ভোট প্রত্যেকটা জনগনের মৌলিক অধিকার

Pub: মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১১, ২০১৮ ৭:৪২ অপরাহ্ণ   |   Upd: মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১১, ২০১৮ ৭:৪২ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

যুক্তরাজ্য থেকে তাজুল ইসলাম: ভোট হচ্ছে একটি দেশের জনগনের অন্যতম গণতান্ত্রিক অধিকার। নির্বাচন মনেই ভোটারদের মাঝে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করার উৎসব এখন সেটা যে নির্বাচনই হোক না কেন। তবে স্থানীয় নির্বাচন থেকে জাতীয় নির্বাচনে সাধারন জনগনের উৎসাহ একটু বেশি থাকে।একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আমেজ যখন ছরিয়েছে সেই মুহুর্তে চলছে প্রার্থী এবং দলগুলোর নেতাদের মধ্যে দৌড়ঝাঁপ।অতীতের সব উত্তেজনাকে পেছনে ফেলে এবারের নির্বাচনে যেন শ্বাসরুদ্ধকর উত্তেজনা বিরাজ করছে, প্রার্থীরা ছুটছে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে নিজেদের সমর্থন লাভের আশায়।নির্বাচনের আমেজ শুধু শহরে কিংবা নির্দিষ্ট কিছু জায়গাতে সীমাবদ্ধ থাকে না ছরিয়ে পরে চায়ের দোকান থেকে শুরু করে হাট বাজার অফিস আদালত সবখানেই চলছে ভোটের জল্পনা কল্পনা।নির্বাচনের গরম হাওয়াতে গ্রামের সেই খেটে খাওয়া মানুষগুলোর গুরুত্ব ও মর্যাদা কিন্তু বেরে যায়। তবে সময় পাল্টেছে, পাল্টেছে মানুষ সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে এখন গ্রামের সাধারণ মানুষগুলো আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন।তারা নিজেদের ভাগ্য নির্ধারণ করতে যেমন ব্যালট দিয়ে জবাব দিতে জানে তেমনি তারা জানে তাদের যোগ্য প্রার্থী বাছাই করে নিতে। সাধারন জনগনের ভোটে নির্বাচিত হয়ে যখন একটা দল সরকার গঠন করে তখন আমাদের বলতে বাঁধা নেই জনগনই হচ্ছেন রাষ্ট্রের মূল মালিক এবং এই জনগনের মঙ্গল চিন্তা করাই হবে রাষ্ট্র পরিচালকের মূল কাজ। নির্বাচনের দিন যতই এগিয়ে আসে, ততই কিন্তু উত্তেজনা বাড়তে থাকে। কাজেই নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক পরিবেশ যাতে স্থিতিশীল থাকে সেদিকে সব দলকেই সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। আমরা চাইনা মারামারি হনাহানি আমরা চাই শান্তিপূর্ণ একটা নির্বাচন দেখতে চাই জনগন কাকে দিতে চায় পরবর্তী পাঁচ বছরের রাষ্ট্রভার। জাতীয় নির্বাচন নিয়ে দেশে যেমন সাজ সাজ রব, যেমন উত্তাল করা নির্বাচনী হাওয়া, তেমনি মন উত্তাল করা নির্বাচনী উষ্ণ হাওয়া আছড়ে পড়েছে সাত সমুদ্র তোর নদীর ওপারে।প্রবাসের বাংলাদেশীরা কাজের ফাঁকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে সমর্থনের পাশাপাশি নির্বাচনের খবর সংগ্রহে ব্যস্থ সময় পার করছেন। অতীতের সব উত্তেজনাকে পেছনে ফেলে যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশী কমিউনিটিতে শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশ, সবার মুখে একটা কথা কে আসছেন জনগনের ভোটে নির্বাচিত হয়ে আগামীতে নতুন রুপে বাংলাদেশকে সাজাতে।গনতান্ত্রিক দেশে একটা সুষ্ট নির্বাচন কেবল প্রমান করে সেই দেশটা কতটুকু গনতান্ত্রিক। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে বেঁচে থাকে একটা স্বাধীন দেশের গণতন্ত্র। গনতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নির্বাচনকালীন সময়ে জনগনের মূল অভিবাকের দ্বায়িত্ব পালন করে নির্বাচন কমিশন। যে ধরনের নির্বাচনী ব্যবস্থা্‌ই অনুসরণ করা হোক না কেন তাতে জনগণের অবাধ-ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোটের মাধ্যমে জনগণের প্রকৃত ইচ্ছা ও মতামতের প্রতিফলন নিশ্চিত করাই হবে নির্বাচন কমিশনের মূল কাজ। সবার অংশগ্রহণমূলক একটি সুষ্ঠু নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার জন্য খুব প্রয়োজন। সাধারন জনগনের মাঝে ভোটের যে উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে সেটা যেন সুস্থ প্রতিযোগিতার মধ্যেই থাকে। এইক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত দের দ্বায়িত্ব হচ্ছে প্রশাসন, পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষতা ও লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা। যাতে করে সব প্রতিযোগী নির্ভয়ে তাদের রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন।আমার বিশ্বাস বর্তমান নির্বাচন কমিশন স্বচ্ছতার ওপর নির্বাচন পরিচালনা করে জনগনের মৌলিক অধিকার আদায়ে সচেষ্ট ভুমিকা পালন করবেন।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ

সংবাদটি পড়া হয়েছে 1248 বার