গুগল হিডেন ট্রুথে ধরা খেয়েছে সরকার

Pub: বুধবার, জুলাই ১৭, ২০১৯ ৮:৩৭ অপরাহ্ণ   |   Upd: বুধবার, জুলাই ১৭, ২০১৯ ৮:৩৭ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এম. এ করিম ইবনে মছবিবর : এবার ডিজিটাল ফাঁদে পড়লো সরকার। এই সরকার গণতান্ত্রিক না অগণতান্ত্রিক, তা দেশবাসী জানতে চায়? জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ এর উইকিলিকস থেকে হিলারীকিলিকস এবং ইন্ডিয়ান কিলিকসের গ্যাঁড়াকলে সরকার এবং নির্বাচন কমিশন। আমি মাঝেমধ্যে হার্ড লাইনে লেখালেখি করি। কারণ সত্য কথা বলতে এবং লিখতে কোন ভয় নেই। ১৯৭১-এর রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে দেশ স্বাধীন হয়েছিল? পিন্ডির পরিবর্তে দিল্লীর শৃক্মখল পরতে নিশ্চয় ত্রিশ লাখ লোক শহীদ হয়নি! সত্যকে কখনো মিথ্যা দিয়ে চাপা দেয়া যায় না, একদিন সত্য বের হয়ে আসবেই। আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর কিভাবে ক্ষমতায় আসলো তা দেশ ও জাতির নিকট প্রমাণ আকারে প্রকাশিত হয়েছে। প্রসঙ্গক্রমে কিছু কথা বলতে হয় ২০১১ সালের ২৯ জানুয়ারি জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতারা বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সাথে দেখা করলে তিনি তিউনিসিয়া মিসরসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে সাম্প্রতিক গণবিস্ফোরণের প্রতি ইঙ্গিত করে সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে আন্দোলনের প্রস্তুতি নেয়ার জন্য জনগণের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, এক দেশের প্রেসিডেন্ট এরই মধ্যে পালিয়ে গেছেন। আরো কয়েকটি দেশে সরকারের বিরুদ্ধে জনগণ রাজপথে নেমেছে। আমাদের দেশের জনগণও কঠিন সময় অতিক্রান্ত করছে। আমাদেরকেও এই সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে নামতে হবে। এই বক্তব্যের উত্তর দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৪ ফেব্রুয়ারি বলেছেন যে, জনগণ বিএনপিকে প্রত্যাখ্যান করেছে। মিসরের প্রেসিডেন্ট এবং তিউনিসিয়ার মতো পরিস্থিতি বর্তমান সরকারের হবে, খালেদা জিয়ার এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা পালাবো না। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় উনি তো গাঁটরি বোঁচকা বেঁধে প্রস্তুত হয়েছিলেন বিদেশে পালানোর জন্য। আমি শেখ হাসিনা দেশে ফেরার ঘোষণা না দিলে তিনি (খালেদা জিয়া) দেশ ত্যাগ করতেন। এর জন্য তিনি এক কোটি টাকার বিদেশি মুদ্রাও সংগ্রহ করেছিলেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর ভুলে যাবার কথা নয়, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় একটা মদের বোতল কিংবা ডলার বা পাউন্ড রাখার জন্য রাজনৈতিক নেতাদের গ্রেফতার করা হয়েছিল। রাজনৈতিক নেতাদের গ্রেফতার করে গরু চুরির মামলায়ও ঢুকানো হয়েছিলো। খালেদা জিয়া যদি এক কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা সংগ্রহ করতেন, তাহলে এজন্য তিনি মামলা খেতেন। তবে শেখ হাসিনার বক্তব্যের মাঝে একটা পরাজয়ের ইঙ্গিত রয়েছে যেমন তিনি শেখ হাসিনা দেশে ফেরার ঘোষণা না দিলে তিনি বেগম খালেদা জিয়া দেশ ত্যাগ করতেন । শেখ হাসিনা কিন্তু দেশ ত্যাগ করেই এ কথা বলেছেন। এখানে স্মর্তব্য যে, শত চাপের মুখেও দেশ ত্যাগ না করার ব্যাপারে খালেদা জিয়া অটল ছিলেন। পক্ষান্তরে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাথে গোপন আঁতাত করেই আওয়ামী লীগের সাথে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের গোপন সমঝোতার অভিযোগ করেছিলেন রাজনৈতিক সংলাপের সময়ে ফখরুদ্দিনের কছে পি.ডি.পি নেতা ফেরদৌস আহমদ কোরেশী। শেখ হাসিনা বিদেশ যাওয়ার সময় তিনি অবৈধ তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে সাংবিধানিকভাবে বৈধতা দেয়ার ঘোষণা দেন। উল্লেখ্য যে, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় যাওয়ার প্রথম সংসদ অধিবেশনে ২৫ শে জানুয়ারি ২০০৯ সালে ভি, আই, পি গ্যালারিতে বসা ছিলেন ফখরুদ্দিন আহমদ, মইন উ আহমদ, ঐ দিন বিরোধী দলও সংসদে আসে, ভি, আই, পি গ্যালারিতে আমি এবং আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ ভাই এবং যুক্তরাজ্যে আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল কাদির হাসনাত সাহেবও ছিলেন। ঐ সময় সরকার দলীয় সংসদ সদস্যরা ফখর, মইন সরকারের বিচার চাই দাবি করলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার দলীয় সংসদ সদস্যদের মুখ বন্ধ করতে বলেন। প্রধানমন্ত্রী কঠোর হয়ে তাদের টুটি চেপে ধরেন । মিছবাহ উদ্দিন সিরাজ ভাই কলামটি পড়লে সত্য কি মিথ্যা তা আমাকে জানাবেন। আওয়ামী লীগ নেতারা নিশ্চয়ই জানেন যে, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে কখনোই তাদের ক্ষমতায় আসার সুযোগ ছিল না। তাই তারা ব্যালট বাক্স ছিনতাই, ভোট কারচুপি, জালভোট, ভোটকেন্দ্রে ক্যাডারদের দিয়ে মহড়া, ভিন্নমতের ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেয়। ১৯৭৩ সালের নির্বাচনে ব্যালট বাক্স ছিনতাই করতে হেলিকপ্টার পর্যন্ত ব্যবহার করা হয়েছিল। ২০০৮ সালের নির্বাচনের জন্য আওয়ামী লীগকে ১৪ দলীয় জোট গঠন করতে হয়েছিল। এতে বোঝা যায় যে, আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা কতটুকু? ১৪ দলীয় জোট গঠন করে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনে রহস্যজনক বিজয় ছিনিয়ে এনে আওয়ামী লীগ প্রমাণ করার চেষ্টা করেছিলো তাদের প্রতি বিপুল জনসর্মথন রয়েছে। কিন্তু ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনেও যে, জনগণ তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করেছে, ষড়যন্ত্রের মধ্যদিয়ে যে তারা ক্ষমতায় এসেছে, তা প্রকাশ পেয়েছে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারী ক্লিনটনের মধ্যে টেলিফোনে যে কথোপকথন হয়েছে তা প্রকাশের মধ্যদিয়ে ওবামা প্রশাসনের উচ্চপদস্থ নীতিনির্ধারক রবার্টো ব্লেক এই টেলিফোনের কথোপকথন প্রকাশ করেছেন। রবার্টো ব্লেক হচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্র পররাষ্ট্র দফতরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী সেক্রেটারি। তিনি দক্ষিণ এশীয় রাজনীতি বিষয়ে অভিজ্ঞ। ইতোপূর্বে তিনি মালদ্বীপ ও শ্রীলংকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত ছিলেন। রবার্টো ব্লেকের এই তথ্য আমেরিকার একটি ফেইসবুকে প্রকাশিত হয়। গত ১৬ জানুয়ারি গুগল এ (Hidden Truth) নামের ফেইসবুকে প্রকাশিত হয়েছে। হিলারী শেখ হাসিনাকে বলেছেন আমি আশা করি আপনি জানেন যে, আপনার সরকার কিভাবে ক্ষমতায় এসেছে, আপনি ভুলে যাবেন না যে, নির্বাচনের পর আপনাকে অভিবাদন জানিয়ে নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বলে আমরা ঘোষণা দিয়েছিলাম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আপনি জানেন, পূর্ব পরিকল্পিত ফলাফল পেতে কিভাবে এ নির্বাচনে আমাদের বন্ধু নয়াদিল্লী কাজ করেছে। আমরা সেভাবে কাজ করেছি, যেভাবে নয়াদিল্লী বলেছিল। জেনারেল মঈনকে ভুলে যাবেন না। তিনিই আপনাদের ক্ষমতায় এনেছিলেন। হিলারী এবং হাসিনার টেলিফোনের এই গোপন তথ্য ফেইসবুক গুগলে প্রকাশিত হওয়ার পর সরকারের দীর্ঘ ২ বছর ২০ দিন পর এদেশের মানুষ ও বিশ্ববাসী জানতে পারলো যে, জেনারেল মঈন ও ভারত শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় এনেছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার টেলিফোনের কথাবার্তা প্রকাশ পাওয়ায় ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের সাজানো নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ সত্য পরিণত হয়েছে। এতে সরকার কেবল নৈতিকতা হারায়নি সরকারের উচিত ফেইসবুক গুগলে অজানা তথ্য ফাঁস হওয়ার পরই পদত্যাগ করা। মিসরের হোসনি মোবারক কিংবা তিউনেসিয়ার জিনে আল আবেদীন বেন আলী ছিলেন নির্বাচিত রাষ্ট্রপ্রধান । কিন্তু তারা স্বৈরাচারী হয়ে ওঠায় জনগণ তাদের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামে। অন্যদিক ফেইসবুক গুগলে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী শেখ হাসিনা গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার নয়। তথাকথিত নির্বাচনের নামে তাদেরকে জেনারেল মঈন ও নয়াদিল্লী ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করেছে। অর্থ্যাৎ হাসিনা সরকার হচ্ছে অগণতান্ত্রিক বা অবৈধ সরকার। শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় আনার পর নিউ দিল্লীর সাউথ ব্লকের দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা প্রণব মুখার্জি বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীকে হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলেছিলেন যে, শেখ হাসিনা সরকারকে ডিসটার্ব করলে পরিণতি ভাল হবে না। শেখ হাসিনা সরকারকে রক্ষায় দিল্লী সবকিছু করবে। আরেকটি দেশের সরকারকে দুটি রাজনৈতিক দলকে দিল্লীর সাউথ ব্লকের নেতার হুমকি প্রদান বাংলাদেশের উপর দিল্লীর সরাসরি হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত বহন করে। বিশ্ব কাঁপানো উইকিলিকস মার্কিন সরকারের গোপন তথ্যের নথি উদ্বৃত করে বলেছে, ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনে নয়াদিল্লীর সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রক্ষাকারী আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করায় ঢাকায় নিযুক্ত তৎকালীন ভারতীয় হাইকমিশনার পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী আনন্দিত হয়েছিলেন । পিনাক রঞ্জন মার্কিন রাষ্ট্রদূত জন এফ মরিয়ার্টিকে বলেন, শেখ হাসিনা খুবই ভারতঘেঁষা নেত্রী। এ অভিযোগ থেকে তাকে রাজনৈতিকভাবে কিছুটা আড়াল দিতে বাংলাদেশের আঞ্চলিক টাস্কফোর্স গঠনে জোর দেয়ার কারণটি দিল্লী উপলব্ধি করেছিলো। উইকিলিকস এর তথ্য অনুযায়ী ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনের সঙ্গে ভারতের সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত ফুটে ওঠে। উইকিলিকস-এর তথ্যমতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে যাতে সামরিক অভ্যুত্থান না ঘটে সেজন্য ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মোহন কুমার নয়াদিল্লীতে মার্কিন দূতাবাসে যুক্তরাষ্ট্র ও বৃটেনের (Political Councilor) যথাক্রমে টেড ওয়াশিয়াস ও আলেক্স হলের সাথে এক দীর্ঘ বৈঠক করেন। উইকিলিকস-এর তথ্য অনুযায়ী ভারত, বৃটেন ও যুক্তরাষ্ট্র তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে কেবল পৃষ্ঠপোষকতাই দেয়নি, পাল্টা সামরিক অভ্যুত্থান যাতে না ঘটে তাও প্রতিহত করা হয়। পাল্টা সামরিক অভ্যুত্থান ঠেকাতে তারা ২৯ ডিসেম্বরের সাজানো পাতানো নির্বাচনের ব্যবস্থা করে। কারণ পাল্টা সামরিক অভ্যুত্থান ঘটলে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনা যাবে না। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা ও ভারতে নিযুক্ত বৃটিশ রাষ্ট্রদূতের মধ্যে টেলিফোনে যে আলাপচারিতা হয়, তা উইকিলিকস প্রকাশ করেছে। তাতে দেখা যায় ভারত যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাংলাদেশে ব্যবসা-বাণিজ্য একচেটিয়া অধিকার পেতে সহায়তা কামনা করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বাংলাদেশকে নিয়ে কি হয়েছে তা উইকিলিকস থেকে দেশবাসী জানতে পেরেছে। তারপরও বর্তমান সরকার বুঝে উঠতে পারেনি বরং আরো ভারতঘেঁষা হয়ে পড়ে। ভারতকে ট্রানজিট, করিডোর, একচেটিয়া ব্যবসা-বাণিজ্য দিতে বেপরোয়া হয়ে উঠে। স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বকে অকার্যকর ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে তছনছ করে দিতে ট্রানজিট করিডোরের পাশাপাশি এশিয়ান হাইওয়ে রুট নির্ধারণ করা হয়েছে, আরেকটি ইন্ডিয়ান করিডোর হিসেবে। ভারতের গভীরে প্রবেশ কৌশল হিসেবে আবারো উপ-আঞ্চলিক জোট গঠনের প্রক্রিয়ার কথা বলা হচ্ছে। এই পরিস্থিতির জন্য কি ঊনিশ একাত্তরে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে দেশ স্বাধীন হয়েছিলো? পিন্ডির পরিবর্তে নয়াদিল্লীর শৃক্মখল পরতে নিশ্চয়ই ত্রিশ লাখ লোক শহীদ হয়নি! ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচন নিয়ে জনমনে যে সন্দেহ ছিল উইকিলিকস-এর তথ্যে এই বিষয়টি আরও পরিষ্কার করে দিয়েছে। এরপর হিলারী-হাসিনা মধ্যকার টেলিফোন আলাপ মিডিয়ায় প্রকাশ পাওয়ায় সকল ষড়যন্ত্র সত্যে পরিণত হয়েছে। আমাদের দেশের জনগণ ১৯ জানুয়ারি ২০১১ হিডেন ট্রুথ ফেইসবুক গুগল ও বিভিন্ন মিডিয়ার মাধমে জানতে পারে যে, জেনারেল মঈন ইউ ও দিল্লী ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনের নামে আওয়ামী জোট সরকারকে ক্ষমতায় বসিয়েছে। এখন জনগণের দায়িত্ব হচ্ছে সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়ার। তবে জনগণ জানে না যে, এই সরকারকে ভারত ছায়া দিবে। আশার কথা যে, যেহেতু জনসমর্থন নিয়ে সরকার ক্ষমতায় আসেনি জনসমর্থন বলতে এ সরকারের কোন অর্জন নেই। আর এজন্য রাজপথে সাহসী নেতৃত্ব দিলে ষড়যন্ত্রের নীলনকশার মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা সরকারের লোকজন সহজেই তিউনিসিয়ার জিনে আল আবেদীন বেন আলীর পদাংক অনুসরণ করতে পারে। আন্দোলনের শাশ্বত মহিমায় উৎসারিত হোক দেশ পরিচালনার অনাগত আগামী, জয় হোক বহুদলীয় গণতন্ত্রের, জয় হোক জাতীয়তাবাদী শক্তির এই প্রত্যাশায়। makarim [email protected]


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ