চালের দাম বৃদ্ধি: উৎপাদনে উদ্বেগজনক ক্ষতি
বাজারে চালের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে, বিশেষ করে সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টির ফলে আমনের আবাদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে। প্রাথমিকভাবে উৎপাদনে ক্ষতির পরিমাণ ৮ লাখ ৩৯ হাজার টন হতে পারে। বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি) সরকারের কাছে একটি প্রতিবেদনে বলেছে, চাল আমদানির শুল্ক-কর পুরোপুরি প্রত্যাহার করা প্রয়োজন।
চাল একটি সংবেদনশীল পণ্য, কারণ গরিব মানুষের খাদ্য ব্যয়ের বড় অংশ এটি নিয়ে। বর্তমানে মোটা চালের দাম ৫২ থেকে ৫৫ টাকা, মাঝারি চাল ৫৮-৬৩ টাকা এবং সরু চাল ৭২ থেকে ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। খাদ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সরকারের গুদামে চালের মজুত ১০ লাখ টনের নিচে নেমেছে, যা আগামী জুলাইয়ে ১১ লাখ টনের ঘাটতির সম্ভাবনা তৈরি করছে।
বিশ্ববাজারে চালের দাম এক বছর আগের তুলনায় ১১ শতাংশ কম হলেও, আমদানি করতে গিয়ে খরচ বেড়ে যায়। তাই বিটিটিসি সুপারিশ করেছে শুল্ক-কর সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহার করার। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশে চালের সরবরাহ বাড়াতে আমদানির বিকল্প নেই। কৃষকের উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে। বাজারে স্থিতিশীলতা রাখতে সরকারের উচিত দরিদ্র মানুষের জন্য ভর্তুকি মূল্যে চাল সরবরাহের ব্যবস্থা করা।












