fbpx
 

কাঠগড়ায় বাবা, অপমান সইতে পারলেন না মিলা!

Pub: রবিবার, মার্চ ১৫, ২০২০ ৮:২৩ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বিয়ের তথ্য গোপনের অভিযোগে সাবেক স্বামী এস এম পারভেজ সানজারির করা মামলায় জামিন পেয়েছেন সংগীতশিল্পী মিলা ও তার বাবা। ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত গত বুধবার এই জামিন মঞ্জুর করেন।

আদালত সূত্র বলেছে, এই মামলায় মিলা ও তাঁর বাবা শহীদুল ইসলাম বুধবার ঢাকার সিএমএম আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। সেখানে আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয় মিলার বাবাকে।

আর আদালতের কাঠগড়ায় বাবাকে দেখে অপমানে কাঁদলেন মিলা। আদালত থেকে বাসায় ফিরে ‘লজ্জিত হও’ শিরোনামে লিখলেন কবিতা। কবিতাটি নিজের ফেসবুকে পোস্টও করেছেন। 

মিলা জানালেন, ‘বাবার অপমান সইতে না পেরে কবিতার আশ্রয় নিয়েছেন তিনি। বললেন, কবিতা এমনই একটা মাধ্যম, যা দিয়ে অনেক কিছুই বলা যায় অকপটে। প্রচণ্ড ক্ষোভ, যন্ত্রণা, লজ্জা, অপমান থেকে কবিতাটি লিখেছি।’

মিলা বলেন, ‘বাবাকে আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে দেখে আমি সবচেয়ে বেশি আঘাত পেয়েছি। বাবাকে প্রতারণার মামলায় জড়ানো হলো! সবকিছু মেনে নেওয়া যায়, কিন্তু মেয়ের সামনে বাবা অপমানিত হচ্ছে—এ দৃশ্য দেখা অসম্ভব। 

মিলা এ–ও বলেন, ‘আব্বা যখন কাঠগড়ায়, এ দৃশ্য আমি মেনে নিতে পারিনি। মনে হয়েছে, আমার জীবনে এর চেয়ে বাজে দৃশ্য আর কখনো আসেনি, আসবেও না। 

বলা হয়েছে, আমার আগের বিয়ে গোপন করেছি, যা একেবারে বানোয়াট। আমার আগের বিয়ের খবর সবাই জানত, পারভেজ সানজারিও জানত। সে আমার সঙ্গে ১০ বছর ধরে প্রেম করেছে। সবকিছু জেনেই আমার সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছে। এখন প্রতারণার মামলা করেছে!’

মিলা বলেন, ‘আমি একজন আর্টিস্ট, আমার কারণে আব্বা-আম্মা কোথায় গর্ব করবেন, সেখানে কিনা তাদের প্রতারক হিসেবে দেখতে হচ্ছে! আমার তো মরে যেতে ইচ্ছে করছিল। ওই সব ক্ষোভ থেকে আমি কবিতা লিখেছি।’

মিলা বললেন, ‘ বাসায় ফিরে বাবার পা ধরে ক্ষমা চেয়েছি। কেঁদেছি। বলেছি, বাবা আমাকে মাফ করে দাও। আমার মনে হয়েছে, পৃথিবীতে যত দোষ করেছি, এটাই ছিল সবচেয়ে বড় দোষ। বাবাকে কাঠগড়ায় দেখাটা মেয়ে হিসেবে আমার মরে যাওয়ার মতো অবস্থা।’

Hits: 84


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ