fbpx
 

ছাএদলের নতুন কমিটি নিয়ে তারেক রহমানের কাছে খোলা চিঠি

Pub: শনিবার, এপ্রিল ২৭, ২০১৯ ১:৩৩ অপরাহ্ণ   |   Upd: শনিবার, এপ্রিল ২৭, ২০১৯ ১:৩৩ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

কেন্দ্রীয় ছাত্রদল কমিটি সারাদেশব্যপী জেলা ও মহানগর ঢাকার প্রতিটি কমিটির সুপার ফাইভ ভোট দেওয়ার সুযোগ দিতে হবে….

ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠা : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল মহান স্বাধীনতার ঘোষক
রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা সার্কের স্বপ্নদ্রষ্টা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান
১৯৭৯ সালের ১লা জানুয়ারি শিক্ষা★ঐক্য★প্রগতি
এই তিনটি মূলনীতি কে ধারণ করে ১০১ জন মেধাবী ছাত্র নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল প্রতিষ্ঠা
করা হয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে হাটি হাটি পা করে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল দক্ষিণ পুর্ব বাংলার সবচেয়ে জনপ্রিয় ছাত্র সংগঠন হিসেবে রুপ লাভ করে।।

ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা ও জাতীয়তাবাদী দলের উপর ষড়যন্ত্র ঃ

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যখন এই দেশকে সিপাহি জনতার বিপ্লবের মাধ্যেমে তলাবিহীন জুড়ি থেকে স্বনির্ভর দেশ হিসেবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন ঠিক সে সময়ে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ধংস করার জন্য বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি,জিয়াউর রহমান ১৯৮১ সালের ৩০শে মে দেশের দক্ষিণ-পূর্বের বন্দর নগরী চট্টগ্রামে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একদল অফিসার কর্তৃক নিহত হন। জিয়াউর রহমান তার রাজনৈতিক দলকে বিএনপিকে সংগঠিত করতে চট্টগ্রামে যান। ৩০শে মে রাতে একদল অফিসার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ অধিকার করে জিয়াউর রহমান সহ আরও কয়েকজনকে গুলি করে। যার ফলশ্রুতিতে, জিয়াউর রহমান শহীদ হন।

সম্পাদনাঃ

৩০শে মে’র ঘটনাপ্রবাহ

৩০শে মে ভোরে জিয়া চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে অবস্থান করছিলেন। ভোর ৪টায় সেনাবাহিনীর অফিসারদের তিনটি দল চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ আক্রমণ করে। এ আক্রমণে সৈন্যরা অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত থাকায় ১৬ জন অফিসার জড়িত ছিলেন। তাদের এগারটি সাবমেশিন গান, তিনটি রকেট লাঞ্চার এভং তিনটি গ্রেনেড ফায়ারিং রাইফেল ছিল। আক্রমণ কারীদের সকলেই ছিলেন কমিশন প্রাপ্ত অফিসার।

আক্রমণকারী দলের মূল হোতা লে. কর্নেল মতিউর রহমান, লে. কর্নেল মাহবুব, মেজর খালেদ, এবং লে. কর্নেল ফজলে হোসেন সার্কিট হাউজে রকেট নিক্ষেপ করে ভবনের দেয়ালে দুটি গর্ত সৃষ্টি করার মাধ্যমে আক্রমণ শুরু করেন। এরপর অফিসাররা কক্ষগুলোতে জিয়াউর রহমানকে খুঁজতে থাকেন। মেজর মোজাফফর এবং ক্যাপ্টেন মোসলেহ উদ্দিন সর্বপ্রথম জিয়াকে খুঁজে পান। মোসলেহ উদ্দিন জিয়াকে জানান যে, তাকে তাদের সাথে সেনানিবাসে যেতে হবে। এরপর কর্নেল মতিউর রহমান আরেকটি দল নিয়ে উপস্থিত হন এবং জিয়াউর রহমান কে অনেক কাছ থেকে একটি এসএমজি দিয়ে গুলি করেকিন্তু সেই সময় এই ববদরুদ্দোজা চৌধুরী পাশের রুমে অক্ষত ছিল।

শোকাহত খালেদা জিয়া রাজনীতিতে পদার্পণ ঃ
গত শতকের আশি দশকের প্রথম দিকে স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পরই বিএনপির হাল ধরেন গনতন্ত্রের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
উনি একেবারে গৃহিণী থেকে রাজনীতিতে উঠে আসেন তিনি। বিএনপির জনভিত্তি তৈরি হয় খালেদার হাত ধরেই। এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার পর ১৯৯১ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হয়।
৯০ই এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদলের ভূমিকা তৎকালীন ডাকসু জিএস ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-আহবায়ক খায়রুল কবির খোকন এর নেতৃত্বে। কিছু স্কুল কলেজের ছাত্রসহ একটি মিছিল মসজিদ সংলগ্ন গেট দিয়ে মধুর ক্যান্টিনের ধিকে আসতে থাকে, সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের সকল নেতাই মধুর ক্যান্টিন ও তার আশেপাশেই ছিলেন।
মিছিলটি আইবিএ ভবনের পাশ দিয়ে কলা ভবন অতিক্রম করার সময় কলা ভবন থেকে সাধারণ ছাত্রছাত্রীরাও যোগ দেয় ঐ মিছিলে । পরে মল চত্বর এর আগে বামে মোড় নিয়ে কলাভবনের অপরাজেয় বাংলার মোড়ে গিয়ে সমাবেশ শুরু করে।
এই সময় সমাবেশের পাশ দিয়ে একটি এ্যাম্বুলেন্স ও দুটি মাইক্রোবাস অতিক্রম করে। ভিতরের মুখগুলো ছিল সবই পরিচিত চিহ্নিত সন্ত্রাসী।

সমাবেশে ২/৩ জন ছাত্রনেতা বক্তৃতা দেয়ার পর আবার মিছিল সহকারে মধুর ক্যান্টিনের সামনে দিয়ে লেকচার থিয়েটারের মাথায় গেটের কাছে আসতেই এরশাদের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী অভি গ্রুপ মিছিলের উপর গুলি বর্ষণ শুরু করে।
প্রথমে মিছিলটি ছত্রভঙ্গ হলেও সাথে সাথে পাল্টা আক্রমণ শুরু হয়। সন্ত্রাসীরা সূর্যসেন হলে অবস্থান নেয় ও সেখান থেকে গুলি বর্ষণ করতে থাকে।
সেই সময় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের তৎকালীন জহুরুল হক হলের জিএস মাসুম আহমেদের নেতৃত্বে একটি গ্রুপ ভিসি অফিসের সামনে অবস্থান নিয়ে সূর্যসেন হলের দিকে পাল্টা আক্রমণ করে অগ্রসর হতে থাকে। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মালেক-রতন মল চত্বরের কড়ই গাছকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে পাল্টা
আক্রমণ করে অগ্রসর হতে থাকে।
এইভাবে সফলতা আসে!

মূলকথা ছাত্রদলের পতাকাতোলে আসাঃ ২০০১ সালে এস এস সি পাশ করে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের উচ্চমাধ্যমিক শাখায় ভর্তি হই।ভর্তি হয়েই ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নিজাম উদ্দিন কায়সারের হাত ধরেই ছাত্রদলের পতাকা তলে আসি,

২০০১-২০০৫ সাল ক্যাম্পাসে ছাত্রদল ঃ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শত বর্ষের ঐতিহ্যে লালিত এই কলেজে তখন প্রায় ২০০০০ হাজার ছাত্রছাত্রী যে কাম্পাসে ছাত্রদল,ছাত্রলীগ, ছাত্রশিবির সবাই সহ অবস্থানে ছিলো শুরুতেই সাংগঠনিক কাজ করার কারনে উচ্চমাধ্যমিক ক্লাস কমিটির সভাপতি হই।
তারপর হিসাব বিঃ ভর্তি হয়ে আবার ক্লাস কমিটির সভাপতি হই, এইভাবে প্রতিদিন ছাত্রদলের পতাকাতলে আসার শুভেচ্ছা দিতে দিতে বিএনপির সরকারের মেয়াদ শেষ পর্যায়ে ২০০৫ সালে। কলেজ ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক হই।
এবং পরে ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ন আহবায়ক
তারপর সিনিয়র যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক হই

সুযোগসন্ধানীর দখলে জাতীয়তাবাদী দলঃ খালেদাজিয়া নির্জন কারাগারে বন্দী আইনজীবীদের ক্ষপ্পরে পড়ে বাড়ি হারায় ১/১১ নির্যাতনের কারনে আরাফাত রহমান কোকো মারা যায়😭

জোট সরকারের শেষ দিকে এসে দেশের সৃষ্টি হয় আওয়ামীলীগের নৈরাজ্য!
তারপর সবার জানা লগি বৈঠার মাধ্যেম বাংলাদেশে ১/১১ সরকার আসে, তারপর আবার আসে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পরিবারের উপর নির্যাতন একে একে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকো কে কারাগারে নেওয়া এবং জাতীয়তাবাদী শক্তি নেতাকর্মীদের উপর নির্মম নির্যাতন।
ঠিক সে সময়ে দলের কিছু মীরজাফর তারা সংস্কারপন্থী হয়ে কাজ করে!
১/১১ কুমিল্লায় অনেক নেতাই ছিলো আত্নগোপন সেই সময় দলের জন্য প্রেস বিজ্ঞতি কাজ করি,
তারপর আসে ২০০৮ সালের নির্বাচন লেঃ কর্নেল আকবর হোসেনের মৃত্যুর পর কুমিল্লা বিএনপি ৪ দ্বারায় বিভক্ত হয়।
তারপরও দলের প্রয়োজনে কাজ করি।
শেখ হাসিনা, মঈন উদ্দিন ও ফখরু উদ্দিনের সমজোতার মাধ্যেমে ডিজিটাল কারচুপির নামে বিএনপি কে কৌশলে হারিয়ে আওয়ামিলীগ কে ক্ষমতায় বসায়
যার মুলকারিগর ছিলো ভারতের,
আমরা আওয়ামীলীগের ক্ষমতার সাথে সাথে দেখি বিডিআর বিদ্রোহের নামে ৫৭ জন আর্মি অফিসার কে নির্মম ভাবে হত্যা করে।
তাদের প্রথম মিশন পুরুন করে
শুরু হয় এক অন্যরকম জীবন!
এই দল ছেড়ে তখন দেখি অনেক কে জীবীকার তাগিদে দল ত্যাগ করে
আবার যারা বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে কোটিপতি তারা নিরাপদ দুরুত্বে চলে যায়।
কিন্তু শুরু হয় সরকার বিরোধী আন্দোলন সারাদেশ ব্যাপী নেয় কুমিল্লাও হরতাল,অবরোধ বিক্ষোভ প্রতিটি মিছিলে আগের দিন মাইকিং আবার উত্তপ্ত রাজপথে স্লোগান।
এই সব কিছুর মাঝে আশা একটাই ছিলো জাতীয়তাবাদী শক্তি ক্ষমতা ও দল থেকে মুল্যায়ন।
২০১১ সালে বাবা মারা যাওয়ার পরও দল ছাড়িনি,
কারণ এই জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল হ্রদয়ে লালন করেছি
এত কিছুর মাঝেও শত প্রতিকূলতার মাঝেও হিসাব বিঃ থেকে অনার্স মাস্টার্স সম্পন্ন করি।
দলের নীতিনির্ধারণী মুখের বানী ছিলো যারা কাজ করবে তারাই মুল্যায়িত হবে।
১/১১ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত কুমিল্লার রাজপথে প্রতিটি আন্দোলনে ছিলাম দলের জন্য কাজ করেছি
আমি একা না যারা ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্রদল ও কুমিল্লার ছাত্র রাজনীতি করেছে অনেকের আছে একযুগ ত্যাগের ইতিহাস।
এরই মধ্যে সারাদেশব্যপী গুম,খুন,ক্রসফায়ার গ্রেফতার নির্যাতন জাতীয়তাবাদী শক্তিকে নিঃশেষ করাই সরকারের মুল লক্ষ্যে

যাদের কে শ্রদ্ধার সাথে স্বরন করি!

তারেক রহমান কে নির্বাসিত করে এই সুযোগে তারেক রহমানের নাম ভাঙ্গিয়ে এই দল কে নিঃশেষ করার জন্য একটি চক্র নিয়ন্ত্রণে সরকারের ইশারায় চলে দল!

যারা গুম হয়েছে ★এম এ ইলিয়াস আলী

★প্রয়াত মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার
★মরহুম আরাফাত রহমান কোকো
★প্রয়াত সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী(সাকা চৌধুরী)
★প্রয়াত হান্নান শাহ
★প্রয়াত নাসির উদ্দিন পিন্টু

★চৌধুরী আলম
★হীরু,
পুরাতন ঢাকার ছাত্রদলের ইসহাক সরকার এর আপন ভাতীজা, সোহেল(চাচা সোহেল)সহ একই ওয়ার্ড এর তার সহযোগী সহযোদ্ধা পারভেজ,জহির,চঞ্চল,পিন্টু, সম্রাট,সোহেল সহ আরও অনেকে।
যারা আপোষ করেনি তাড়া দীর্ঘদিন কারাগারে আছেন তাদের মধ্যে, হাবিবুন্নবী খান সোহেল,
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু,
ইসহাক সরকার সহ অনেকেই
এই সরকারের কাছে যারা প্রতিবাদী তারাই নির্যাতিত!

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আপনি মহান স্বাধীনতার ঘোষক রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জোষ্ঠ পুত্র তারেক রহমান

এইবার আসি মুল কথা!

আপনি আগামী দিনের রাষ্ট্র নায়ক
আপনার নেতৃত্ব দল এগিয়ে যাবে।
আপনাকে খুব কাছ থেকে দেখেছি ২০০৬ সালে চট্রগ্রাম বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলন কক্সবাজার।
প্রিয় নেতা তারেক রহমান আপনার কাছে সে সময় ৬৪ জেলার নেতাকর্মীদের বায়োডাটা ছিলো,
আপনি মেধাবী, ষড়যন্ত্র কারীদের ষড়যন্ত্রের কারনেই আজ আপনি নির্বাসিত।
কিন্ত আপনি কি জানেন?
এই দলে কিছু কুলাঙ্গার যারা আপনার নাম বিক্রি করে টাকা খাই। নমিনেশন পদ সহ বিভিন্নভাবে বানিজ্য করে দলটাকে শেষ করছে???
আমার মত লক্ষ তরুন আজ পরিবারের বোজা!
যারা আজ মানবতার জীবন যাপন করছে।
আপনি দলকে ঢেলে সাজাবেন বলে অনেকের সিভি নিচ্ছেন!
ভালো কথা কিন্ত তা কি শুধু জেলা মহানগর সভাপতি সাধারণ সম্পাদক এরই।
আপনি কি জানেন
আপনার নাম ভাঙ্গিয়ে, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ক্যাশ #আকরাম, আর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি #মামুন! কুমিল্লা জেলা মহানগর কমিটি করতে ২৬ লক্ষ টাকা নিয়েছে?
যার অর্থ যোগান দাতা লাকসাম মনোহর গুঞ্জ ও সদরের একজন নেতা!
যাক তাহলে আমাদের কি অপরাধ?
এই টাকার কারনে আমি অবমুল্যায়িত
তারপরও যার প্রচেষ্টায় কুমিল্লা ছাত্র ও যুবদলের অভিভাবক কুমিল্লা মহানগর যুবদলের প্রতিষ্ঠা কালীন সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপুর সঠিক নেতৃত্ব কুমিল্লা জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হই। এইভাবে আমি বলতে পারি বাংলাদেশের যতগুলো কমিটি হয়েছে প্রায় অনেক গুলিতে বানিজ্যে হয়েছে। তাই সিভি যদি নিতে হয় সারাদেশব্যপী জেলা ও মহানগর এবং প্রতিটি ইউনিটের সুপার ফাইবের। ভোটের মাধ্যেমে কাউন্সিল করে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতৃত্ব প্রকাশ করতে হবে।
আমার কাছে প্রমাণ আছে,
আজ আমাদেরকে প্রাপ্ত অধিকার নিয়ে বানিজ্যে হচ্ছে। আপনি অনেক কিছুই জানেনা।
আজকে এই দল ধংসের পথে, আমি মাঝেমধ্যে ভাবি আমার সাথে যারা আছে তাদের দিকে তাকালে দেখি কেউ ব্যাংকের মধ্যে আবার কেউ সরকারি চাকুরী করছে। পরিবারের সবাই কে নিয়ে ভালোই আছে। অথছ আমার মত হাজারো দল প্রেমিক এবং মেধাবী তরুণ সমাজ আজ ধর্ষিতা নারীর মত জীবন যাপন করছে।
আমার প্রশ্ন আপনাকে ব্যাবহার করে এক শ্রেণির সিন্ডিকেট মনোনয়ন বানিজ্য থেকে সব করছে।
আমার দেখা
কুমিল্লা-৪,৫,১০
চাঁদপুর কচুয়া-১ এইভাবে সারাদেশব্যপী অনেক আসনে যোগ্যদের মুল্যায়ন করা হয় নি।
আমার প্রশ্ন, যারা দিনের পর দিন, বছরের পর বছর দলের
সাংগঠনিক কাজ করবে আর সুসময়ে তাদের বঞ্চিত করবে! এইভাবে একটি সুসংগঠিত দল চলতে পারেনা।
তৃনমুল ঠিক আছে আগে ঢাকার কেন্দ্রীয় বানিজ্যে নেতাদের থেকে এই দলকে মুক্ত করতে হবে।
আপনি চাইলে অনেক ছাত্রনেতা আজ মামলা হামলা জীবন করছে। তাদের খোজখবর নিবেন।
এবং কেন্দ্রীয় যে সিন্ডিকেট তা ভেঙ্গে দিতে হবে।
কারন দলটা সবার
এই জাতীয়তাবাদী শক্তি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দল দয়া করেএই দলটাকে আর কারো খোরাক বানাবেন না। কারন লজ্জা লাগে যখন দেখি ধানের শীষের মনোনয়ন নিয়ে দেশমাতাকে কারাগারে রেখে এমপি হয়ে শপথ নেয় এইসব থেকে বের হয়ে আসতে হবে প্রয়োজনে প্রতিটি জেলা ও মহানগর প্রতিটি থানায় সাবেক ছাত্র নেতাদের দায়িত্ব দিন। সুযোগ সন্ধানীদের আর সুযোগ দিবেন না।
আমি সমালোচনা করি বিদায় অনেকের চোখে বিষপোড়া, নিজ দল সরকারের কট্রর সমালোচনা করি বিদায় মামলা হয়।
প্রিয় তারেক রহমান ছাত্রদলের দায়িত্ব তারুণ্যের নির্ভর হতে হবে।
প্রয়োজনে আহবায়ক কমিটি সিনিয়রদের সন্মান দিয়ে তরুনদের দিয়ে সম্মেলনের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল কমিটি দিতে হবে।
এবং প্রত্যেক জেলা ও মহানগর বিভাগীয় পদ দিয়ে মুল্যায়ন করতে হবে।
প্রতিটি কমিটির মেয়াদ দুই বছর উল্লেখ করে দিতে হবে। দুই বছর পর কমিটির অটোমেটিক ভেঙ্গে যাবে। আহবায়ক কমিটির মেয়াদ হতে হবে ৬ মাস ৬ মাসের মধ্যে ছুড়ান্ত কমিটি না করতে পারলে তাদের কে বাদ দিতে হবে সারাদেশব্যপী প্রতিটি সুপার ফাইবের সাথে আপনি কথা বলতে পারেন।
শুধু ছাত্রদল নয় বিএনপি কেও এই ঐক্যেফ্রন্টের হাত থেকে রক্ষা করুন। শুধু শুধু প্রেস ব্রিফিং নেতাদের হাত থেকে দলকে বাঁচান।
এবং শিক্ষা ঐক্যে প্রগতি যারা মেধাবী তাদের কে মুল্যায়ন করুন।
সুযোগসন্ধানীর হাত থেকে দল বাঁচান!
সব শেষে দুটো প্রশ্ন,
মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ভালো মানুষ কিন্ত উনার কাছে কি কোন রিপোর্ট ছিলো না যেখানে সারাদেশ জানে আগের রাতে ৩৫% ভোট হয়েছে? তিনি কিভাবে বলেন ভোট মোটামুটি হচ্ছে
একই কথা ডাঃ কামাল ও বলেছেন আপনার অনউপস্থিতে উনারা নীতিনির্ধারণী
তাই আর কত?
দয়া করে এইবার দলে শুদ্ধি অভিজান চালান
আমাদের হারানোর কিছু নেই অনেক কিছুই হারিয়েছি জীবন থেকে আমি ব্যক্তিগত ভাবে ২০০১-২০১৮ সাল
প্রায় একযুগের বেশি লড়াই সংগ্রামে আজকে শুধু মানবেতর ভাবে কিভাবে বাচা যায় এবং দলকে বাঁচানো যায় তা ভাবছি।
আমার মত লক্ষ তরুন আজ হতাশা এবং আসাভাবিক জীবনে দূরসময়ে ও
এই দলের পাশে আছি থাকবো
ইনশাআল্লাহ জীবনের শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত লড়ে যাবো।
তবে দয়া করে আর আমাদের কে নিয়ে যারা খেলা করে তাদের কে জবাব দিন।
তা না হলে এই দল থেকে মোকাব্বির,এম এ জাহিদ, সুলতান মনসুরের মত লোকেরা সুযোগ নিবে,আর আমাদের স্থান হবে ক্ষতবিক্ষত জনির মতদয়াকরে এসব দলকে বিক্রিত করে বানিজ্য করে আর সেলফি নেতাদের থেকে ছাত্রদলকে বাঁচান। যারা দূরসময়ে আত্নগোপন থাকে আর সুসময়ে দল নিয়ে বানিজ্য করে।
সাইফ উদ্দিন
সাংগঠনিক সম্পাদক
কুমিল্লা দক্ষিন জেলা ছাত্রদল


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ