হতাশ? কেনো?

Pub: বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৮, ২০১৮ ১১:৩৮ অপরাহ্ণ   |   Upd: বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৮, ২০১৮ ১১:৩৮ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সামছুল আলম : যার যা কাজ, সে তা করেছে। শিডিউল ঘোষণা করা নুহু-হেলালদের কাজ। ওরা সেটাই করেছে। এটা সাংবিধানিক সিস্টেম। কিন্তু ওরা কি আর জানে ওদেরও বাড়ি যেতে হবে। সিইসিকে সরাতে সেই শ্লোগান- আইজ্যারে আইজ্যা, বাইয্যা বাইয্যা!

শিডিউল দিলেই নির্বাচন হয়ে যায় না। অতীতে এমন শিডিউল দিয়েও অনেক নির্বাচন হয়নি বা পিছিয়েছে। এবারও হবে বলে মনে হয় না। তাই শিডিউল ঘোষণা শুনেই হতাশায় পড়ার কিছু নাই। আগে থেকেই বলে আসছি, দেড় মাসে নির্বাচন হয়; আজ ৮ তারিখ, ঠিক ৪৫ দিনের মাথায় ভোটের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর! এই ৪৫ দিনের মধ্যে মাত্র ৭ থেকে ১০দিন আন্দোলন করলে, রাজপথ উত্তাল হলে- হয় নির্বাচন বাতিল হবে, নয়তো ১/১১র মত সরকার আসবে। এই তো ফল।

সংলাপ সফল হলে হয়ত দেশে একটি ভালো নির্বাচন হতো। কিন্তু আ’লীগ জানে, তার ফলাফল কি হতে পারে- তারা হবে ইতিহাসের সবচেয়ে ক্ষুদ্র বিরোধী দল। আর যদি সরকারের পছন্দমত নির্বাচনে রাজী তো ফ্রন্ট, তবে আবার ৫ বছরের জন্য আ’লীগকে লাইসেন্স দেয়া হতো। যেটি অসম্ভব।

দেশের স্বাধীনতার ইতিহাস স্মরণ করা যাক- ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ যখন জাতীয় পরিষদের অধিবেশন বাতিল করলো ইয়াহিয়া, সারা দেশ তাকিয়ে ছিল সংসদ বিজয়ী পার্টি আ’লীগের দিকে- কি ঘোষণা আসে- তখন স্বাধীনতার দাবীতে উত্তাল রাজধানী- ৭ মার্চের জনসভায়ও ঘোষণা অাসেনি- জনতার দাবী উপেক্ষা করে শুরু হলো ক্ষমতা ভাগাভাগির আপোষ বৈঠক- বৈঠক সফল হয়েছিল বটে, কিন্তু কথা রাখেনি ইয়াহিয়া- জনতার উপর আক্রমন করলো- আর সেটা পরিণত হলো গণযুদ্ধে- দেশ স্বাধীন হলো।

এবারে সংলাপ সফল হয়নি বটে, লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড না করেই একতরফা শিডিউল ঘোষণা করা দেশ সংঘাতে পথে গেলো। এখন সরকার চেষ্টা করবে পুলিশ-র‌্যাব ব্যবহার করে ধরপাকড়ের মাধ্যমে জোরজরদস্তি করে নির্বাচন করতে! তারা মনে করতেই পারে, কোনো মতে ২৩ তারিখ পার করতে পারলেই ফের ৫ বছরের লাইসেন্স, পাবলিক ভোট দিক বা না দিক!

তবে ঐক্যফ্রন্ট এবং বামদলগুলিও বসে থাকবে না। নির্বাচন ভন্ডুল করতে কি কি করতে হয়, তা তাদের জানা আছে। ঐক্যফ্রন্টে অনেক বুদ্ধিমান পলিটিশিয়ান আছে, যারা রাস্তা বের করে ফেলবে বলে আমার বিশ্বাস। তাই অধৈয্য না হয়ে দেখা যাক, কি ঘোষণা আসে।

খুব গুরুত্বপূর্ন ব্যক্তিরা বলছেন, এবারে আর ৫ই জানুয়ারির মত ভোট হবে না। দেশী বিদেশী প্রভাবশালীরা এটা হতে দিবে না। বিরোধী শিবির থেকে মাত্র ৭ থেকে ১০ দিনের কর্মসূচি দিলে নির্বাচন বন্ধ হয়ে যেতে পারে, এমনকি সেনাসমর্থিত সরকার আসতে পারে, আভাস দিচ্ছে সংশ্লিষ্টরা। দু’দিকেই হিসাব কিতাব চলছে। এমুহূর্তে বিরোধী দলের চেয়ে সরকার বেশী আতঙ্কে আছে, কেননা তারা আছে জনতার ঘেরাওয়ের মধ্যে।
See Less


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ

সংবাদটি পড়া হয়েছে 1105 বার