জনাব তারেক রহমানের প্রতি খোলা চিঠি

Pub: শুক্রবার, আগস্ট ৩১, ২০১৮ ২:১০ অপরাহ্ণ   |   Upd: শুক্রবার, আগস্ট ৩১, ২০১৮ ২:১০ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

হারুনুর রশিদ আরজু
জনাব তারেক রহমান, মাননীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান,
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল/বিএনপি। আস্সালামুআলাইকুম।
আজ আমার অধিকারের বাইরে দাঁড়িয়ে আপনাকে কিছু কথা বলার ইচ্ছা প্রকাশ করেছি। আপনার দল বিএনপি বিএনপির নেতা এবং সর্বোপরি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সম্পর্কে কিছু মতামত পেশ করতে চাই।
প্রথমে আপনার পরিচয় সম্পর্কে কিছু বলতে হয়। আপনার পারিবারিক পরিচয় চিন্তা করলে রীতিমত অবাক হতে হয়। আপনার মতো এমন সম্রান্ত পরিবারের সন্তান গোটা বাংলাদেশে গুনলে কয়জন পাওয়া যাবে জানি না। আপনার পরিচয় সকলের জানা তবুও যেটা না বললেই নয়। আপনার পিতা একজন সাবেক রাষ্ট্রপতি। পাশাপাশি তিনি দেশের একজন খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা। আবার আপনার মাতা একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী। যিনি তিনবার দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তারমানে আপনি এমন এক সন্তান যার পিতা-মাতা উভয়েই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ক্ষমতায় ছিলেন। আপনার স্ত্রী একজন স্বনামধন্য ডাক্তার। আপনার মতো এমন সৌভাগ্যের অধিকারী হয়ে কয়জন পৃথিবীতে জন্মেছে আমার জানা নেই। কিন্তু আপনার জীবনে আজ বড় ঝড় বয়ে যাচ্ছে। কারণ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যিনি আপনার মা তিনি আজ কারাগারে। তিনি কারাগারে আছেন আজ প্রায় ৬মাস। কিন্তু তার জামিনে মুক্তির কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। তার অনুপস্থিতিতে দল পরিচালনার দায়িত্ব আপনার হাতে অর্পিত হয়েছে। কিন্তু আপনিও দেশে নেই। এমনকি আপনার কোনো বক্তব্য বাংলাদেশের জাতীয় মিড়িয়ায় প্রচার হওয়ার ব্যাপারে আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এছাড়া আপনার বাংলাদেশী নাগরিকত্ব নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। বলা যায় আপনি আজ বাংলাদেশে নিষিদ্ধ। আপনার কিছু বিতর্কিত বক্তব্য এই অবস্থার জন্য দায়ী। যাক সেটা, আপনি যা ভালো মনে করেছেন করেছেন, সেটা ভেবে আর লাভ নেই। মনে হয় আপনার জীবনে এমন জটিল অবস্থা আর আসেনি।
কারাগারে যাওয়ার পর বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে দেশের মানুষকে চিন্তা করতে দেখা যায়। এর কারণ হচ্ছে খালেদা জিয়ার বয়স এবং শারীরিক অবস্থা। এখানে ভাববার বিষয় তিনি এখন সত্তরোর্ধ বয়সের একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী। তিনি অসুস্থ্য একাধিক রোগে আক্রান্ত। গত তিনমাস যাবত দেশের মানুষ শুনছেন খালেদা জিয়া খুব অসুস্থ্য। কিন্তু তিনি যথাযথভাবে চিকিৎসা পাচ্ছেন না। খালেদা জিয়া জেলে থাকলে ক্ষতি ছিলো না। রাজনীতি করবেন অথচ জেলে যাবেন না এটা হতে পারে না। এ প্রসঙ্গে একটা বাণী স্মরণ করতে পারি। সম্প্রতি ২৩শে জুলাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন,“ আমরা রাজনীতি করি। ক্ষমতা আর জেলখানা পাশাপাশি এটা আমরা জানি।” খালেদা জিয়া যেভাবে জীবন যাপন করেছেন সেটা কিছুতেই জেলখানায় পাওয়া যাবে না। জেলখানায় তিনি কী খাচ্ছেন কীভাবে থাকছেন তা সকলেই অনুমান করতে পারেন। তার প্রতিটা দিন প্রতিটা রাত কীভাবে কাটছে তা তিনিই ভালো জানেন। চিন্তার বিষয়, তিনি যে কারাগারে আছেন সেটা অস্বাস্থ্যকর এবং সেইসাথে ভীতিকরও। তিনি কঠিন মানসিক শক্তির অধিকারী বিধায় এমন ভীতিকর কারাগারে গত ৬মাস পার করে দিয়েছেন। অন্য কোনো সাধারণ ব্যক্তির পক্ষে এমন কারাগারে ৬দিনও থাকা সম্ভব হতো না, ভয়েই মারা যেতো।
বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর বিএনপি দলটি কি টিকে থাকবে কিনা সেটাই জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে? এর কারণ জানতে হলে একটু গঠন প্রক্রিয়া বুঝতে হবে। বিএনপি দলটি গঠন করেন সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। জিয়াউর রহমান কোনো রাজনীতিবিদ ছিলেন না। তিনি ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় রাজনৈতিক দল গঠন করেন। যা তার মৃত্যুর পর বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার অবস্থায় ছিলো। কারণ দলটি একজন ব্যক্তির নিজস্ব সম্পত্তির মতো ছিলো। কাজেই ব্যক্তির মৃত্যু পর তার সম্পত্তি ধরে রাখার জন্য অন্য কোনো তৃতীয় ব্যক্তি উপযুক্ত ছিলো না। ফলে আপদকালীন ব্যবস্থা হিসেবে রাজনৈতিক দলটি টিকে রাখার জন্য জিয়া পরিবারের একজন সদস্য প্রকাশ্যে আশা জরুরী হয়ে পড়ে। জিয়ার স্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া তখন কেবলই একজন গৃহীনি। রাজনীতির অ আ ক খ কিছুই তার জানা ছিলো না কিংবা রাজনীতির কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা তার ছিলো না।। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়া এমন শক্ত হাতে দল পরিচালনা করলেন যে, অনেক বাঘা বাঘা রাজনীতিকও তার কাছে ধরাশায়ী হয়ে গেলেন। তিনি প্রমাণ করে ছাড়লেন তিনি একজন যোগ্য রাজনীতিবিদ। তার যোগ্যতা ও দক্ষতায় দল পরপর তিনবার ক্ষমতায় যাওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করে।
দেশের মানুষ খালেদা জিয়াকে নিয়ে যতটা চিন্তিত বিএনপি নেতারা ততটা চিন্তিত বলে মনে হয় না বা তার কোনো প্রতিফলন দেখতে পায় না। বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে তেমন কোনো পরিবর্তন লক্ষ্য যাচ্ছে না। বিশেষত তিনি অসুস্থ্য হওয়ার খবরেও কারো মধ্যে উদ্বেগ উৎকন্ঠা লক্ষ্য করা যায়নি। কারণ কয়েকটি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপি খুব উৎসাহ উদ্দীপনার সাথে অংশ গ্রহণ করে গেছে। প্রতিটাতে হেরে যাচ্ছে তারপরও অংশ নিচ্ছে। এমনকি আমাগীতে রাজশাহী সিলেট ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনেও অংশ গ্রহণ করেছে। তাদের মনে নিশ্চয়ই রং আছে, তাদের মনে নিশ্চয়ই কোনো শোক নেই ব্যথা নেই। তাদেরকে বার বার নির্র্বাচনে ফেল করিয়ে দিচ্ছে দেখেও কেনো এই ‘নির্বাচন মহড়ায়’ অংশ গ্রহণ করা হচ্ছে তা কারোও বোধগম্য নয়। সরকারের অবৈধ নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বৈধতা দেওয়ার জন্য বিএনপি নিজে ঘাটের টাকা খরচ করছে। একবার দু’বার তিনবার দেখেছি কেমন নির্বাচন তারা (সরকার) উপহার দেন। ঢাকা দেখলাম নারায়নগঞ্জ দেখলাম খুলনা দেখলাম গাজিপুর দেখলাম, দেখলাম তারা দেশের মানুষের সাথে নির্বাচনের নামে প্রতারণা করছেন। বিএনপির দায়িত্ব ছিলো জনগণকে জানানো যে, সরকার নির্বাচন নিয়ে বরাবরই প্রহসন করে যাচ্ছে। সব দেখেও বুঝেও কেনো আবার রাজশাহী সিলেট ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনেও বিএনপি অংশ নিতে হবে? বিএনপির কি কিছুতেই শিক্ষা হবে না? সরকার বিএনপির মাথায় কাঁঠাল ভেঙ্গে স্থানীয় নির্বাচন সব বৈধ করে নিচ্ছে। এসবের উত্তর একটাই, বিএনপি এখন কোনো নেতৃত্বের অধীনে নেই। কিংবা বিএনপির নেতাদের মধ্যে সরকারের দালালের অনুপ্রবেশ ঘটেছে।
বিএনপি নেতারা আন্দোলনের মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবেন বলে গলাবাজি করছেন। কিন্তু বিএনপি আন্দোলনের কারিশমা দেখাতে দেখাতে ৬মাস পার করে দিয়েছে। আন্দোলনের কোনো চেহারা জনগণ দেখতে পায়নি। খালেদা জিয়া আর কত মাস-বছর জেলে থাকলে পরে বিএনপি আন্দোলন করবে তা এক আল্লাহই জানেন। তাকে নিয়ে দলের নেতাদের মনে দুঃখ থাকতে পারে তবে তা আপনার মতো হবে না। এখন আপনিই তার একমাত্র সন্তান। আপনিই তার একমাত্র আশা ভরসা। তিনি এ জীবনে স্বামী সন্তান ঘর-বাড়ি সব হারিয়েছেন। শেষ জীবনে এসে যখন মানুষ একটু আরাম আয়েশ করতে চায় তখন তিনি হয়ে গেলেন জেলখানার কয়েদী। অন্যভাবে বললে বলতে হবে, তিনি সব হারিয়ে আজ বদ্ধাশ্রমে থাকছেন। এমন কষ্টের জীবন তিনি ভোগ করবেন তা নিশ্চয়ই কোনো দিন ভাবেননি। আপনি নিশ্চয়ই চান না আপনার মা বৃদ্ধাশ্রমে থাকবেন। সেজন্য সবার চাইতে আপনার মায়ের মুক্তির ব্যাপারে আপনাকেই বেশী ভূমিকা নিতে হবে। আমার এটা বলা অত্যুক্তি হবে যে, আপনি চেষ্টা করছেন না। অবশ্যই আপনি চেষ্টা করছেন, সেটা হয়তো প্রচলিত নিয়মে তথা আন্দোলনের মাধ্যমে কিংবা আইনের মাধ্যমে। এর বাইরে আর কী-বা করার আছে? কিন্তু দেখা যাচ্ছে তথাকথিত আন্দোলন কিছুতেই হচ্ছে না। বিএনপি নেতাদের আন্দোলন করার যদি ইচ্ছা থাকতো তাহলে সেটা খালেদা জিয়া জেলে যাওয়ার পরদিনই শুরু করতেন। সবার জানা, লোহা গরম থাকতে থাকতেই আঘাত করতে হয়। গরম ভাত খেতে যে আনন্দ এবং পুষ্টি সেটা পান্তা ভাতে কি পাওয়া যাবে? আমার বউ মরবে আজ, আমি সময় সুযোগ মতো এক মাস পর কান্না করবো? রাজনীতি করা হয় জনগণের কর্মীদের আবেগ উত্তেজনাকে পুুঁজি করে। দলের চেয়ারপার্সন কারাবন্ধী হওয়ার সাথে সাথে সেদিন কর্মীদের এবং সাধারণ মানুষের মনে যে আবেগ উত্তেজনা বিরাজ করেছিলো সেটা কি এতোদিন পর আছে? দেশের সবচেয়ে বড় পাগলটাও বলবে নাই। একে বলে সময়ের এক ফোঁড় অসময়ের দশ ফোঁড়। আইনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চেষ্টা করেও বার বার ফেল করছেন। এতে বুঝা যাচ্ছে, এ সরকারের সময়ে বেগম খালেদা জিয়া কোনোদিন জেল থেকে বের হতে পারবেন না, এটা অকাট্য সত্য।
বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্য আপনার পিতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান আকাশ ছোঁয়া। জিয়া বাংলাদেশের মানুষের কাছে কেমন প্রিয় তা দেখেছি তার মৃত্যুর পর। দেশের মানুষ অঝোরে কেঁদেছে। জিয়ার সততা এবং দেশপ্রেম নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। মানুষ বিএনপিকে ভালোবাসে জিয়ার প্রতি ভালোবাসার কারণে। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্য আপনার কোনো অবদান নেই। তবে জিয়া পরিবাবের সন্তান হওয়ার কারণে আপনি রাজনীতির প্রতিহিংসার শিকার হয়ে কঠিন অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করেছেন। আপনার রাজনৈতিক মেধা যারা অনুধাবন করতে পেরেছে তারা আপনাকে বাঁচিয়ে রাখতে চায়নি। কিন্তু আল্লাহর মেহেরবানীতে আপনি বেঁচে আছেন এবং বিএনপিকে পরিচালনা করছেন। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্য আপনার মাতা বেগম খালেদা জিয়ার অবদান অপরিসীম। এখন বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে রয়েছেন। তিনি বার্ধক্যে উপনীত হয়েছেন এবং খুব বেশী অসুস্থ্য। তার একমাত্র সন্তান আপনি লন্ডনে অবস্থান করছেন। এবং আপনি কোনো দিন দেশে ফিরে আসতে পারবেন তারও কোনো নিশ্চয়তা নেই। আবার সংবিধান মোতাবেক নির্বাচনের পদ্ধতি অনুযায়ী আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোনো দল ক্ষমতায় আসার কথা কল্পনাও করা যাবে না। মাত্র ৬মাস পর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এরমধ্যে একদিনের জন্যও বেগম খালেদা জিয়া কারাগার থেকে বের হওয়ার কোনো লক্ষণ নেই কারণ নেই যুক্তিও নেই। মাঠে যেহেতু বিএনপি থাকবে না সেহেতু নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয় লাভ করবে এতে সন্দেহের অবকাশ নেই। তারমানে খালেদা জিয়াকে কারাগারেই বাকী জীবন কাটাতে হবে। আল্লাহ পাক ভালো জানেন, তবে অনুমান করা যায় খালেদা জিয়া এভাবে জীবন যাপন করলে বেশী দিন বাঁচতে পারবেন না। অনুমান করা যায়, খালেদা জিয়ার কিছু হলে আপনি চোখের দেখাও দেখতে পারবেন না। তারমানে সংকট এমন যে বিএনপি দলটি পরিচালনার জন্য নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য জিয়া পরিবারের কেউ থাকবে না। আর জিয়া পরিবারের কেউ দলের নেতৃত্বে না থাকলে বিএনপি বিলুপ্ত হতে বাধ্য। ঠিক এটাই হচ্ছে রাজনীতির ভবিষ্যৎ চিত্র।
বিএনপির নেতারা এখন যেভাবে দলের জন্য রাজনীতি করছেন তা নিতান্ত সময় পার করছেন। আসলে মালিক না থাকলে শ্রমিক যেমন কাজে ফাঁকি দেয় তেমনি নেতা না থাকলে কোনো রাজনৈতিক দল টিকে থাকে না। বিএনপি এখন খালেদা জিয়া বেঁচে আছেন বিধায় দল হিসেবে টিকে আছে। ইতোপূর্বে বিএনপি কয়েকবার ভাঙ্গনের কবলে পড়ে। বেশ কয়েকজন বড় মাপের নেতা বিএনপি ছেড়ে ভিন্ন দল করেছে। এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, নাজমুল হুদা, কর্ণেল অলি নিজেদের আলাদা দল গঠন করেছে। যা বিএনপির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। বিএনপি নেতা কর্মীরা মাঝে মাঝে জাগ্রত হয়। সর্বশেষ গত ২০শে জুলাই বিএনপি পল্টনে একটা মহাসমাবেশ করে। সমাবেশ থেকে ঘোষণা আসে, ‘খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে নির্বাচন হবে না’। এমন কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়ে বিএনপি শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকবে বলে আশা করা যায় না। নির্বাচনের সিডিউল ঘোষণা করা হলে দেখা যাবে সবাই আখের গোছাতে থাকবে। কথায় বলে নিজে বাঁচলে বাপের নাম। খালেদা জিয়া বাঁচলে বিএনপি বাঁচবে। আজ যা কিছু সিদ্ধান্ত আপনাকেই নিতে হবে। আপনি নমনীয় হলে অনেক অসম্ভবকে সম্ভব করা যাবে। রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই বলে একটা প্রবাদ চালু আছে। আপনি আপনার মেধা ও প্রজ্ঞা দিয়ে এই চরম মুহুর্তে করনীয় ঠিক করবেন আশাকরি।
একজন শিক্ষার্থী সারা বছর পড়ালেখা না করলে পরীক্ষার কয়েকদিন আগে কেবল বইয়ের পাতা উল্টাতে থাকে। সে কিছুই ঠিক করতে পারে না কী পড়বে। বড় অস্থিরতার মধ্যে সময় পার করে। আজ বিএনপির দিকে তাকালেও একজন ফাঁকিবাজ ছাত্রের মতো মনে হয়। তাই বিএনপির একজন সুহৃদ হিসেবে আপনার নিকট আমার কিছু অপরিপক্ক অভিব্যক্তি প্রকাশ করলাম। আশাকরি আমার ভুল ক্ষমা করবেন। আপনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।
লেখক : কলামিস্ট, আবৃত্তিকার ও নজরুল গবেষক
arzufeni86@gmail


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ

সংবাদটি পড়া হয়েছে 1312 বার