে জিয়াউর রহমানের ১৯ দফার আলোকে জনাব তারেক রহমান দেশব্যাপী দলের মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সাথে ব্যাপক গণসংযোগ শুরু করেন। মূল সংগঠন ছাড়াও জাতীয়তাবাদী যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন অংগ সংগঠনের আয়োজনে উলে­খযোগ্য সংখ্যক মতবিনিময় সভায় অংশ নিয়ে তারেক রহমান কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে দিক-নির্দেশনামুলক বক্তব্য রাখেন। এখান থেকেই তিনি মাঠ পর্যায়ের নেতাদের বক্তব্য শোনেন এবং তাদের মতামত গ্রহণ করেন। এ সভাগুলোতে তারেক রহমান মূলত: দলের গঠনতন্ত্র, উদ্দেশ্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘ মতবিনিময় করেন। এই জনসংযোগের ফলে তরুণদের আস্থার প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন জনাব তারেক রহমান। দলের নেতাকর্মীদের মনোবল অসামান্য বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সন্তানের পরিচিতি থেকে তিনি একজন দক্ষ রাজনৈতিক সংগঠক ও সক্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। তিনি অতি অল্প সময়ে বিএনপিকে তৃনমূল শক্তি হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হন। ৮ ডিসেম্বর, ২০০৯ তারিখে ঢাকায় অনুষ্ঠিত বিএনপির পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিলে তারেক রহমান সংগঠনের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
তার অভাবনীয় জনপ্রিয়তার ঈর্ষান্বিত হয়ে ওঠে একটি চক্র। ওয়ান ইলেভেনের সরকার তাকে মেরে ফেলার যে গভীর চক্রান্তের নীলনক্সার একেছিল তার নির্মম বলি হন আধুনিক রাজনীতির এই ’আইডল’। ৭ মার্চ, ২০০৭ তারিখে একটি কথিত দূর্নীতি মামলার আসামী হিসেবে জনাব তারেক রহমানকে তার ঢাকা ক্যান্টমেন্টস্থ মইনুল রোডের বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে আরও ১৩টি দূর্নীতির মামলা করা হয়। ওয়ান ইলেভেনে সেনা নিয়ন্ত্রিত সরকার তাকে গ্রেফতার করে নির্মম নির্যাতন করে । তাকে অনেক ওপর থেকে বার বার নীচে ফেলে দিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসে আরো অনেক মিথ্যে মামলায় জড়িত করেছে। এই অবৈধ বাকশালি সরকার অনেক চেষ্টা করেও একটি মামলা প্রমান করতে পারেনি। বর্তমানে তিনি লন্ডনে সপরিবারে বাস করছেন ।
প্রতিবারের মতো এবারো এই দেশনায়েক, নেতার জন্মদিনটি সুদুর প্রবাসে বসে পালন করতে হবে। আজকে এই জন্মদিনে দেশনেত্রী দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে তার জন্মদিনটি পালন করতে হবে। সঙ্গে আছেন সহধর্মিণী ডা: জুবায়দা রহমান, একমাত্র কন্যা জায়মা রহমান। আসন্ন জন্মদিনে ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র নায়ক তারুণ্যের অহংকার জনাব তারেক রহমান এর দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি। ভবিষ্যৎ এ দেশনায়ক সুস্থ হয়ে বীরের বেশে দেশে ফিরে আসবেন এবং দেশে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্টা করবেন। আল্লাহ উনাকে তাড়াতাড়ি সুস্থ করুক। আমিন।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ