ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিনির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালুর প্রথম ১০ দিনে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় মামলা উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। এতে মহাসড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিত ও ট্রাফিক শৃঙ্খলা ফিরছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
ট্রাফিক আইন অমান্য করা যানবাহন ও চালকের বিরুদ্ধে কার্যকর, স্বচ্ছ এবং প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্দেশ্যে ১৮ আগস্ট হাইওয়ে পুলিশ এআই ক্যামেরার নজরদারি ব্যবস্থা চালু করে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ নারায়ণগঞ্জের মেঘনায় এই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। প্রথম দিনে স্বয়ংক্রিয় মামলা হয় ৪৪৬টি। পরদিনই নেমে আসে ৪২-এ। দশম দিনে (বৃহস্পতিবার) মামলা হয়েছে মাত্র ৩৪টি। সে হিসাবে ১০ দিনের ব্যবধানে ৯২ দশমিক ৩৩ শতাংশ মামলা কমেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এআই ক্যামেরার নজরদারি গাড়িচালকদের মধ্যে ট্রাফিক আইন মেনে চলার প্রবণতা বাড়াতে ভালো ভূমিকা রাখছে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে শৃঙ্খলা ও দুর্ঘটনা রোধে হাইওয়ে পুলিশের এআই ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগকে চালকরা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। পাশাপাশি তারা বলছেন, শুধু ক্যামেরা বসিয়ে শতভাগ শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে না। এর সঙ্গে সড়কের অবকাঠামো উন্নয়ন, পথচারী চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এ ছাড়া দুর্ঘটনা এড়াতে ব্যাটারিচালিত রিকশাসহ ধীরগতির যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং ফিডার রোড থেকে মহাসড়কে ওঠার সময় সংশ্লিষ্ট এলাকার গাড়ির চালকদের সতর্ক করা জরুরি।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক হাইওয়ে পুলিশের গাজীপুর ও কুমিল্লা অঞ্চলের আওতায়। ঢাকার সাইনবোর্ড থেকে নারায়ণগঞ্জের অংশ গাজীপুর অঞ্চল এবং কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত মহাসড়ক কুমিল্লা অঞ্চল। ২০১৮ সালের সড়ক পরিবহন আইন অনুযায়ী, মহাসড়কে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার গতিতে গাড়ি চালানোর সুযোগ রয়েছে।
আ/আ












