• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

শেখ হাসিনা-খালেদা জিয়াকে নিয়ে পদ্মাসেতু দেখতে চান জাফরুল্লাহ

প্রকাশ: রবিবার, ৩ জুলাই, ২০২২ ১:৫৫
আপডেট: রবিবার, ৩ জুলাই, ২০২২ ১:৫৫

96325807

শেখ হাসিনা-খালেদা জিয়াকে নিয়ে পদ্মাসেতু দেখতে চান জাফরুল্লাহ

স্টাফ ক‌রেসপ‌ন্ডেন্ট

সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়তে সরকার প্রধান ও বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে সঙ্গে নিয়ে পূর্ণিমা রাতে পদ্মা সেতু দেখতে চান গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘চিন্তা করেন প্রথমে আপনার (শেখ হাসিনা) গাড়ি তার পিছনে খালেদা জিয়া, পিছনে তিনজন মুক্তিযোদ্ধা দাঁড়ায়া থাকবে। আস্তে আস্তে যাব। এখনও সময় আছে অন্য দিকে পয়সা খরচ না করে এক পূর্ণিমা রাতে চলেন না যাই৷ এইটাই হবে বাংলাদেশ।’

রবিবার (৩ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে ‘হয়রানিমূলক মামলায় রাজবন্দী ও ধর্মীয় নেতাদের দীর্ঘ কারাবাস : নাগরিক সমাজের উদ্বেগ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। গণ মতামত কেন্দ্র এই সভার আয়োজন করে।

আ‌য়োজক সংগঠ‌নের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আপনাদের ওপর আমার রাগ আছে। আপনারা এখানে ঘরের মধ্যে বসে মিটিং করেন। আমরা বেশ কয়েকবার বলেছি চলেন না হাজার দশেক লোক নিয়ে হাইকোর্ট ঘেরাও করি। আমার প্রস্তাব হচ্ছে দুইদিনের মধ্যে তাদের সবার জামিন না হয় আমরা সবাই ঘেরাও করে থাকবো। ওদের মুক্তি না হলে হাইকোর্টে ঈদের জামাত হবে না। আমরাই ওইখানে মাঠ দখল করে বসে থাকবো।’

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘আজকে আমাদের একটা মাত্র দাবি দুইদিনের মধ্যে সকল আলেম সকল রাজনৈতিক কর্মীর মুক্তি চাই। ইনক্লুডিন খালেদা জিয়া৷’

প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘হাজি সেলিমকে প্যারালালে মুক্তি দিতে পারেন কিন্তু খালেদা জিয়াকে পদ্মা সেতু দেখতে দিতে পারেন না। চিন্তা করেন আপনার গাড়ি সামনে খালেদা জিয়ার পিছনে তিন তিন মুক্তিযোদ্ধা দাঁড়ায়া থাকবে। আস্তে আস্তে যাবো। পূর্ণিমা রাতে চলেন না যাই৷ এইটাই হবে বাংলাদেশ। তার আগে মুক্তি দিতে হবে। পদ্মা সেতু দেখতে আলেমদেরও নিয়ে যেতে চাই।’

আসন্ন বাজেটে কৃষক শ্রমিকদের কথা উল্লেখ নেই মন্তব্য করে গণ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা বলেন, ‘বাজেট বুঝতে হলে আপনাকে ১৩শ পৃষ্ঠা পড়তে হবে। কয়জনে বই পড়ছে জানি না, এমপি সাহেবরা কি করছে জানি না। এইটা চানিক্যের চালাকি। আমাদের বাজেট হচ্ছে চানেক্য পন্ডিতের চালাকি। খালি চারিদিকে প্যাচ আর প্যাচ।’

তিনি আরও বলেন, জিনিসপত্রের যে দাম বেড়েছে ১০ তারিখ কি আমরা ঈদ করতে পারবো? কিছুলোক করবে কিন্তু বেশিরভাগ লোক আসের হাসি আসবে না। আমার বাচ্চাটার জন্য কাপড় কিনতে পারবো না। সেমাই বানাতে পারবো না। মাংস পাবো না। এখন তো ভাগের মাংসও পাওয়া যায় না।’

বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মাদ ইবরাহিম বীর প্রতীক সভাপতির বক্তব্যে বলেন, ‘আমরা সবাই মিলেমিশে শান্তিতে থাকতে চাই। আমরা মিলেমিশে থাকতে চাই বলে আমাদের এখানে ভারতের মত সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হাঙ্গামা হয় না। এর কৃতিত্ব বাংলাদেশের মানুষের। আওয়ামী লীগের না।’

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন নাগরিক ঐকের মাহমুদুর রহমান মান্না। তিনি তার বক্তব্যে আলেমদের মুক্তির দাবির প্রতি পূর্ণসমর্থন জানান।

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, গণ অধিকার পরিষদের সদস্য সচিব নুরুল হক, এবি পার্টির সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু, বিএফইউজের সভাপতি এম আবদুল্লাহ প্রমুখ।


সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ

বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫( লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
ই-মেইল: sheershakhoboronline@gmail.com


WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com