অবশেষে বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে বাঘিনীর মৃত্যু

Pub: রবিবার, এপ্রিল ১, ২০১৮ ৯:১৭ অপরাহ্ণ   |   Upd: রবিবার, এপ্রিল ১, ২০১৮ ৯:১৮ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

রেজাউল সরকার (আঁধার), গাজীপুর প্রতিনিধি : এক পা হারিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকার পর অবশেষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে বাঘিনীটির মৃত্যু হয়েছে।

রোববার সকাল ১০টার দিকে ওই বাঘিনীর মৃত্যু হয়। বাঘিনীর বয়স হয়েছিল অনুমানিক ১৯ বছরের মতো।

২০১২ সালের ১৪ জানুয়ারি সন্ধ্যায় এক পা কাটা অবস্থায় খুলনার কয়রা উপজেলার লোকালয়ে ঢুকে পড়ে এ বাঘিনী। খবর পেয়ে বন বিভাগ ও বন্যপ্রাণি ট্রাস্টের কর্মীরা উদ্ধার করে বাঘিনীটিকে।

সাফারি পার্কের প্রকল্প পরিচালক মো. সামসুল আজম জানান, বাঘিনীটি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিল। রোববার সকাল ১০টার দিকে মৃত্যু হয়।

পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মোতালেব হোসেন জানান, ২০১২ সালের ১৪ জানুয়ারি বাঘটি খুলনার কয়রা উপজেলার বেতজুরি এলাকায় সুন্দরবনের পাশে শিকারীদের ফাঁদে আটকে পেছনের ডান পা হারায়। পরে এটিকে উদ্ধার করে এলাকাবাসী স্থানীয় বনবিভাগের কাছে হস্তান্তর করে এবং সেখান থেকে বাঘিনীটিকে ডুলাহাজরা বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে পাঠানো হয়।

সেখান থেকে ২০১৩ সালে সালের ২৪ মে শ্রীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে স্থানান্তর করা হয়।

তিনি বলেন, বাঘটির বয়স হয়েছিল ১৯ বছরের মতো। প্রাকৃতিক পরিবেশে একটি বাঘ ১৪-১৫ বছর বাঁচে। সম্প্রতি ভাঙ্গা পাটিতে ইনফেকশন ছাড়াও বাইঘনীটি বার্ধক্যজনিত নানা রোগেও ভুগছিল। তার যথাযথ চিকিৎসাও চলছিল।

এখন এ পার্কে বাঘ পরিবারের সদস্য সংখ্যা হলো ১০।

মোতালেব হোসেন বলেন, বাঘটির চামড়া দিয়ে প্রক্সিডার্মিস (ভেতরে তুলাজাতীয় বস্তু ভরে উপড়ে চামড়া দিয়ে সেলাই করে হুবহু বাঘের আকৃতি) করে এখানকার যাদুঘরে রাখা হবে।

এছাড়া ময়নাতদন্ত শেষে দেহের অন্য অংশ পার্কেই মাটিচাপা দেওয়া হবে এবং কিছু অংশ পরীক্ষার জন্য ঢাকার কেন্দ্রীয় গবেষণা ল্যাবে পাঠানো হবে বলে মোতালেব জানান।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ

সংবাদটি পড়া হয়েছে 1114 বার