টেকনাফে তিতলির আঘাত, ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, খোলা আকাশের নীচে মানুষ

Pub: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১১, ২০১৮ ৮:৪০ অপরাহ্ণ   |   Upd: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১১, ২০১৮ ৮:৪০ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ভারতের কলকতা, উড়িশ্যা ও অন্ধ্র উপকূল হয়ে ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’ এখন বাংলাদেশের দিকে ধেয়ে আসছে। ‘তিতলি’র প্রভাবে বঙ্গোপসাগরে গত মঙ্গলবার থেকেই গভীর নিম্নচাপ শুরু হয়েছে। নিম্নচাপ থেকে সৃষ্ট সাগরের উত্তাল ঢেউয়ে কক্সবাজার উপকূলের শতাধিক ঘরবাড়ি এরইমধ্যে বিধ্বস্ত হয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে ভারি বর্ষণ ও প্রবল ঢেউয়ের তোড়ে বিধ্বংস শুরু হয়েছে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার শাহপরীর দ্বীপের বসতিগুলোতে।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় কবলিত ওইসব এলাকার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। তবে প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে এখনও অনেকেই বাড়িঘরেই অবস্থান করছেন। আবহাওয়া অধিদফতরের পক্ষ থেকে সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

শাহপরীর দ্বীপের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই জোয়ার চলাকালে সাগরের ঢেউ স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে দ্বিগুন উঁচু হয়ে আঁচড়ে পড়ছে। দুপুরের আগেই শত শত ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়ে যায়। এতে অন্তত ৪ শতাধিক মানুষ খোলা আকাশের নীচে আশ্রয় নিয়েছেন।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রবিউল হাসান জানিয়েছেন, উত্তাল সাগরের ঢেউয়ের আঘাতে শত শত ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসন সর্বাত্মক সহযোগিতা নিয়ে দুর্গতদের পাশে আছে।

তিনি বলেন, ‘দুপুরের দিকে খবর পেয়েই আমি শাহপরীর দ্বীপের দিকে রওনা হই। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে ২০ কেজি করে চাল বিতরণসহ নানা সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়ে ঘরবাড়ি হারানো বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।’

তবে অরক্ষিত বেড়িবাঁধ ও তিতলির কারণে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এসব ঘরবাড়ি দ্রুত বিধ্বস্ত হয়েছে বলে জানান তিনি।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ

সংবাদটি পড়া হয়েছে 1055 বার