কেমন আছে প্রিয় মাতৃভুমির মানুষেরা?

Pub: রবিবার, ডিসেম্বর ২৩, ২০১৮ ৯:৫০ অপরাহ্ণ   |   Upd: রবিবার, ডিসেম্বর ২৩, ২০১৮ ৯:৫০ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

যুক্তরাজ্য থেকে তাজুল ইসলাম: প্রবাস জীবনের চলমান ধারায় অনেক ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও কিছু অদৃশ্য কারণে হয়তো অনেকেই বসবাস করছি মা, মাটি আর প্রিয় মানুষগুলোর থেকে হাজার কিলোমিটার দুরে,কিন্ত মন পড়ে থাকে এই দুঃখিনী বাংলায়,আমার সোনার বাংলার মাটিতে বাংলার রূপে।প্রবাসের সেই মানুষগুলোর কষ্ট সত্যি অন্যরকম যেন নিঃসঙ্গ এক জীবন যাত্রা। না পারে দেশে গিয়ে নিজেদের পুরোপুরি মানিয়ে নিতে, না পারে প্রবাস জীবনকে নিজের ভালোবাসা বিলিয়ে দিতে। প্রবাস জীবনের প্রত্যেকটা মানুষগুলোর মধ্যে খুঁজে বেড়ায় নিজের আপনজনের ছায়া। অক্লান্ত পরিশ্রম আর নির্ঘুম রাত কাটিয়ে অপেক্ষায় থাকি প্রিয় জন্মভুমির মানুষগুলোর মুখের হাসি দেখবো বলে।কিন্তু কেন জানি তা অনেক সময় সম্ভব হয় না। নির্বাচনের আমেজ শুধু দেশে বিরাজমান নয় এটা বিরাজ করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বাংলাদেশী মানুষের মাঝেও।এবারের জাতীয় নির্বাচনে যা দেখতেছি মনে হয় আমাদের পাড়া প্রতিবেশি বন্ধু বান্ধবরা নিজের দেশে বসবাস করছে রুহিঙ্গা হিসেবে। অবস্থা দেখে মনে হয় এ যেন কোন উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ। নিজেদের ঘর বাড়ি মা বাবা স্ত্রী সন্তান থাকার পরও গ্রেফতার নির্যাতন এরাতে রাত কাটাতে হয় অন্যের ছাদে নয়ত নির্জন কোন এক জঙ্গলে। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ আর এক সাগর রক্ত ঝরিয়ে অর্জন, তারপর অতি আদরে রাখা নাম বাংলাদেশ। স্বাধীনতা অর্জন করতে গিয়েই সেদিন ঝরেছিল লক্ষ লক্ষ প্রাণ আর কলঙ্কের বোঝা মাথায় নিয়েছিল দু লক্ষ মা-বোন। এত ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন দেশের সন্তানরদের আজ এ অবস্থা কেন? আমরা কি সত্যিই এমন একটা বাংলাদেশ চেয়েছিলাম? কোথায় আজ গনতন্ত্র? গনতন্ত্রই যদি আছে তাহলে কেন গনতন্ত্রের সম্পূর্ন বিপরীত মুসোলিন, হিটলার আর স্বৈরাচার নামটাই উচ্চারিত হবে স্বাধীন বাংলাদেশের গনতন্ত্রকামী মানুষের মুখে? পৃথিবীর সভ্য মানুষগুলো যখন একনায়কতান্ত্রিক মতবাদগুলোর সম্পূর্ন বিরোধী তখন কেন আমাদের ক্ষমতালোভী শাসক গোষ্ঠী এগুলোকে আকড়ে থাকতে চায়? প্রবাসের শত কষ্ট বুকে লালন করে নিজের মনকে হাল্কা করতে ফোনে প্রতিবেশী আত্বীয় স্বজন এবং প্রিয় বন্ধু বান্ধবের সাথে হাসি মুখে কথা বলতে পারি না তাদের কথার ধরন এবং দোয়ার আকুতিতে বুঝা যায় যেন কথা বলছি যুদ্ধ বিধ্বস্থ কোন একটা দেশে। আরো কষ্ট হয় যখন দেখি আগামীর সম্ভাবনাময় ভাই/ভাতিজা লেখাপড়া শেষ করে সঠিক জায়গায় ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ পায় না, ঘুরে বেরায় চাকরির আশায় রাজনীতিবিদদের দরজায়। কারো হয় ঘুষের টাকায় আবার কারো হয় একটা দলের রাজনীতির খোঁচায় আবার অনেকেই কিন্তু অবাদে নাম তুলতে বাধ্য হয় শিক্ষিত বেকারে খাতায়।আমাদের রঙিন স্বপ্নগুলো রংহীন বাস্তবতায় হারিয়ে যেতে দেবো না সময় হয়েছে এবার নির্বাচনে নিজের ভোট প্রয়োগ করে নিজেদের ভাগ্য বদলাবার। জেল জুলুম, বন্দুকের নলায় মানুষের তাজা জীবন, ঘুষ, দুর্নীতি, সন্ত্রসী হামলা করে নির্বিচারে মানুষ হত্যা, ব্যভিচার, অন্যের অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাহীনতা, এবার সময় এসেছে আমাদের ব্যালটের মাধ্যমে এগুলোর বদলা নিবার।সবার ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে যদি দেশে জনগনের সরকার প্রতিষ্ঠা পায় তাহলেই হয়ত দেশের শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা কমে যাবে। কমে যাবে হিংসা বিদ্ধেষ হানাহানি বন্ধ হবে নির্বিচারে মানুষ হত্যা আর সন্ত্রাস। শিক্ষিত যুবকেরা সমাজে অভিশাপ না হয়ে আর্শীবাদেই পরিনত হবে, উন্নত হবে একটা জাতি একটা রাষ্ট্র।নানা মত পার্থক্য আমাদের মধ্যে থাকতে পারে, কিন্তু এ দেশ আমাদের জন্মভূমি, এদেশ রক্ষার দ্বায়িত্ব আমাদের সবার। আসুন দেশ ও মানুষের বিরুদ্ধে ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে আপনার ভোট হোক গনতন্ত্রের পক্ষে স্বৈরাচারের বিপক্ষে। কবিতার ভাষায় “আমরা যদি না জাগি মা কেমনে সকাল হবে” আমাদেরকে জাগতে হবে আমরা জাগলে সবাই জাগবে, জাগবে বাংলাদেশ।ফিরে আসবে গনতন্ত্র মুক্ত হবে গনতন্ত্রের মা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। বদলে যাবে বাংলাদেশের ভাগ্য ফিরে আসবে স্বাধীন বাংলার গনতন্ত্র, গড়ে উটবে দুর্নীতিমুক্ত সোনার বাংলাদেশ।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ

সংবাদটি পড়া হয়েছে 1139 বার