fbpx
 

ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রসঙ্গে সংগঠনের অভিভাবক দেশনায়ক তারেক রহমানের কাছে খোলা চিঠি

Pub: রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৯ ১:৪৯ অপরাহ্ণ   |   Upd: রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৯ ১:৪৯ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

প্রিয় রাজনৈতিক অভিভাবক,
রাজনৈতিক দল যদি একটি আদর্শিক বৃহৎ পরিবার হয়ে থাকে,তাহলে বিএনপি নামক সেই পরিবারটির আজ ওআগামীর অভিভাবক আপনি।রাজনৈতিক দলে প্রবেশের শুরুটা ছাত্র সংগঠনের মাধ্যমেই হয়।বিএনপির ক্ষেত্রেও তাই। আপনি সম্প্রতি কাউন্সিলদের মাধ্যমে সর্বসম্মতি ক্রমে ছাত্রদলের সাংগঠনিক অভিভাবক মনোনীত হয়েছেন।ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক অভিভাবক এখন আপনিই।আমাদের সুখ দুঃখ পাওয়া না পাওয়ার কষ্ট একমাত্র আপনিই বুঝতে পারেন।অাপনি জানেন বিগত একযুগের লড়াই সংগ্রামে রাজপথের একজন কর্মীর জীবন কতটা চেলেঞ্জিং।বিগত দিনের আন্দোলন সংগ্রামে সর্বোচ্চ ঝুঁকি নিয়ে রাজপথে থেকেছি।
দলের সিদ্ধান্ত অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছি। আমাদের জেনারেশন এমন একটা সময়ে রাজনীতিতে এসেছি,বিএনপিকে ভালবেসেছি,ছাত্রদলকে লড়াই করার ফ্ল্যাটফর্ম হিসাবে বেঁচে নিয়েছি যখন বাংলাদেশে বিরোধীদের উপর চরম রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন,নির্যাতন,খুন, গুমের মহোৎসব চলছে।রাষ্ট্রইআজ প্রতিটা মানুষের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে গেছে।আজকে যারা ছাত্রদল করে তারা শুধুই বাংলাদেশকে ভালোবেসে,বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদকে ধারণ করে,বিএনপি ও জিয়া পরিবারের প্রশ্নে আপোষহীন বলেই।কোনো চাওয়া পাওয়ার জন্য নয়।ছাত্রদলের রাজনীতি করতে এসে কোনো সুবিধা নিয়েছি কেউ বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবেনা।বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি তিন-চারটা টিউশনি করাতাম,সেই টাকা ছাত্রদলের রাজনীতির পিছনে ইনভেস্ট করেছি।নিজের ভবিষ্যত কী হবে থাকানোর বা ভাববার সময় পাইনি।এটা শুধু অামার নয়,বিয়ের অজুহাতে যাদের বাদ দেওয়ার চক্রান্ত চলছে সবারই।

.প্রিয় অভিভাবক,
একটা উদাহরণ দিতে চাই।২০০০ সালকে ধরে কাউন্সিল হয়েছে, সে হিসাবে একজনের বয়স হওয়ার কথা ৩৫-৩৬ বছর।কিন্তু অামার এসএসসি ত ২০০৪,বয়স ৩০ বছর প্লাস।অামি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমফিলের নিয়মিত ছাত্র।হরতাল থেকে গ্রেফতার হয়েছি।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের নির্মম নির্যাতনে শিকার হয়েছি।৩০ বছর বয়সের ১২ টা বছরই পুরোপুরি ছাত্রদলকে দিলাম।রাজনীতির জন্য স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারিনাই,এখনো পারছি না।বাড়িতে গেলেও পুলিশে খোঁজে!ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ডিগ্রী নিয়েও পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পারি নাই। মা বাবা ভাই বোন আত্মীয় স্বজন সবার স্বপ্নের কবর দিয়েছি ফুলটাইম ছাত্রদলের রাজনীতি করার কারণে!অার অাজ অামার রাজনৈতিক পরিচয় পাওয়ার অধিকার নেই?ছাত্রদল করার যোগ্যতাটা আসলে কী?শুধুই অবিবাহিত হওয়া?নুরু-জনিও ত বিবাহিত ছিল!আমাদের রাখলেই কি ছাত্রদল ধ্বংস হয়ে যাবে?এটা ভুল, সম্পূর্ণ ভুল সিদ্ধান্ত। আমি জানি আপনি নেতাকর্মীদের কথা শোনেন,সবার অভাব অভিযোগ বুঝার চেষ্টা করেন,সে জন্যই লিখছি।

যখন হরতাল অবরোধ বিক্ষোভ মিছিলে ছিলাম
তখন ত আমার সংগঠন কোনো প্রশ্ন তোলে নাই!
এখন কেন ছাত্রদলের সবচেয়ে ডেডিকেটেড একটা জেনারেশনকে বলির পাঠা বানানো হচ্ছে? কী আমাদের অপরাধ?বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া দেখে মনে হচ্ছে ছাত্রদলকে একটা প্যারালাইজড সংগঠনে পরিণত করার মিশন সফল হতে যাচ্ছে!মনে রাখতে হবে বিএনপি এখন বিরোধীদলে,সরকারি দলে না।শুধু বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করার সময় এটা নয়।
ছাত্রদলের বর্তমান বাস্তবতা হল একটা ইনক্লুসিভ পূর্ণাঙ্গ কমিটি করা। কাউকে বাদ দিয়ে নয়।যোগ্যতা দক্ষতা ও ডেডিকেশনের প্রশ্নে বরং বাঁচাই করা যেতে পারে।

বিএনপির নেতৃত্বে চলমান গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি গুম খুনের শিকার হচ্ছে ছাত্রদল।কঠিন সময়ে চলমান রাজনীতির বিপরীত ধারায় চলতে গিয়ে ব্যক্তিগত জীবন বলতে আজ কিছু নেই।মধ্যভিত্তের স্বপ্ন দেখতে নেই-এই তত্ত্বকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সবকিছুকে পেছনে ফেলে দেশের সবচেয়ে বড় ছাত্রসংগঠনের হয়ে অাজ লড়াই করছে লাখো তরুণ ছাত্র সমাজ।রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন নির্যাতন কাকে বলে কত ভয়ংকর হতে পারে তা আপনি ও আপনার পরিবারের চেয়ে এই সময়ে আর কে ভালো বুঝে প্রিয় দেশনায়ক?
অামাদের হৃদয়ের রক্ত ক্ষরণ ও যন্ত্রণা একমাত্র আপনিই বুঝতে পারেন।আপনার দিকেই থাকিয়ে আছি আমরাছাত্রদলের তরুণদের কাছেআপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ মায়ের মত।শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন ন্যায়ের চাবুক।আপনাকে কেন্দ্র করেই নতুন করে স্বপ্ন দেখে বাংলাদেশ।প্রিয় নেত্রী অাজ সারা বিশ্বে মুক্তি ও গণতন্ত্রের প্রতীক। অধিকারহীন নির্যাতিত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আপনার সাহসী উচ্চারণ নতুন করে বাঁচতে শিখাচ্ছে জুলুম আর জালিমের এই জমিনে।সাত সমুদ্র তেরো নদীর ওপার থেকেও বাংলাদেশের মানুষকে এগিয়ে চলার যে সাহস ও নেতৃত্ব আপনি দিচ্ছেন তা নতুন আশার সঞ্চার করেছে।বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরিণ গনতন্ত্র চর্চার যে ধারা সেখানে বিএনপির ইউনিয়ন প্রতিনিধি সম্মেলনের মাধ্যমে আপনি যা শুরু করেছিলেন তা নজীর বিহীন ঘটনা।

বাংলাদেশে অাজ সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রিত একটি শাসন ব্যবস্থা চলছে।বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক ডক্টর আলী রীয়াজ যার নাম রেখেছেন হাইব্রিড রেজিম।
এই ব্যবস্হায় গনতন্ত্রের নামে চলছে এবসোলিউট এটোক্রেসি।রাষ্ট্রে অাজ তাই চলছে।মানুষ কথা বলতে পারেনা,নির্বাচন হয়,মানুষ ভোট দিতে পারে না। অাদালত অাছে ন্যায় বিচার নেই।গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রিত।
প্রধান বিচারপতিকেও দেশ ছেড়ে পালিয়ে থাকতে হয়।
শিক্ষাঙ্গনে দখলদার সন্ত্রাস।বিএনপি সম্পূর্ণ কোনটাসা করে রাখা হয়েছে।সভা সমাবেশ করতেও হাজারো শর্তের বেড়াজাল!এমন একটি অস্বাভাবিক সময়েও আপনি বসে নেই। অসহায় নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।দল পূনর্গঠনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। রাজনৈতিক দলে গনতন্ত্র নেই, রাষ্ট্রে কীভাবে থাকবে?এই অভিযোগের এক সমুচিত জবাব সম্প্রতি অাপনি দিয়েছেন।বর্তমান সময়ে ড্যাব ও ছাত্রদলে কাউন্সিলের
মাধ্যমে নেতা নির্বাচন করে ইতিহাস তৈরি করেছে বিএনপি।এমন একটি শ্বাসরুদ্ধকর সময়েও যে সদিচ্ছা
থাকলে অনেক বড় রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা যায় তার বাস্তব উদাহরণ ছাত্রদলের কাউন্সিল।

.প্রিয় অভিভাবক,
আপনাকে আমি আজ কিছু কথা বলতে চাই।কাছ থেকে অাপনাকে দেখার সুযোগ এখনো হয়নি আমার।ওয়ান ইলেভেনে যেদিন শুনেছিলাম পিজি হাসপাতালে পুলিশি পাহারায় চিকিৎসারত অবস্থায় বাথরুমে পরে
মারাত্মক আহত হয়েছিলেন সেদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাথে আমিও পিজি হাসপাতালে এসেছিলাম আপনাকে দেখতে।তখন অনার্স প্রথম বর্ষে পড়ি।হাজার হাজার মানুষকে শুভেচ্ছা জানিয়ে রুমের জানালায় হাত নেড়েছিলেন।এটুকুই আপনাকে আমার দেখা।দলের নির্যাতিত নিপীড়িত নেতাকর্মীদের প্রতি আপনার আবেগ ভালবাসা দরদ ই আজ আমাকে আপনার প্রতি লিখতে সাহস জুগিয়েছে।আমি জানিনা আমার এইআবেদন আপনার কাছে পৌছবে কিনা।আমি এই বিশ্বাস থেকেই লিখছি যে সামাজিক গণমাধ্যমের এই যুগেআমার এই আবেদন নিশ্চয়ইআপনার দৃষ্টি গোচর হবে।

.প্রিয় অভিভাবক,
প্রায় তিন দশক পর ছাত্রদলের একটি জাতীয় কাউন্সিল হল অত্যন্ত চমৎকার ভাবে। যে কাউন্সিলের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রার্থী,কাউন্সিলর,গণমাধ্যম -কেউ প্রশ্ন তোলার সাহস পায়নি।ছাত্রদলের কাউন্সিলে প্রার্থীর যোগ্যতায় বলা হয়েছিল প্রার্থীকে এসএসসি ২০০০ এর পূর্বে হওয়া চলবে না।নিয়মিত ছাত্র হতে হবে।
এবং সভাপতি সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থীকে অবশ্যই অবিবাহিত হতে হবে।কমিটি গঠনের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা বার বার স্পষ্টভাবেই বলে ছিলেন এই নিয়ম অর্থাৎ বিয়ের শর্তটি পূর্ণাঙ্গ কমিটির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।ছাত্রদল সভাপতি সাধারণ সম্পাদক হওয়াটা এই সংগঠনের নেতাকর্মীদের সর্বোচ্চ প্রত্যাশা।কাউন্সিলে শর্ত দেওয়ায় সম্পূর্ণ যোগ্যতা থাকার পরেও অামরা ফরম তুলিনি।কাউন্সিলকে সার্বিক ভাবে সহযোগিতা করেছি।কিন্তু এখন হঠাৎ করে বলা হচ্ছে পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে বিবাহিতদের বাদ দেওয়া হবে!বিবাহিত যারা বিগত দিনের অান্দোলন সংগ্রামে ছিল না, তাদের ব্যাপারে সংগঠন যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতেই পারে কিন্তু যাদের ধ্যান জ্ঞান ছিল ছাত্রদল, যারা বিগত একযুগের গনতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে চব্বিশটা ঘণ্টা দলকে দিয়েছে তাদেরকে কিভাবে বাদ দিবে ছাত্রদল?আমি বিশ্বাস করতে চাই সংগঠন তার নির্যাতিত নেতাকর্মীদের সাথে এত নিষ্ঠুর আচরণ করতে পারেনা।সভাপতি সাধারণ সম্পাদক পদে অবিবাহিত হতে হবে অনেক আপত্তি সত্বেও তা মেনে নিয়েছিলাম।এখনো যদি আমাদের বাদ দিয়ে দেয় কিছু ই করার থাকবে না।তবে এটা অন্যায়।চরম অন্যায়।যে দেশের আইন একটা ছেলেকে একুশ বছরে ও মেয়েকে আ টারো বছরে বিয়ে করার পারমিশন দেয় সেখানে পয়ত্রিশ বছরেও অবিবাহিত চাওয়াটা কি প্রত্যাশিত?আমার প্রশ্ন হল যারা রাজপথে ছিল তাদের ক্ষেত্রে বিয়ের অজুহাতে বাদ দেওয়া কতটা যৌক্তিক?দলের পরীক্ষিত একটা জেনারেশনকে বাদ দিয়ে কমিটি করাটা কি খুব জরুরী?বার বছর রাজনীতি করা একটা ছেলের স্বপ্নকে খুন করাটা কী খুব যৌক্তিক?একটা পরিচয় পাওয়ার অধিকার কি আমার নেই? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মত জায়গায় পড়াশোনা করেও দলকে ভালবাসার,ছাত্রদল করার প্রাপ্য কী এই?

.প্রিয় অভিভাবক,
ছাত্রদলে যেকোনো সংকট সমাধানে সর্বোচ্চ অভিভাবক হিসাবে আপনার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। আপনিই পারেন এই সমস্যার সমাধান দিতে।আপনার সুদৃষ্টিই বাচিয়ে দিতে পারে রাজপথের একদল সাহসী তরুণের রাজনৈতিক ভবিষ্যত।বিবাহিতদের রেখে প্রয়োজনে বিগত দিনের রাজপথের ভূমিকার চুলচেরা বিশ্লেষণ করে পদ দিন,কোনো আপত্তি নেই।সেই অযোগ্যতার মাপকাঠিতে আমিও যদি বাদ পড়ি নুন্যতম কোনো প্রশ্ন তুলবো না দ্বিতীয় বার।আমাদের মত নেতাকর্মীদের আপনার সাথে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগও কম।সে জন্যই সামাজিক গণমাধ্যমে লিখছি।কাউন্সিলের শর্ত ছিল এসএসসি ২০০০ এর পূর্বে না হওয়া,নিয়মিত ছাত্র এবং অবিবাহিত হওয়া, এই শর্তগুলো শুধু মাত্র সভাপতি -সাধারণ সম্পাদকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য,পূর্ণাঙ্গ কমিটির ক্ষেত্রে নয়।তাহলে এখন কেন বাদ দেওয়া হবে?

মামলা হামলা নির্যাতন,বিগত দিনের ফুলটাইম পলিটিক্স করা নেতাকর্মীদের শুধু মাত্র বিয়ের অজুহাতে বাদ দেওয়ার মত সিদ্ধান্ত গনতন্ত্র অার অধিকারের প্রশ্নে লড়াই করা দল বিএনপি নিতে পারে না। একটা বারের জন্য সুযোগ দেওয়া হোক।প্রয়োজনে এখনই ঘোষণা করা হোক যে আগামী কমিটি থেকে আর কোনো বিবাহিতদের ছাত্রদলের রাজনীতি করার সুযোগ দেওয়া হবে না।এতে সবাই বিকল্প চিন্তা করবে।আমাদেরকেও আগে বলে দিলে হয়ত বিকল্প চিন্তা করতাম।যে ছেলেটি ক্যাম্পাসের নিয়মিত রাজনৈতিক কর্মসূচীতে অাছে।যার প্রতিদিনের রাজনৈতিক চর্চার জায়গা মধুর ক্যান্টিন।যে ছাত্র নিয়মিত মিছিল মিটিং হরতাল অবরোধ বিক্ষোভে আছে,তাকে শুধু মাত্র বিয়ের ক্রাইটেরিয়ার দলের এই চরম দুঃসময়ে বাদ দেওয়া অত্যন্ত ভুল সিদ্ধান্ত হবে।যে পর্যায়ের নেতাকর্মীদের বাদ দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে সেই পর্যায়ের একটা নেতা একদিনে তৈরি হয়না,হবেও না।বিয়ে করে ছাত্র থাকা গেলে ছাত্ররাজনীতি করা যাবে না এটা কী খুব যৌক্তিক?একমাত্র বিয়েই কী ছাত্ররাজনীতি করার অযোগ্যতা হতে পারে?

আপনার একটি সিদ্ধান্তই এই সমস্যার একমাত্র সমাধান দিতে পারে।ছাত্রদলের জন্যই জীবনের সেরা সময়টা ইনভেস্ট করেছি।আমরা কারো বিপক্ষে নই।
একটি যৌক্তিক দাবীর পক্ষে।আপনার সিদ্ধান্তের যৌক্তিক সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রইলাম।আমি বিশ্বাস করি আপনি ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে আমাদের রাজনীতি করার সুযোগ করে দিবেন,একমাত্র বিয়ের অজুহাতে আমাকে ও আমাদেরকে বাদ পড়তে হবে না।

মো:নিজাম উদ্দিন
সদ্য সাবেক মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা বিষয়ক সহসম্পাদক
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ।
এসএসসি ২০০৪,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষাবর্ষ ০৬-০৭
এমফিল গবেষক,রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ